সংশ্লিষ্ট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুর্নীতিবাজদের নির্বাচিত না করার আহ্বান জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান আব্দুল মোমেন।মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে দুদকের সেগুনবাগিচা কার্যলয়ে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।দুদক চেয়ারম্যান বলেন, সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি এমনভাবে ছড়িয়ে আছে, যা সম্পূর্ণ নির্মূল করা কঠিন। এ অবস্থায় তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। দুর্নীতিবাজ-চাঁদাবাজদের ভোটাররা প্রত্যাখ্যান করলে দেশে দুর্নীতি অনেকটাই কমে আসবে।তিনি আরও বলেন, দুর্নীতিবাজদের উৎসব যেন প্রতিদিন। কিন্তু দুর্নীতিবিরোধীদের মাত্র একদিনের উদ্যোগে তাদের লাগাম টানা সম্ভব। আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করছে দুদক। সকালে কার্যলয়ে পতাকা উত্তোলন ও বেলুন উড়িয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে দুদকসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে দুর্নীতি বিরোধী সচেতনতামূলক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় দুদক কমিশনার মিঞা মুহাম্মাদ আলী আকবর আজিজী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ, দুদকের পরিচালকরা, দুর্নীতি বিরোধী সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স এগেইনস্ট করাপশনের (র্যাক) সভাপতি আলাউদ্দিন আরিফ, সাধারণ সম্পাদক তাবারুল হকসহ সরকারি বিভিন্ন বিভাগ ও দফতরের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।ভোরের আকাশ/এসএইচ
পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারে মধ্যরাতেও আবারও ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে, এখন পর্যন্ত ওই ভূমিকম্পে কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।সোমবার (৮ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে ৩ দশমিক ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প দেশটিতে অনুভূত হয়। যা গত এক মাসে বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প আঘাত হানলো। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস)-এর বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা এএনআই ভূমিকম্পের এ খবর দিয়েছে। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩০ কিলোমিটার গভীরে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে এএনআইয়ের প্রতিবেদনে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে এনসিএস জানিয়েছে, সোমবার দিবাগত রাত ২টা ২১ মিনিটে (মিয়ানমারের স্থানীয় সময়) এ ভূমিকম্প আঘাত হানে। এএনআই বলছে, এর আগে সোমবার একই অঞ্চলে ৩.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।এদিকে সামাজিক মাধ্যমে কেউ কেউ দাবি করেছে যে, মিয়ানমারে আঘাত হানা ভূমিকম্প বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, রাঙামাটিতেও অনুভূত হয়েছে। তবে এমন দাবির বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। ভোরের আকাশ/এসএইচ
বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চার বিশিষ্ট নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ তুলে দিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চার জনের হাতে রোকেয়া পদক তুলে দেন তিনি।বেগম রোকেয়া পদকপ্রাপ্তরা হলেন, নারী শিক্ষায় (গবেষণা) ড. রুভানা রাকিব, নারী অধিকারে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার, মানবাধিকারে ড. নাবিলা ইদ্রিস ও নারী জাগরণে (ক্রীড়া) রিতু পর্ণা চাকমা।আজ ৯ ডিসেম্বর, বেগম রোকেয়া দিবস। নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষা, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, অধিকার ও সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় বেগম রোকেয়ার অবদান ও নারী জাগরণের অগ্রযাত্রায় অন্তহীন প্রেরণার উৎস হিসেবে প্রতিবছর এ দিবস পালন করা হয়।বেগম রোকেয়া সাহিত্যিক, শিক্ষাব্রতী, সমাজ সংস্কারক এবং নারী জাগরণ ও নারীর অধিকার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার অন্তর্গত পায়রাবন্দ ইউনিয়নে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা জহীরুদ্দীন মোহাম্মদ আবু আলী হায়দার সাবের এবং মাতা রাহাতুন্নেসা সাবেরা চৌধুরী।বেগম রোকেয়ার পিতা জহীরুদ্দীন মোহাম্মদ আবু আলী হায়দার সাবের আরবি, উর্দু, ফারসি, বাংলা, হিন্দি এবং ইংরেজি ভাষায় পারদর্শী ছিলেন। কিন্তু মেয়েদের শিক্ষার ব্যাপারে তিনি ছিলেন রক্ষণশীল। পাঁচ বছর বয়সে মায়ের সঙ্গে কলকাতায় বসবাস করার সময় একজন মেম শিক্ষয়িত্রীর কাছে তিনি কয়েক দিন লেখাপড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। বড় ভাই-বোনদের সমর্থন ও সহায়তায় তিনি বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাই ভালোভাবে আয়ত্ত করেন।১৮৯৮ সালে বেগম রোকেয়ার বিয়ে হয় বিহারের ভাগলপুর নিবাসী উর্দুভাষী সৈয়দ সাখাওয়াৎ হোসেনের সঙ্গে। তিনি ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট, তদুপরি সমাজসচেতন, কুসংস্কারমুক্ত এবং প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গিসম্পন্ন। তার সাহচর্যে এসেই বেগম রোকেয়ার জ্ঞানচর্চার পরিধি বিস্তৃত হয়। উদার ও মুক্তমনের অধিকারী স্বামীর উৎসাহ ও সহযোগিতায় বেগম রোকেয়া দেশি-বিদেশি লেখকদের রচনার সঙ্গে নিবিড়ভাবে পরিচিত হন এবং ক্রমশ ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করেন। তার সাহিত্যচর্চার সূত্রপাতও ঘটে স্বামীর অনুপ্রেরণায়। তবে বেগম রোকেয়ার বিবাহিত জীবন বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। ১৯০৯ সালের ৩ মে সাখাওয়াৎ হোসেন মারা যান।স্বামীর মৃত্যুর পর নিঃসঙ্গ বেগম রোকেয়া নারীশিক্ষা বিস্তার ও সমাজসেবায় আত্মনিয়োগ করেন। ১৯০৯ সালের ১ অক্টোবর স্বামীর প্রদত্ত অর্থে পাঁচটি ছাত্রী নিয়ে তিনি ভাগলপুরে সাখাওয়াৎ মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল স্থাপন করেন। ১৯১১ সালের ১৬ মার্চ কলকাতার ১৩ নম্বর ওয়ালিউল্লাহ লেনের একটি বাড়িতে মাত্র আটজন ছাত্রী নিয়ে তিনি নবপর্যায়ে সাখাওয়াৎ মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। রোকেয়ার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ১৯১৭ সালে এই স্কুল মধ্য ইংরেজি গার্লস স্কুলে এবং ১৯৩১ সালে উচ্চ ইংরেজি গার্লস স্কুলে রূপান্তরিত হয়। সাহিত্যিক হিসেবে তৎকালীন যুগের প্রেক্ষাপটে বেগম রোকেয়া ছিলেন এক ব্যতিক্রমী প্রতিভা। তার প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় ১৯০৩ সালে নবনূর পত্রিকায়।উল্লেখযোগ্য রচনা : মতিচূর, পদ্মরাগ অবরোধবাসিনী প্রভৃতি। এ ছাড়া আছে অসংখ্য প্রবন্ধ, ছোটোগল্প, কবিতা, ব্যঙ্গাত্মক রচনা ও অনুবাদ। বেগম রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে। ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর কলকাতায় তিনি মারা যান।এদিকে, বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দিবসটি উপলক্ষ্যে পৃথক বাণী দিয়েছেন।ভোরের আকাশ/মো.আ.
শান্তি চুক্তি ভেঙে আবারো সংঘর্ষে জড়িয়েছে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা।মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর সাইন্সল্যাব এলাকায় সংঘর্ষে জড়ায় প্রতিষ্ঠান দুটির শিক্ষার্থীরা। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।প্রায়ই সায়েন্সল্যাব এলাকায় ঢাকা কলেজ, আইডিয়াল কলেজ ও ঢাকা সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ওই এলাকায় তীব্র যানজটের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।গত ৯ নভেম্বর নিউমার্কেট থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি মৌখিক ‘শান্তিচুক্তি’ হয়েছিল। আর মারামারি করবেন না বলে তখন প্রতিজ্ঞা করেছিলেন তারা।ভোরের আকাশ/এসএইচ
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, নারীমুক্তি ও মানবাধিকার নিয়ে ব্যাপক সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে নারী সমাজকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে এসেছিলেন বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন।মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও ৯ ডিসেম্বর দেশে নারীশিক্ষার অগ্রদূত বেগম রোকেয়াকে স্মরণ করে বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপিত হচ্ছে এ জেনে আমি আনন্দিত।প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই অঞ্চলের নারী সমাজকে যথাযোগ্য মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াসে বেগম রোকেয়ার অসামান্য অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। আজ বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে আমি এই মহীয়সী নারীর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।তিনি বলেন, ঊনবিংশ শতাব্দীর রক্ষণশীল সমাজব্যবস্থায় পিছিয়ে পড়া নারীদের ভাগ্যোন্নয়নের মূল চাবিকাঠি ছিল শিক্ষা—এই উপলব্ধি থেকেই বেগম রোকেয়া নারীশিক্ষা বিস্তারে বিরাট সাহসী ভূমিকা পালন করেন।বেগম রোকেয়া নারী উন্নয়নের পথে যে যাত্রা শুরু করেছিলেন, তার ধারাবাহিকতায় নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।ড. ইউনূস বলেন, নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় নানান পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— গ্রামীণ অসচ্ছল নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ‘ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট’ কর্মসূচি, গ্রামীণ এলাকার দরিদ্র গর্ভবতী মায়েদের এবং শহরাঞ্চলে স্বল্প আয়ের কর্মজীবী মায়েদের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান, পাশাপাশি দেশব্যাপী তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা।এছাড়া প্রান্তিক নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা প্রদান, কর্মজীবী নারীদের জন্য নিরাপদ আবাসনের লক্ষ্যে মহিলা হোস্টেল পরিচালনা, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিকার ও প্রতিরোধে সমন্বিত সেবা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ প্রকল্পের আওতায় টোল ফ্রি ২৪ ঘণ্টার হটলাইন সেবা ১০৯ চালু রয়েছে।বেগম রোকেয়ার আদর্শ অনুসরণ করে নারী অধিকার ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদানের জন্য যারা বেগম রোকেয়া পদক পেয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা তাঁদের অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন তিনি।ভোরের আকাশ/মো.আ.
পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। টানা চার দিন ধরে এই জেলার তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরেই অবস্থান করছে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে হিমেল বাতাসে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে।এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষ। ভোরের হাড়কাঁপানো ঠান্ডা উপেক্ষা করে মাঠে-ঘাটে রোজগারের জন্য ছুটে চলা তাদের জন্য ক্রমেই কষ্টকর হয়ে উঠছে।মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ।সোমবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন ছিল। যদিও আজ ঘন কুয়াশা নেই, ভোরে হালকা কুয়াশা দেখা গেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদ উঠলেও তাতে তেমন উষ্ণতা পাওয়া যায়নি।গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগের দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।শীত বাড়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও বেড়েছে কয়েকগুণ। রাস্তাঘাট, বাড়ির সামনে, চা-স্টলের পাশে খড়কুটো জ্বালিয়ে অনেকে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষদের ঠান্ডা আর কুয়াশার সঙ্গে লড়াই করেই দিন কাটাতে হচ্ছে।সদর উপজেলার হাড়িভাসা এলাকার দিনমজুর রমজান আলী বলেন, ভোরে কাজের জন্য বের হইতে গেলেই হাত-পা বরফের মতো ঠান্ডা লাগে। কাজেও ঠিকমতো মন বসে না।ভ্যানচালক জাহিদুল হক বলেন, সকালে কুয়াশার ভেতর রিকশা চালাইতে খুব সমস্যা হয়। ভাড়া পাই কম, আর শীতে গা-হাত জমে আসে।তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, গত চার দিন ধরে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। ডিসেম্বরের শুরুতেই এমন আবহাওয়া বিরাজ করায় সামনের দিনগুলোতে শৈত্যপ্রবাহ আরও জোরদার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।ভোরের আকাশ/মো.আ.
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ সাক্ষ্য দেবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্য পেশ করবেন তিনি। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন, অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ৩০ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আজ সকাল ১০টার পর ট্রাইব্যুনালে হাসনাত আবদুল্লাহ আসতে পারেন বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন। ২২ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়ার কথা রয়েছে তার।বর্তমানে ছয় আসামি গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন- এএসআই আমির হোসেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ। ভোরের আকাশ/মো.আ.
জাপানের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে আওমোরি, ইওয়াতে ও হোক্কাইডোর উপকূলীয় এলাকায় এই সুনামি আঘাত হেনেছে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় মিসাওয়া শহর থেকে ৭৩ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর-পূর্ব দিকে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।জাপানি সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, বহু এলাকায় সুনামি ঢেউয়ের উচ্চতা ৩ মিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব অঞ্চলের বাসিন্দাদের দ্রুত উঁচু স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, আওমোরির হাচিনোহে শহরে জাপানি ভূমিকম্পমাত্রা স্কেলে আপার-৬ তীব্রতা রেকর্ড করা হয়েছে।জেএমএ-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল প্রায় ৫০ কিলোমিটার গভীরে এবং এর মাত্রা ছিল আনুমানিক ৭.৬।ভোরের আকাশ/এসএইচ