আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২:৫০ এএম
সংগৃহীত ছবি
ইসরায়েলের সঙ্গে মধ্য-জুনে শুরু হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধে পাল্টা হামলায় মোসাদের এক স্থাপনায় ৩৬ জন নিহত হয়েছিল বলে জানিয়েছে ইরান। রোববার (৭ ডিসেম্বর) এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য তুলে ধরেন ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি-মোহাম্মদ নায়িনি।
নায়িনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পরপরই ইসরায়েল তেহরানের একটি জ্বালানি ডিপোতে হামলা চালায়। এর পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় এবং দুই ধাপে হাইফার তেল শোধনাগারে হামলা করে। তার ভাষায়, এটি ছিল "ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের মাস্টারপিস", যার ফলে শোধনাগার কার্যত অচল হয়ে যায়।
পরে ইসরায়েল ইরানের একটি গোয়েন্দা কেন্দ্র টার্গেট করলে, ইরান মোসাদের একটি স্থাপনায় প্রতিহামলা চালায়। সেই হামলাতেই ৩৬ জন নিহত হয় বলে দাবি আইআরজিসির।
আইআরজিসির মুখপাত্র বলেন, পুরো যুদ্ধজুড়ে ‘ট্রু প্রমিজ ৩’ নামে একটি বহুমাত্রিক অপারেশন সক্রিয় ছিল, যেখানে সাইবার আক্রমণ, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়। তিনি দাবি করেন, ইরান শুরু থেকেই গোয়েন্দা তথ্য ও সামরিক প্রস্তুতিতে সম্পূর্ণ সক্ষম ছিল।
নায়িনি আরও জানান, ইসরায়েলের সামরিক ও গোয়েন্দা স্থাপনাগুলো তাদের চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এমনকি একটি ৩২ তলা ভবনের নিচের তলাকে লক্ষ্য করে তারা হামলা চালায়, যা দখলকৃত ফিলিস্তিনের একটি স্টক এক্সচেঞ্জ ডেটা সেন্টার ছিল।
তার দাবি, ইসরায়েল মার্কিন সহায়তা ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাহায্য নিয়েও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র পুরোপুরি প্রতিহত করতে পারেনি।
ভোরের আকাশ/তা.কা