আজীবন গণমানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাবেন বলে জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় উপনেতা জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে নিজের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।
জন্মদিনে হাজারো নেতাকর্মীর শুভেচ্ছা আর ভালোবাসায় সিক্ত গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, ‘বিশ্বের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির ঢেউ আমাদের দেশেও লেগেছে। দেশের মানুষ রাজনীতি ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন চায়। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে দেশের মানুষ চায় বিকল্প শক্তি।
‘মুক্তির জন্য দেশের মানুষ জাতীয় পার্টিকেই বিকল্প শক্তি মনে করে। দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণেই আমাদের রাজনীতি। দেশের মানুষ জাতীয় পার্টিকে বিশ্বাস করে। তাই জাতীয় পার্টির প্রতি দেশের মানুষ প্রত্যাশাও বেশি। দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে আজীবন সংগ্রাম করে যাবে।’
জন্মদিনে বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি এবং দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ফুলের শুভেচ্ছায় অভিভূত হন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান।
এদিন সকাল থেকেই জাতীয় পার্টি এবং দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে সমবেত হন। প্রতিটি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবেও অনেকে কেক, ফুল ও উপহার দেন জি এম কাদেরকে।
উৎসবমুখর নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি কারণে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ের তৃতীয় তলার হলরুম, দ্বিতীয় তলার কনফারেন্স রুম ও নিচ তলার বিভিন্ন কক্ষে ঘুরে ঘুরে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কেক কেটে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যনের জন্মদিনে কেক কেটে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, এডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. সাহিদুর রহমান টেপা, গোলাম কিবরিয়া টিপু, ফকরুল ইমাম এমপি, সুনীল শুভরায়, এসএম ফয়সল চিশতী, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, মো. শফিকুল ইসলাম সেন্টু, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, এডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, নাজমা আখতার এমপি, লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি, একেএম সেলিম ওসমান এমপি, এমরান হোসেন মিয়া, নাসির ইউ আহমেদ ও জহিরুল ইসলাম জহির।
আরো শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য শেরীফা কাদের এমপি, ড. নুরুল আজহার শামীম, মনিরুল ইসলাম মিলন, হারুন অর রশীদ, হেনা খান পন্নি, নাজনীন সুলতানা, ইঞ্জি. সিরাজুল হক, মমতাজ উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানা রানী, মোস্তফা আল মাহমুদ, সুলতান আহমেদ সেলিম, জাহাঙ্গীর আল পাঠান, এইচ এম শাহরিয়ার আসিফ, আমির উদ্দিন আহমেদ ডালু, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, ফখরুল আহসান শাহজাদা, ইকবাল হোসেন তাপস, আমির হোসেন ভূঁইয়া, মো. জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, মো. বেলাল হোসেন, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নাসির উদ্দিন সরকার, হেলাল উদ্দিন, মো. সাইফুল ইসলাম, হুমায়ুন খান, কাজী আবুল খায়ের, একেএম আশরাফুজ্জামান খান, জয়নাল আবেদীন, সুমন আশরাফ, সুলতান মাহমুদ, এমএ রাজ্জাক খান, মাসুদুর রহমান মাসুম, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক ভূঁইয়া, আহাদ ইউ চৌধুরী শাহীন, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান আকাশ, এসএম আল জুবায়ের, যুগ্ম সম্পাদক নুরুল হক নুরু, জাকির হোসেন মৃধা, মাহমুদ আলম, সমরেশন মণ্ডল মানিক, শাহজাহান কবির, শহিদুর রহমান সেন্টু ও মীর সামছুল আলম লিপটন।
অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে কেক কাটেন জাতীয় যুব সংহতি, জাতীয় মহিলা পার্টি, জাতীয় কৃষক পার্টি, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি, জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টি, জাতীয় শ্রমিক পার্টি, জাতীয় শ্রমিক পার্টি, জাতীয় প্রাক্তন সৈনিক পার্টি, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পার্টি, জাতীয় মটর শ্রমিক পাটি, জাতীয় তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি পরিষদ, জাতীয় পল্লীবন্ধু পরিষদ, জাতীয় পেশাজীবী সমাজ, জাতীয় তরুণ পার্টি, জাতীয় ছাত্র সমাজ, জাতীয় মেডিকেট টেকনোলজিস্ট পরিষদ, জাতীয় পার্টি রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট উইংস, ঢাকা মহানগর উত্তর জাতীয় পার্টির সব থানার নেতারা।