ছবি: ভোরের আকাশ
কুমিল্লায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তজেলা ডাকাত চক্রের চারজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চান্দিনা উপজেলার কেরনখাল কাঠবাজার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্র, একটি মাইক্রোবাস ও একটি সিএনজি অটোরিকশা জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— ফারুক ওরফে জজ মিয়া (৩৭), বাবুল ওরফে সেলিম (৪৮), সুজন চন্দ্র সরকার (২৫) এবং আব্দুর রশিদ (৫৫)। এদের মধ্যে ফারুক ওরফে জজ মিয়ার বিরুদ্ধে ১৭টি মামলা, বাবুলের বিরুদ্ধে ১টি মামলা এবং আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
ভোরের আকাশ/জাআ
সংশ্লিষ্ট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি কে এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপি'র মনোনয়নপ্রাপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি'র আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহকে গণসংযোগকালে হিংস্র সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনায় দুষ্কৃতিকারিদের শাস্তির দাবিতে রাঙামাটি জেলা বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানের নেতৃত্বে বিএনপির দলীয় কার্যালয় হয়ে দলের নেতাকর্মীর বিশাল এক মিছিল বের হয়। পরে মিছিলটি রাঙামাটির প্রধান সড়ক ও বনরুপা তেল পাম্প হয়ে পূনরায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিলের সঞ্চালনায় এই প্রতিবাদ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দীপু, সহ সভাপতি ও সাবেক মেয়র সাইফুল ইসলাম ভুট্টো, সহ সভাপতি ও আইনজীবী ফোরামের সভাপতি সাইফুল ইসলাম পনির, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক আলী বাবর, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াস, পৌর বিএনপির সভাপতি এস এম শফিউল আজম, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বাসেত অপু, রাঙামাটি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ মুজিবুল হক, সাধারণ সম্পাদক রনেল দেওয়ান সহ জেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। দেশের মানচিত্র ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। এজন্য আমাদের কে মাথায় রাখতে হবে সবার আগে বাংলাদেশ।তিনি আরো বলেন, ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপি'র মনোনয়নপ্রাপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি'র অতবায়ক এরশাদ উল্লা কে হত্যার যারা গুলি চালিয়েছে তাদের কে দ্রুত সময়ে গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় আনার ও দাবি জানান ধানের শীষের এই প্রার্থী।ভোরের আকাশ/মো.আ.
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা–৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে থাকা শরীফ ওসমান হাদির গ্রামের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার খাসমহল এলাকায় শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে শহরের খাসমহল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসমান হাদির চাচাতো ভাই সিরাজুল ইসলাম।তিনি জানান, বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে জানালা ভেঙে চোর ঘরে প্রবেশ করে। কী পরিমাণ মালামাল নিয়েছে এখনো সেটা আমরা জানতে পারিনি।নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকির সামনে রিকশায় করে যাওয়ার সময় ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। ওই সময় মোটরসাইকেলে করে এসে দুজন তাকে খুব কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।এক পর্যায়ে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তার চিকিৎসা চলছে।এদিকে তার গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর শুনেই এদিন বিকেলেই ঢাকায় রওনা দেন পরিবারের সদস্যরা।ভোরের আকাশ/মো.আ.
গাজীপুরের কাপাসিয়া সিঙ্গুয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সূধীজন সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর ) বিকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাঁকজমকপূর্ণ বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গাজীপুর -৪, কাপাসিয়া আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের পদপ্রার্থী শাহ রিয়াজুল হান্নান। স্থানীয় এলাকাবাসী ও সুশীল সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির কাজল সভাপতিত্ব করেন। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাবিবুর রহমান শাহীনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যাপক ড. হুসাইন মাহমুদ ফারুক।এসময় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মোঃ মনিরুল হক সরকার, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ মাজহারুল হক, মুহসীন পাহলোয়ান, অ্যাডভোকেট মোঃ জাকির হোসেন, শেখ আ: ছালাম বাদল, ঘাগটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বজলুর রশীদ নয়ন, সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, বারিষাব ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাওলানা কফিল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম মাষ্টার, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ প্রমুখ।এসময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য ও কাপাসিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এফ এম কামাল হোসেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোস্তাফিজার রহমান সহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।মতবিনিময় সভায় শিক্ষার্থীরা তাদের বিদ্যালয়ের মাঠের পানি নিস্কাশন ও চলাচলের রাস্তা তৈরি, আধুনিক মানের মিলনায়তন, সাইন্স ল্যাব, নামাজঘর সহ বিভিন্ন দাবি জানান। পরে প্রধান অতিথি শাহ রিয়াজুল হান্নান শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।তিনি বলেন, যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করা হবে। শিক্ষার্থীদের হাতে মোবাইল ফোন তুলে দিয়ে মনোযোগ নষ্ট করে দিয়েছিল। আগামী দিনে শিক্ষকদের যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে আধুনিক মানের শিক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা হবে। মানসম্মত শিক্ষকদের পাশাপাশি এলাকাবাসীকে এগিয়ে আসতে হবে। আগামী নির্বাচনে সচেতন মহল শিক্ষা বান্ধব সরকার গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।বিগত দিনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার যেমন নকলমুক্ত ও সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলেছিলেন, তেমনি আগামী দিনে আরো বেশি সহায়ক ভূমিকা পালন করবো। উপস্থিত সূধীজনের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচিত হলে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে মরহুম পিতা ব্রিগেডিয়ার হান্নান শাহর মতোই আপনাদের সাথে নিয়ে কাজ করতে পারবো।বিএনপির চেয়ারপার্সন ও বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দেশনেত্রীর রোগমুক্তি কামনায় কাপাসিয়া উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে সদরে অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ে বাদ মাগরিব মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে শাহ রিয়াজুল হান্নান উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন।ভোরের আকাশ/মো.আ.
কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে গত এক মাসে শতাধিক পশুর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। আকস্মিক এ মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত না হলেও অভিযোগ উঠছে—অবৈধভাবে গড়ে ওঠা কারখানার তৈজসপত্রই এর কারণ হতে পারে।সরেজমিন জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়ন ঈদগাঁও’র ৫ নং ওয়ার্ড কালির ছড়া শিয়া পাড়া গ্রামের বাসিন্দাদের শতাধিক গরু, মহিষ ও ছাগলের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বিগত এক মাসে। এ মৃত্যুর মিছিল অব্যাহত রয়েছে। আতঙ্কিত পশু মালিকদের পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়েছে জনস্বাস্থ্যও।এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিগত দুই মাসাধিককাল আগে বন এলাকা সংলগ্ন রমিজ আহমদের পুরাতন বাগান এলাকায় কতিপয় প্রভাবশালী একটি অবৈধ ব্যাটারি কারখানা গড়ে তোলে। যার গলিত তরল তৈজস পদার্থ বন এলাকায় পশু চারণে যাওয়া-আসার রাস্তায় জমে থাকে। এতে অবুঝ পিপাসার্ত পশুরা হয় তা পান করে, নয়তো গন্ধ নেয়। পরবর্তীতে এসব পশু ক্রমেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে ছটফট করতে করতে পশুগুলো মারা যায়। পশু মালিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা এর প্রতিবাদ করলেও প্রভাবশালী অবৈধ কারখানা চক্রটি তা কর্ণপাত না করে উল্টো তাদের হুমকি দেয় বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।ক্ষতিগ্রস্ত গরু মালিক লেড়ু জানান, তাদের তিন ভাইয়ের দুটি গরু মারা গেছে এবং আরো ছয়টি গরু অসুস্থ হওয়ায় নামমাত্র দামে বিক্রিতে বাধ্য হয়েছেন।তারা আরো জানান, ইতিমধ্যে উক্ত এলাকার শতাধিক পশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে এবং এখনো অসুস্থ অবস্থায় রয়েছে অনেক।গরু মালিক মজুম তাহের জানান, তার গরুরও একইভাবে মৃত্যু হয়েছে। পুরো এলাকা জুড়ে এ আতঙ্ক বিরাজ করছে।স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহমুদুল হাসান মিনার একই অভিযোগ করে বলেন, তিনি ইতিপূর্বে স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানালেও এখনো কোনো ব্যবস্থা নেননি এবং জনৈক রেজাউল করিম বহিরাগতদের নিয়ে এ অবৈধ কারখানাটি করেছেন।এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ. এম. খালেকুজ্জামান-এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনিও বিষয়টি গুরুতর উল্লেখ করে বলেন, যেহেতু এখনো অত্র উপজেলায় প্রাণিসম্পদ বিষয়ক পৃথক কার্যক্রম শুরু হয়নি, সেহেতু জেলা অফিসই এর তদারকিতে আছেন এবং তিনি ঢাকায় প্রশিক্ষণে রয়েছেন বিধায় জরুরি ভিত্তিতে উক্ত এলাকায় তার একজন প্রতিনিধি পাঠাবেন।ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর কামরুজ্জামান কবিরের সরকারি মোবাইল নম্বরে বারবার কল দিলেও রিসিভ না করায় হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।ভোরের আকাশ/মো.আ.