ভারতে শিগগিরই চালু হচ্ছে স্টারলিংক
ভারতে আগামী দুই মাসের মধ্যেই চালু হতে যাচ্ছে এলন মাস্কের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক। সম্প্রতি সরকারি লাইসেন্স পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি দেশটিতে তাদের কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে।
স্টারলিংক ইতোমধ্যেই ভারতের বাজারের জন্য তাদের মূল্য কাঠামো নির্ধারণ করেছে। সেবাটি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় স্যাটেলাইট ডিশের দাম রাখা হয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৭ হাজার টাকা।
এছাড়া আনলিমিটেড ডেটা সুবিধাসহ মাসিক সাবস্ক্রিপশন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে তিন হাজার রুপি, বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ৪,২৮০ টাকা।
গ্রাহক আকৃষ্ট করতে, উদ্বোধনী কৌশলের অংশ হিসেবে প্রতিটি ডিভাইসের সঙ্গে এক মাসের ফ্রি ট্রায়াল অফার করছে স্টারলিংক। এতে গ্রাহকরা কোনো সাবস্ক্রিপশন ফি ছাড়া প্রথম মাসে ইন্টারনেট সেবাটি ব্যবহার করে দেখার সুযোগ পাবেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্টারলিংকের এই সেবা ভারতের দুর্গম, প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকাগুলিতে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ঐতিহ্যগত ব্রডব্যান্ড অবকাঠামো যেখানে পৌঁছাতে ব্যর্থ, সেখানে স্টারলিংকের পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইটগুলো থেকে সরাসরি ইন্টারনেট পৌঁছে যাবে।
ভারতে নির্ধারিত এই মূল্য কাঠামো পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশ ও ভুটানের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে একই দামে স্টারলিংক ডিভাইস বিক্রি হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, স্টারলিংকের আগমন ভারতীয় টেলিকম খাতে প্রতিযোগিতা বাড়াবে এবং গ্রামীণ অঞ্চল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দূরবর্তী এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করবে।
দেশটি যখন ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি এবং উন্নত ইন্টারনেট অবকাঠামো গঠনে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, ঠিক তখনই স্টারলিংকের আগমন এই প্রচেষ্টাকে আরও এগিয়ে নিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র: এনডিটিভি
ভোরের আকাশ।।হ.র
সংশ্লিষ্ট
সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রেখে আন্দোলনে নেমেছেন ব্যবসায়ীরা। রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল থেকে কর্মসূচিটি শুরু হয়। ঢাকায় অধিকাংশ মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ থাকতে দেখা গেছে।আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হতে যাওয়া ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) সংস্কার, সিন্ডিকেট প্রথা বিলোপ এবং মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ উন্মুক্তকরণসহ কয়েকটি দাবি তুলে ধরে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।একই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, দাবি না মানা হলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কার্যালয় ঘেরাও করা হবে।শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি (এমবিসিবি) এ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবু সায়ীদ পিয়াস বলেন, রোববার সকাল থেকেই সারাদেশে দোকান বন্ধ রাখা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বিটিআরসির সামনে জড়ো হচ্ছেন এবং সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এনইআইআর বাস্তবায়িত হলে লাখো ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাদের দাবি, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে কেবল একটি বিশেষ গোষ্ঠী সুবিধা পাবে এবং করের বোঝা বাড়ায় গ্রাহক পর্যায়েও মোবাইল ফোনের দাম বৃদ্ধি পাবে।ব্যবসায়ীরা বলেন, দেশের মোবাইল ফোন ব্যবসার ৭০ শতাংশের বেশি মার্কেট শেয়ার যাদের হাতে, তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেই এনইআইআর চালু করা উচিত। তারা এনইআইআরের বিরোধী নন—তবে কিছু সংস্কার, ন্যায্য করনীতি, সিন্ডিকেট বিলোপ এবং মুক্ত প্রতিযোগিতার স্বার্থে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি রয়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাদের মতামত না শুনেই একতরফাভাবে এনইআইআর চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে।তাদের অভিযোগ, কোনো পরামর্শ ছাড়া হঠাৎ এনইআইআর বাস্তবায়নের ঘোষণা বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে। এর ফলে প্রায় ২৫ হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং ২০ লাখেরও বেশি মানুষের জীবিকা হুমকিতে পড়েছে। বৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে ব্যাংক থেকে শত শত কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন তারা—এবং বর্তমানে তাদের স্টকে কোটি কোটি টাকার হ্যান্ডসেট রয়েছে। ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে এত বিপুল সংখ্যক অবিক্রিত হ্যান্ডসেট বিক্রি করা সম্ভব নয়। দাবি না মেনে কিছু ব্যবসায়ীকে একচেটিয়া সুযোগ দেওয়া হলে তারা পথে বসবেন বলেও দাবি করেন।এমবিসিবির নেতারা জানান, এনইআইআরের বর্তমান কাঠামো অপরিবর্তিত থাকলে শুল্ক ৫৭ শতাংশ হোক কিংবা শূন্য শতাংশ—কোনোভাবেই বৈধ উপায়ে মোবাইল ফোন আমদানি সম্ভব হবে না। কারণ বিটিআরসির নীতিমালায় বলা আছে, কোনো বিদেশি ব্র্যান্ড যদি স্থানীয়ভাবে পণ্য সংযোজন করে, তবে সেই ব্র্যান্ডের কোনো মডেল অন্য প্রতিষ্ঠান আমদানি করতে পারবে না।ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এই নীতিমালা বাজারে মনোপলি ব্যবসার পথ খুলে দিচ্ছে। এতে প্রতিযোগিতা কমে যাবে এবং প্রায় ১৮ কোটি মানুষের মোবাইল ফোন বাজারের নিয়ন্ত্রণ গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে যাবে। একই সঙ্গে স্মার্টফোনের দাম বেড়ে গিয়ে সাধারণ গ্রাহক ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।ভোরের আকাশ/মো.আ.
লুকিয়ে জিমেইলের পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিচ্ছে হ্যাকাররা। ইতোমধ্যে ১৮০ কোটি জিমেইল ইউজারকে সতর্ক করেছে গুগল। সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গুগল জেমিনি ব্যবহার করেই এমন কাজ করছে হ্যাকাররা।সাইবার সুরক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, জেমিনিকে বোকা বানিয়েই বার্তা পাঠাচ্ছে হ্যাকাররা। ফলে গুগলের নিজস্ব চ্যাটবটটি কোনও সতর্কতা জারি করতে পারছে না। আর ইউজাররাও ব্যক্তিগত তথ্য যেমন দিয়ে দিচ্ছেন, তেমনই ক্ষতিকর ওয়েবসাইটে ঢুকেও পড়ছেন।মেইলগুলো বেশিরভাগই জরুরি অথবা বাণিজ্য সংক্রান্ত বলে দাবি করে হ্যাকাররা। ফন্ট সাইজ শূন্য করে দিয়ে টেক্সটের রং সাদা করে ‘অদৃশ্য’ প্রম্পট পাঠাচ্ছে তারা।এদিকে ইউজাররা জেমিনিকে ‘সামারাইজ দিজ ইমেইল’ প্রম্পট দিলে তখন গোপন বার্তাও পড়ে ফেলত জেমিনি। সেই বার্তায় ‘গুগল সাপোর্ট’-এর ভুয়া ফোন নম্বরও দেওয়া থাকছে। ফলে একবার কেউ না বুঝে হ্যাকারের ফাঁদে পা দিলেই বিপদ।কীভাবে বাঁচবেন* এআই সামারিতে ‘আর্জেন্ট সিকিউরিটি ওয়ার্নিংস’ এলে সেটা চোখ বুজে বিশ্বাস করবেন না।* গুগল কখনও জেমিনির সামারিতে আপনাকে পাসওয়ার্ড বদলাতেও বলবে না।* কোনও সামারিতে যাই বলা হোক, সন্দেহ হলে নিজেই মেইলটি পুরোটা পড়ে দেখুন।* কোনও সাপোর্ট নম্বরে ফোন করতে বললে আগে সন্দিহান হোন। ভালো করে সব দিক খতিয়ে দেখুন। মনে রাখবেন, জিমেইলের জন্য গুগলের কিন্তু সরাসরি ফোন করার নম্বর দেওয়া থাকে না।ভোরের আকাশ/তা.কা
২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় পবিপ্রবি ক্যাম্পাসে সিসমোগ্রাফি যন্ত্র বসানো হয়। ২০১১ সালের শুরুতেই এটি বিকল হয়ে পড়ে। ফের চালু করার কয়েক মাসের মধ্যেই তা অচল হয়ে যায়।দক্ষিণাঞ্চলে ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণের একমাত্র স্থায়ী যন্ত্র পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) স্থাপিত সিসমোগ্রাফটি দেড় যুগ ধরে পড়ে আছে। প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ যন্ত্রটি সচল না থাকায় ২১ তারিখ ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পসহ সাম্প্রতিক কয়েকটি কম্পনের আনুষ্ঠানিক তথ্য সংগ্রহ সম্ভব হয়নি। এতে ভূমিকম্পপ্রবণ এ অঞ্চলের সাড়ে চার কোটি মানুষ বাস্তব ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র বলছে, ২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সহযোগিতায় দেশের পাঁচটি এবং দুটি জেলা শহরে আধুনিক সিসমোগ্রাফি যন্ত্র বসানো হয়। সেই প্রকল্পের অংশ হিসেবেই পবিপ্রবি ক্যাম্পাসে যন্ত্রটি স্থাপন করা হয়। শুরুতে মাত্র দুটি ভূমিকম্পের রেকর্ড পেলেও ২০১১ সালের শুরুতেই এটি বিকল হয়ে পড়ে। একই বছরের মধ্যভাগে আন্ডারগ্রাউন্ড চেম্বারে নতুন করে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করে যন্ত্রটিকে ফের চালু করা হলেও, কয়েক মাসের মধ্যেই ফের তা অচল হয়ে যায়।ভূমিকম্প-বিজ্ঞানীরা জানান, ভূকম্পনের সময় প্রাইমারি, সেকেন্ডারি, সারফেস ও রেলি-এ চার ধরনের কম্পন তরঙ্গ ছড়ায়। প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি তরঙ্গ আগে পৌঁছায় এবং সারফেস ও রেলি ওয়েভ আসতে এক থেকে দুই মিনিট সময় লাগে। একটি কার্যকর সিসমোগ্রাফ থাকলে এ সময় ব্যবধান কাজে লাগিয়ে আগাম সতর্কতা দেওয়া সম্ভব, যা জানমালের ক্ষতি ব্যাপকভাবে কমাতে পারে।এ ছাড়া মাটির নিচে স্থাপিত প্লেটের মাধ্যমে ভূমির উচ্চতা পরিবর্তন-উঁচুতে উঠছে নাকি নিচে নামছে-তা নিরীক্ষণ করা হয়, যা সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যন্ত্রটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা পবিপ্রবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মুনীবুর রহমান বর্তমানে শিক্ষা ছুটিতে জার্মানিতে অবস্থান করছেন।অধ্যাপক ড. এসএম তাওহীদুল ইসলাম বলেন, এটি বহু পুরোনো একটি অ্যানালগ সিস্টেম। এখন বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে ডিজিটাল সিসমোগ্রাফ ব্যবহৃত হচ্ছে। যেহেতু এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত একটি প্রকল্পের অংশ, তাই যন্ত্রটির ভবিষ্যৎ ও সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে তারাই স্পষ্ট করে বলতে পারবেন।গতকাল সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। এর উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর মাধবদী। ভূমিকম্পে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীতে শিশুসহ ১০ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন কয়েক শতাধিক।দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র ভূকম্পন মাপার যন্ত্র অচল থাকায় বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। এ অবস্থায় দ্রুত নতুন প্রযুক্তিনির্ভর সিসমোগ্রাফ স্থাপন ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে স্থানীয় গবেষক ও সচেতন মহলের পক্ষ থেকে।ভোরের আকাশ/মো.আ.
আজ আকাশে দেখা যাবে বছরের অন্যতম আকর্ষণীয় পূর্ণচন্দ্র— ‘বিভার মুন’ বা ‘বিভার সুপারমুন’ অর্থাৎ সবচেয়ে বড় ও উজ্জ্বল চাঁদ।যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৯ মিনিটে পূর্ণতা পাবে এ চাঁদ।নভেম্বরের পূর্ণিমা ‘বিভার মুন’ নামে পরিচিত। নাসা জানায়, এটি ২০২৫ সালের দ্বিতীয় সুপারমুন, এর আগে অক্টোবর মাসে দেখা গিয়েছিল ‘হারভেস্ট সুপারমুন’।সুপারমুন হিসেবে আজকের চাঁদ সাধারণের চেয়ে বড় ও উজ্জ্বল দেখা যাবে। কারণ, এটি পৃথিবীর তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থাকবে— প্রায় ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৯৮০ কিলোমিটার দূরত্বে।আজ চাঁদ বিকেল ৫টা ৩১ মিনিটে উঠবে, ঠিক সূর্যাস্তের পরই পূর্ব আকাশে এর সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে। নাসার পরামর্শ অনুযায়ী, দূরবীন বা টেলিস্কোপ ব্যবহার করলে আরও পরিষ্কারভাবে দেখা যাবে।আজকের পূর্ণচন্দ্রের সঙ্গে আকাশে আরও কয়েকটি নাক্ষত্রিক সৌন্দর্যও দেখা যাবে— যেমন প্লাইয়েডস এবং হাইডস নক্ষত্র ক্লাস্টার, ওরিয়ন নক্ষত্রপুঞ্জ এবং বৃহস্পতি গ্রহ (জুপিটার)।‘বিভার মুন’ নামটির উৎপত্তি নেটিভ আমেরিকান ও ইউরোপীয় ঐতিহ্য থেকে। নভেম্বর মাসে বীবররা শীতের প্রস্তুতিতে বাঁধ মজবুত করত ও খাবার মজুত করত। তাই এই সময়ের পূর্ণিমা তাদের নামে পরিচিত হয়। কিছু সংস্কৃতিতে এটি ‘ফ্রস্ট মুন’, ‘ফ্রিজিং মুন’, বা ‘ট্রেডিং মুন’ নামেও পরিচিত।আজ সন্ধ্যায় যদি আকাশ মেঘমুক্ত থাকে, তবে বাংলাদেশের যেকোনো স্থান থেকেই দেখা যাবে এই উজ্জ্বল ও পূর্ণ সৌন্দর্যের বিভার সুপারমুন।ভোরের আকাশ/মো.আ.