ফুলছড়িতে প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, ১৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট!
বাথরুমের ভেন্টিলেটর কেটে বসতঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণ, নগদ টাকাসহ প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল। এসময় ডাকাতদল বাড়ির নারী-পুরুষ সবাইকে একরুমে আটকে রেখে সটকে পড়েন। দীর্ঘক্ষণ পর দরজার হুক ভেঙ্গে পরিবারের সবাই বাহিরে আসেন। তৎক্ষনে ডাকাত দল তাড়াহুড়া করে চলে যাওয়ায় রেখে গেছেন ছিনিয়ে নেয়া ২/৩ টি মোবাইল ফোন।৯ জানুয়ারী (শুক্রবার) ভোররাতে এমনতর ঘটনাটি ঘটেছে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড ফুলছড়ি দরগাপাড়া গ্রামের মৃত নুর সোলতানের পুত্র লন্ডন প্রবাসী নুরুল আজিমের বাড়িতে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ প্রক্রিয়াধিন বলে জানা গেছে। অভিযোগে জানা গেছে, শুক্রবার ভোর রাত সাড়ে ৩ টার দিকে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল বর্নিত এলাকার নুর সোলতানের বাড়িতে হানা দেয়। ৫/৬ জনের ডাকাতদল প্রথমে তারা বাথরুমের ভেন্টিলেটর কেটে ভিতরে প্রবেশ করে সদর দরজা খুলে দেয়। এসময় বাড়িতে নুর সোলতানের স্ত্রীসহ ৫ জন নারী ও ২ পুত্র ছিল। ডাকাতদল অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে এক রুমে আটকে রেখে। একপর্যায়ে সব আলমিরা খুলে ২০ হাজার টাকা, ৮ ভরি স্বর্ণসহ প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে পালিয়ে যায়। এসময় তারা বাড়ির সকলের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিলেও চলে যাওয়ায় সময় রেখে গেছে। নুর সোলতান পুত্র আবদু শুক্কুর জানায়, তিনি কক্সবাজার শহরে থাকেন। গত রাতে বাড়িতে আসেন। কিছু বুঝে উঠার আগেই ডাকাতদল তার রুমে ডুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সবাইকে একটি কক্ষে আটকে রাখে। পরে সকল রুমে তল্লাশি চালিয়ে নগদ টাকা, স্বর্ণসহ প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে তবে, রেখে গেছে ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত লোহার হন্দা ও ছিনিয়ে নেয়া মোবাইল ফোন। স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল আজিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলেছি। এটি সম্পুর্ণ পরিকল্পিত ডাকাতি।ভোরের আকাশ/মো.আ.
১০ জানুয়ারী ২০২৬ ০১:৫০ এএম
সেন্টমার্টিনে জেলের জালে উঠলো ৬৮৭টি লাল কোরাল, ১০ লাখে বিক্রি
সেন্টমার্টিন দ্বীপসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বিপুল পরিমাণ লাল কোরাল মাছ। ৬৮৭টি লাল কোরাল মাছ বিক্রি হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকা দামে, যা পেয়ে খুশিতে আত্মহারা ট্রলার মালিক ও জেলে পরিবারগুলো।বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ট্রলার মালিক মোহাম্মদ জাকারিয়া (৪১)। জানা গেছে, গত মঙ্গলবার শাহপরীর দ্বীপের মিস্ত্রিপাড়া ফিশারিজ ঘাট থেকে মোহাম্মদ জাকারিয়ার মালিকানাধীন একটি মাছ ধরার ট্রলার বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশে যাত্রা করে। ট্রলার মাঝি আবুল কালামের নেতৃত্বে ট্রলারে ছিলেন মোট ৯ জন মাঝিমাল্লা। ওইদিন সন্ধ্যায় সেন্টমার্টিন দ্বীপের উত্তর পাশের গভীর সাগর এলাকায় ট্রলারটি নোঙর করে জেলেরা জাল ফেলেন। পরদিন বুধবার সকালে জালে ধরা পড়ে এসব লাল কোরাল মাছ। পরে বিকেলে ট্রলারভর্তি মাছ নিয়ে জেলেরা শাহপরীর দ্বীপের মিস্ত্রিপাড়া ফিশারিজ ঘাটে ফিরে আসেন।ট্রলার মালিক মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, “মোট ৬৮৭টি লাল কোরাল মাছ ধরা পড়েছে। এর মধ্যে ১০টি মাছ রেখে বাকি ৬৭৭টি মাছ বিক্রি করেছি। প্রতিটি মাছের ওজন আনুমানিক ১ থেকে ৩ কেজি। প্রতি মণ ২৩ হাজার টাকা দরে মোট ১০ লাখ টাকায় মাছগুলো বিক্রি হয়।” স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী রহিম উল্লাহ বলেন, “আমি ১০ লাখ টাকায় মাছগুলো কিনেছি। এগুলো কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করা হবে।” স্থানীয় ট্রলার মালিক শহীদ উল্লাহ জানান,“কয়েকদিন ধরে সাগরে তেমন মাছ পাওয়া যাচ্ছিল না। বুধবার থেকে হঠাৎ করে ভালো মাছ ধরা পড়ছে, যা জেলেদের জন্য আশার খবর।”এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা উম্মুল ফারা বেগম তাজকিরা বলেন, “কোরাল মাছ সাধারণত বঙ্গোপসাগরের গভীর জলের মাছ। এই মাছের ওজন ১ থেকে ৯ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। এটি উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের মাছ এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় বেশি দেখা যায়। এ ছাড়া এশিয়ার উত্তরাঞ্চল, কুইন্সল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চল এবং পূর্ব আফ্রিকার পশ্চিমাঞ্চলেও এই প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়।” বিপুল পরিমাণ লাল কোরাল মাছ ধরা পড়ায় জেলেপল্লিতে আনন্দের আবহ বিরাজ করছে।ভোরের আকাশ/র.ই
০৯ জানুয়ারী ২০২৬ ০৮:৪৫ এএম
টেকনাফে পাহাড় থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কম্বনিয়া পাহাড় এলাকা থেকে জাহেদ হোসাইন নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে পাহাড়ি এলাকা থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত জাহেদ হোসাইনের স্বজনদের অভিযোগ, মঙ্গলবার একই এলাকার আলম, গুরামিয়া ও হোসেন নামের কয়েকজন কৌশলে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পাহাড়ের দিকে চলে যায়। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও জাহেদের সন্ধান না মেলায় স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে বুধবার সকালে স্থানীয়রা কম্বনিয়া পাহাড় এলাকায় একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে টেকনাফ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জাহেদ হোসাইনের লাশ উদ্ধার করে। পরে মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয়দের ভিড় জমে যায় এবং এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।নিহতের স্বজনরা জানান, জাহেদ হোসাইনের সঙ্গে আলম ও গুরামিয়াদের দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে একাধিকবার কথা-কাটাকাটি ও হুমকির ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করেন তারা। স্বজনদের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে জাহেদকে পাহাড়ে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত জাহেদ হোসাইন হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বাসিন্দা রমজান আলির ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন এবং সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন বলে জানান পরিবার সদস্যরা। তার মৃত্যুর খবরে পরিবারে শোকের মাতম চলছে।টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে এটি জমি বিরোধজনিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও অন্যান্য জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলমান রয়েছে। তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ নজরদারি বাড়িয়েছে বলে জানা গেছে।ভোরের আকাশ/র.ই
০৯ জানুয়ারী ২০২৬ ০৫:৪৬ এএম
কক্সবাজার যাচ্ছেন তারেক রহমান
২০২৪ সালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করতে আগামী ১৮ জানুয়ারি কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টা ১৫ মিনিটের দিকে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক আকতার উদ্দিন চৌধুরী।তিনি বলেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ১৮ তারিখে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কক্সবাজার আসবেন এবং পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করবেন। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বিকেল ৩টার দিকে চট্টগ্রামের মুরাদপুর এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের ত্রিমুখী সংঘর্ষে শহীদ হন চট্টগ্রাম কলেজে স্নাতক তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত ওয়াসিম আকরাম। তিনি নগরীর চকবাজার এলাকায় একটি মেসে থাকতেন, ওয়াসিম চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।ভোরের আকাশ/এসএইচ
০৬ জানুয়ারী ২০২৬ ০৮:০৪ পিএম
রামুতে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান, বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ
কক্সবাজারে রামুর গহীন পাহাড়ে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান এবং বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে অভিযানে কাউকে আটক করা যায়নি।সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে রামু উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নের আবু আহম্মদঘোনা ফাতেমাছড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়াতিনি জানান , আজ সকালে রামুর ঈদগড়ের গহীন পাহাড়ি এলাকায় সংঘবদ্ধ চক্রের কতিপয় লোকজন অবৈধ কারখানা স্থাপন করে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির খবর পায় পুলিশ। পরে পুলিশের একটি দল সেখানে বিশেষ অভিযান চালায়। একপর্যায়ে পুলিশ গহীন পাহাড়ের আবু আহম্মদঘোনা ফাতেমাছড়া এলাকায় গড়ে তোলা সন্দেহজনক একটি ঝুপড়ি ঘর ঘিরে ফেলে। এসময় উপস্থিতি টের পেয়ে ৩/৪ জন সন্দেহজনক লোক কৌশলে পালিয়ে যায়।পরে তল্লাশি চালিয়ে ২ টি রাইফেলের গুলি, ৪ টি গুলির খোসা, ২টি বন্দুকের বাট, ৩টি বন্দুকের ট্রিগার বক্স, ৬টি বন্দুকের নল, ২টি বন্দুক তৈরির যোগান, ১টি হাওয়ার মেশিন, ২টি বাটাল, ৫টি আড়িব্লেড, ১টি আড়িব্লেডের ফ্রেম, ১টি করাত, ১টি হাতুড়ি, ১টি প্লাস, ৭টি ছোট-বড় রেথ, ১টি শান দেয়ার মেশিন এবং ১টি বানান নালীসহ বেশকিছু অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।’ওসি মনিরুল আরও জানান, অভিযানে পলাতকদের পাশাপাশি সন্ধান পাওয়া অস্ত্রের কারখানার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় রামু থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।ভোরের আকাশ/তা.কা
০৬ জানুয়ারী ২০২৬ ০৪:৩৪ এএম
রামুর ঈদগড়ে অস্ত্র কারখানার সন্ধান, বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার
কক্সবাজারের রামু উপজেলার ঈদগড়ে গোপন একটি অস্ত্র কারখানার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। অভিযানে দেশীয় অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোর রাতে ঈদগড় ইউনিয়নের পানিশ্যাঘোনা পাহাড়ের দুর্গম এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঈদগড় পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে বিশেষ দল এ অভিযান চালায়।পুলিশ জানায়, অভিযানে দেশীয় অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, লোহাজাত সামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ জব্দ করা হয়েছে। তবে অভিযানের আগেই অস্ত্র কারখানার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে যায়।ঈদগড় পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই খোরশেদ আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানা।উদ্ধারকৃত সরঞ্জামগুলো পরীক্ষা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।ভোরের আকাশ/মো.আ.
০৬ জানুয়ারী ২০২৬ ০২:০১ এএম
টেকনাফে মানব পাচার চক্রের হাত থেকে ৩ জন উদ্ধার
টেকনাফের কচ্ছপিয়া এলাকায় সাগর পথে পাচারের সময় মানব পাচার চক্রের হাত থেকে তিনজন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোররাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়—একটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় মানব পাচারের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ তথ্যের প্রেক্ষিতে আজ ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে কক্সবাজার–টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন কচ্ছপিয়া এলাকার ঝোপঝাড়ে কৌশলগত অবস্থান নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে বিজিবির একাধিক চৌকস দল।অভিযানকালে দেখা যায়, পাচারকারীরা ভুক্তভোগীদের ভূট্টাখেত ও পানের বরজের মাঝামাঝি স্থানে জিম্মি করে রেখে ট্রলারে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা রাতের অন্ধকারের সুযোগে জিম্মিদের প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে পার্শ্ববর্তী পাহাড়ের গভীরে পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তিনজন পুরুষ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়।উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগীরা জানান, উন্নত ভবিষ্যৎ, ভালো চাকরি ও উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে পাচারকারী চক্রটি তাদেরকে সাগর পথে বিদেশে পাচারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বিজিবির অভিযানে তাদের সেই বিপজ্জনক ও অনিশ্চিত সমুদ্রযাত্রা ভেস্তে যায়।টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, বিজিবিএম, পিএসসি বলেন, “এই অভিযান মাদক ও মানব পাচারের বিরুদ্ধে বিজিবির জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তব প্রতিফলন। টেকনাফ সীমান্তের পাহাড় থেকে সমুদ্র—অপরাধীদের জন্য কোথাও নিরাপদ আশ্রয় নেই। মানব পাচারের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগীদের প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে। পাচারকারী চক্রের পলাতক সদস্যদের গ্রেপ্তারে এলাকায় অভিযান ও নজরদারি জোরদার রয়েছে।ভোরের আকাশ/মো.আ.
০৬ জানুয়ারী ২০২৬ ১২:৫৫ এএম
ঈদগাঁওয়ে কৃষি জমির টপ সয়েল কাটা বন্ধে আইনি নোটিশ
কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে ফসলী জমির মাটি লুটের মাধ্যমে পরিবেশবিনাশী কার্যক্রম বন্ধে জেলা প্রশাসকসহ ৫ জনকে আইনী নোটিশ পাঠিয়েছেন তরুণ আইনজীবী এড. জুলকর জিল্লু। নোটিশে তিনি উল্লেখ করেন, আমি একজন সচেতন নাগরিক ও ক্ষতিগ্রস্থ ভূমির মালিক হিসেবে আপনার সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নিম্নোক্ত নোটিশ প্রদান করছি। তিনি উল্লেখ করেন গত ১৭/১২/২০২৫ ইং বিভিন্ন গণ মাধ্যমে প্রচারিত "ঈদগাঁওয়ে রাত নামলেই শুরু হয় ফসলি জমির মাটি লুট" শিরোনামে খবরে অনুরোদ্ধ হয়ে জনস্বার্থে আপনি নোটিশ গ্রহীতার প্রশাসনিক ঈদগাঁও উপজেলার ঈদগাঁও মৌজার অন্তর্ভুক্ত ঈদগাঁও ইউনিয়নের মাইজপাড়ার ঝাইক্কাবিল ও জালালাবাদ ইউনিয়নের ধমকা বিল, পূর্ব ফরাজিপাড়া, পশ্চিম পালাকাটা, দক্ষিণ লরাবাক, উত্তর মোহনবিলা, বোয়ালখালী বিল'সহ বিভিন্ন গ্রামের ফসলি জমি থেকে গত কয়েক সপ্তাহ যাবৎ একদল অসাধু প্রভাবশালী ব্যক্তি ভূমিদস্যু আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে ভেকু (Excavator) মেশিনের সাহায্যে কৃষি জমির উপরিভাগের পৃষ্ঠমাটি (টপ সয়েল) অবৈধভাবে খুঁড়ে ট্রাক যোগে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে জমির উর্বরতা শক্তি সম্পূর্ন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যা দীর্ঘমেয়াদি মারাত্মক ও বিরূপ প্রভাব তরান্বিত করার পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এছাড়া গভীর গর্ত করার ফলে পাশের আবাদি জমিগুলো ধসে পড়া'সহ চলতি শুষ্ক মৌসুমে চাষাবাদ ব্যাহত হওয়া এবং খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। মাটির উপরিভাগের এই ৬-১০ ইঞ্চি স্তরেই প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ থাকে। তাই মাটি কেটে ফেলায় জমিগুলো স্থায়ীভাবে অনুর্বর হয়ে পড়ছে। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন অবগত থাকা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং অর্পিত দায়িত্ব পালনে অববেলার সামিল।আশঙ্কাজনকভাবে চলমান এই কর্মকান্ড বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন উল্লেখ করে তিনি দাবী করেন, বালু ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪ ও ৫ ধারা অনুযায়ী কৃষিজমি থেকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মাটিকাটা নিষিদ্ধ এবং ধারা ১৫ অনুযায়ী এই অপরাধের জন্য ২ বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রন) আইন ২০১৩ এর ধারা ৫ অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের অনুমতি ব্যতিত কোন কৃষি জমির মাটি ইট ভাটায় ব্যবহার বা পরিবহণ করা দণ্ডনীয় অপরাধ।কৃষি জমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবহার আইন ( প্রচলিত নীতিমালা) অনুযায়ী কৃষি জমির প্রকৃতি পরিবর্তন করা বা উর্বর মাটি অন্য কাজে ব্যবহার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। কৃষি বিজ্ঞানী ও।গবেষকদের মতে, মাটির উপরিভাগের ৬-১০ ইঞ্চি কাটলে সেই জমির উর্বরতা ফিরে পেতে অন্তত ১০-১৫ বছর সময় লাগে যা রাষ্ট্রীয় খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী মাটি কাটার ফলে যদি পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয় বা প্রতিবেশ ব্যবস্থায় ক্ষতি হয় তবে পরিবেশ অধিদপ্তর ওই ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ করতে পারে। নোটিশ গ্রহীতাদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আইনী নোটিশ প্রাপ্তির ৭২ ঘন্টার মধ্যে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক ভ্রাম্যমান আদালত (Mobile Court) পরিচালনার মাধ্যমে উক্ত অবৈধ মাটিকাটা বন্ধ, মাটিকাটায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি জব্দ, ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং অবৈধ মাটিকাটার সাথে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থাগ্রহণ করবেন।অন্যথায় উপরোক্ত আইন সমূহ লঙ্ঘন করা সত্বেও কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে এটি The Constitution of Bangladesh এর Artical ৩১ (আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার) এবং Artical ৩২ (জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার) এর পরিপন্থী হিসেবে গণ্য হবে। এবং জনস্বার্থে ও ব্যক্তিগত সম্পত্তির অধিকার রক্ষার্থে বাংলাদেশ সংবিধানের ধারা ১০২ অনুযায়ী মহামান্য হাইকোর্টে "writ of Mandamus" দায়ের করতে বাধ্য হব। যার যাবতীয় আইনগত ফলাফল ও খরচ আপনার উপর বর্তাবে।আইনী নোটিশটির অনুলিপি ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপ-পরিচালক পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ঈদগাঁও থানা, চেয়ারম্যান জালালাবাদ এবং চেয়ারম্যান ঈদগাঁও ইউনিয়ন বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।ভোরের আকাশ/মো.আ.
০৫ জানুয়ারী ২০২৬ ১১:৪২ পিএম
চকরিয়ায় মাংস বিক্রিতে কারচুপি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার জিদ্দাবাজারে গরুর মাংস বিক্রিতে ওজন ও দামে কারচুপির অভিযোগে এক মাংস ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও বাজারে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে পরিচালিত অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে বিষয়টি তদারকি করেন। অভিযানে দেখা যায়, গরুর প্রকৃত ওজনের সঙ্গে বিক্রিত মাংসের ওজনের গরমিল রয়েছে এবং নির্ধারিত বাজারমূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে একজন শ্রমিকের কাছে গরুর মাংস বিক্রি করা হচ্ছিল।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাই শেষে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০১০ অনুযায়ী মো. আব্দু শুক্কুর নামের ওই মাংস ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম না করার জন্য তাকে সতর্ক করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানানো হয়েছে, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা, ওজন ও পরিমাপে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের প্রতারণা থেকে রক্ষা করতেই এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ কার্যক্রম নিয়মিত ও আকস্মিকভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়। স্থানীয় ভোক্তারা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নিয়মিত বাজার তদারকি জোরদার হলে ভোক্তা হয়রানি কমবে এবং বাজারে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।ভোরের আকাশ/র.ই
০৫ জানুয়ারী ২০২৬ ০৭:৫৩ এএম
বিএনপির প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে কাফনের কাপড়সহ হুমকির চিঠি
কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে কাফনের কাপড়সহ একটি হুমকির চিঠি পাঠানো হয়েছে। ডাকযোগে পাঠানো ওই চিঠিতে নির্বাচন থেকে সরে না দাঁড়ালে হত্যা করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে ডাক বিভাগের এক পিয়ন কক্সবাজার শহরের বাসভবনে চিঠিটি পৌঁছে দেন বলে জানান শাহজাহান চৌধুরী।তিনি বলেন, চিঠিটি খুলে দেখতে পান তাতে তাকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে বলা হয়েছে। অন্যথায় ইনকিলাব মঞ্চের প্রয়াত মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির মতো পরিণতি হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। চিঠির সঙ্গে একটি ছোট কাপড়ের টুকরো সংযুক্ত ছিল, যা কাফনের কাপড় বলে ধারণা করা হচ্ছে। চিঠিতে প্রেরক হিসেবে ‘মুমিনুল আলম’ নামের এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাকে ‘ব্যাটালিয়ন-৭১ কক্সবাজার’ নামের কথিত একটি সংগঠনের আঞ্চলিক কো-অর্ডিনেটর হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে লেখা হয় “জনাব, আসসালামু আলাইকুম। আশা করি নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত আছেন। আপনার নিকট অনুরোধ রইল, আপনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন। অন্যথায় আপনার পরিণতি শরীফ ওসমান হাদির মতো হবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। আপনি বর্তমানে ২৪ ঘণ্টা আমাদের কিলিং স্কোয়াডের নজরদারিতে আছেন। আপনার জন্য একটি কাফনের কাপড় উপহার হিসেবে পাঠালাম।” শাহজাহান চৌধুরী জানান, কক্সবাজার সদর ডাকঘর থেকে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি জানার পর তিনি তাৎক্ষণিক উখিয়া থানায় গিয়ে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।হুমকির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “চিঠির ভাষা অত্যন্ত উদ্বেগজনক, কুরুচিপূর্ণ এবং পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত বহন করে। এতে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা মারাত্মকভাবে আতঙ্কিত ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এই হুমকি আমার নির্বাচনী কার্যক্রমে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে আমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”এ বিষয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর আহমদ বলেন, বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীকে হুমকির ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি নথিভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।এদিকে বিষয়টি জানার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ফোন করে শাহজাহান চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলেছেন। শাহজাহান চৌধুরী জানান, তারেক রহমান তাকে সাহস হারাতে নিষেধ করেছেন এবং এ ধরনের হুমকিতে বিচলিত না হয়ে নির্বাচনী মাঠে পুরোদমে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।ভোরের আকাশ/র.ই
০৫ জানুয়ারী ২০২৬ ০৪:২৯ এএম
মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট ও ডিজেলসহ ১৮ পাচারকারী আটক
সেন্টমার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় কোস্ট গার্ডের পৃথক দুটি অভিযানে মায়ানমারে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট ও ডিজেলসহ মোট ১৮ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। রোববার (৪ জানুয়ারি ) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২ জানুয়ারি শুক্রবার রাত ১০টার দিকে কোস্ট গার্ড জাহাজ অপূর্ব বাংলা সেন্টমার্টিন থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে সন্দেহজনক একটি ফিশিং বোট তল্লাশি করে অবৈধভাবে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে বহনকৃত প্রায় ৩ লাখ টাকা মূল্যের ৬০০ বস্তা সিমেন্টসহ ১১ জন বাংলাদেশি পাচারকারীকে আটক করা হয়।অপরদিকে, পরদিন ৩ জানুয়ারী শনিবার মধ্যরাত আনুমানিক ২টার দিকে একই জাহাজ সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ-পশ্চিম সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় অবস্থানরত মায়ানমারের একটি ফিশিং বোটে অভিযান চালায়। এ সময় বোটটি থেকে অবৈধভাবে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে বহনকৃত প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ১ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেলসহ ৭ জন মায়ানমারের নাগরিককে আটক করা হয়।আটককৃত সকল ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি জব্দকৃত মালামাল ও পাচার কাজে ব্যবহৃত বোট দুটির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানান কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক আরও বলেন, পাচার ও চোরাচালান রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।ভোরের আকাশ/র.ই