দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩০.২৫ বিলিয়ন ডলার
রোববার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০,২৪৮.১১ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩০.২৫ বিলিয়ন ডলার।
তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী দেশের রিজার্ভ বর্তমানে ২৫,২৩২.৩৩ মিলিয়ন ডলার বা ২৫.৩২ বিলিয়ন ডলার।
এর আগে, গত ৪ আগস্ট পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩০ বিলিয়ন ডলার এবং আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী ২৪.৯৮ বিলিয়ন ডলার। একইভাবে, ২৪ জুলাই পর্যন্ত রিজার্ভ ছিল ৩০,০০৪.৫০ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ২৪,৯৮৮.২৪ মিলিয়ন ডলার।
নিট রিজার্ভ হিসাব করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে, যেখানে মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করা হয়। এতে প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ নির্ধারিত হয়।
ভোরের আকাশ//হ.র
সংশ্লিষ্ট
নিত্যপণ্যের বাজারে আবারও বাড়ছে চাপ ভোক্তাদের ওপর। গত এক সপ্তাহ ধরে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। তবে দাম কিছুটা কমলেও কমেনি দামের ঝাঁজ। সয়াবিন তেলও বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। পুরোনো পেঁয়াজের দামে চড়া ভাব বজায় রয়েছে। তবে স্বস্তির জায়গা হলো—সবজির বাজার তুলনামূলক নিম্নমুখী, ডিমের দামও আগের চেয়ে কম।শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, মুগদা, শ্যামপুর, সেগুনবাগিচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ায় বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। যদিও এখনও নাগালের বাইরে রয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, মাসের শেষ দিকে সবজির দাম আরও কমতে পারে।ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কয়েকবার চেষ্টা করার পর ৭ ডিসেম্বর বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৬ টাকা বাড়িয়েছে। নতুন দরে এখন এক লিটারের বোতল বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকায়, আর ৫ লিটার ৯৫৫ টাকায়।এদিকে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমে ১৫০ টাকার পিঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে ঢুকতে শুরু করলেও দাম খুব একটা কমছে না। কেজিতে ১১০–১২০ টাকা। পুরোনো পেঁয়াজের দাম আরও বেশি— ১৩০-১৪০ টাকা। বিক্রেতারা জানান, নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়লে দাম কিছুটা কমার সম্ভাবনা আছে।বাজারে নতুন আলুও এসেছে। তবে দাম এখনও বেশি। নতুন সাদা আলু কেজিতে ৪০–৫০ টাকা, আর নতুন লাল আলু ৭০ টাকার আশেপাশে। কয়েক দিন আগেও এসব আলুর দাম ছিল একশ’ টাকার ওপরে। সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা কমেছে। পুরোনো আলু পাওয়া যাচ্ছে ২০–২৫ টাকায়।এদিনের বাজার ঘুরে জানা যায়, বেশিরভাগ সবজির দাম এখনো প্রতি কেজিতে ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। অন্যদিকে, মাছের দামেও কোনো স্বস্তি নেই।মাঝারি আকারের ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হলেও, বেগুন, গাজর, শসা, কাঁচা মরিচ এবং নতুন আলু প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও, ঝিঙা ও শিম ৬০ থেকে ৭০ টাকা এবং বরবটি ও করলা ১০০ টাকার ঘরে রয়েছে। অন্যদিকে, মাছের বাজারে প্রতি কেজি রুই মাছ (মাঝারি) ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, চাষের শিং ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৫০ টাকা এবং বড় চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। এই চড়া দাম নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের বাজেটের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করেছে।এদিকে বয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, সোনালী ২৮০ টাকা, লেয়ার ৩০০ টাকা, দেশি মুরগি ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।শান্তিনগর বাজারে বাজার করতে আসা ক্রেতা আমিল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, শীত আসলে সবজির দাম কমে যাওয়ার কথা, কিন্তু এবার উল্টো। দাম বেশি হওয়ায় আগে যেসব সবজি এক কেজি করে কিনতাম, এখন তার অর্ধেক কিনতে হচ্ছে। পরিবারের বাজেট সামলানো কঠিন।মালিবাগ বাজারের আরেক ক্রেতা শহিদুল ইসলামের ভাষ্য, বছরের সব সময় ধরেই মাছের দাম খুব বেশি থাকে। এত বেশি দামে মাছ কিনে খাওয়া সাধারণ ক্রেতাদের পক্ষে কষ্টসাধ্য।অন্যদিকে, বিক্রেতারা বলছেন সরবরাহ ঘাটতি এবং পরিবহন ব্যয়ের কথা। মালিবাগ বাজারের সবজি ব্যবসায়ী আসাদ আলী জানান, পাইকারি বাজারেই সরবরাহ কম, ফলে আমরা বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছি।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শীতের শুরুতেই সবজির বাজার চড়া থাকায় ক্রেতাদের খরচ বেড়ে গেছে। মৌসুমি সবজি উঠলেও সমন্বিত বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নির্বিঘ্ন সরবরাহ নিশ্চিত না হলে এই উচ্চমূল্যের চাপ ভোক্তাদের বয়ে বেড়াতেই হবে। সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই উচ্চমূল্যের চাপ রয়ে যাবে।ভোরের আকাশ/মো.আ.
বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরের প্রথম ৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১০০ কোটি ৮০ লাখ বা ১.০০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রতিদিনের হিসাবে গড়ে দেশে এসেছে ১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য জানান।তিনি জানান, ১ থেকে ৮ ডিসেম্বর দেশে এসেছে ১০০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে শুধু ৮ ডিসেম্বরই এসেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৮৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ।চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৪০৪ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ১ হাজার ১৯৬ কোটি ডলার। এতে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৭ শতাংশ।বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগ, প্রণোদনা সুবিধা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নতি রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সদ্য সমাপ্ত নভেম্বর মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। টাকায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৫ হাজার ২৫২ কোটি (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।ভোরের আকাশ/এসএইচ
সমাজে দুর্নীতিবাজদের প্রতি ঘৃণার সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। ভবিষ্যতে যেন দুর্নীতি আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে এ জন্য প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও জানান তিনি।মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে দুদকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।অর্থ উপদেষ্টা বলেন, অতীতের দুর্নীতিবাজদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা এবং সমাজে তাদের প্রতি ঘৃণার সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।তিনি বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারকারীদের শুধু কারাগারে রাখলেই শাস্তি পূর্ণ হয় না। তাদের বিরুদ্ধে সমাজে ঘৃণার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সামাজিক প্রতিরোধই দুর্নীতিকে ঠেকানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে কেবল আইনি ব্যবস্থাই নয়, সমগ্র সমাজকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতন ও সক্রিয় হতে হবে। দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কট না করলে তাদের দৌরাত্ম্য কমবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশের সমাজে বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতি এমনভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, তা নির্মূল করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নিলে পরিবর্তন সম্ভব। এসময় তিনি ভোটারদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুর্নীতিবাজদের বাদ দিয়ে সঠিক লোককে নির্বাচিত করলেই দেশে দুর্নীতি কমবে।দুদক চেয়ারম্যানের বলেন, ভোটাররা সৎ প্রার্থী নির্বাচিত করলে রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতির প্রবণতা কমে আসবে। এবারের আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবসের প্রতিপাদ্য হলো, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের একতা: গড়বে আগামীর শুদ্ধতা।’ দিবসটি উপলক্ষে দুদক দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করছে।সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা ও দুদকের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। সকাল ৯টায় দুদক প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে সকাল ১০টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।ভোরের আকাশ/এসএইচ
বাংলাদেশে জ্যাক মোটরসের অফিশিয়াল ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে যুক্ত হয়েছে অটোমোটিভ ম্যানুফ্যাকচারার র্যানকন। এখন থেকে জ্যাক মোটরসের সেলস ও আফটার-সেলস সাপোর্ট দিবে র্যানকন। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে জ্যাক মোটরসের লেটেস্ট দুইটি ডাবল কেবিন ৪x৪ মডেল ‘টি৯ হান্টার’ ও ‘টি৮’ পিকআপ ভ্যান এবং জ্যাক-এর নতুন এন সিরিজের ১.৫ টন ও ৩ টন এর বাণিজ্যিক ট্রাক আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়। সেসময় দেশের অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষ ব্যক্তিবর্গ, কর্পোরেট প্রতিনিধি, ডিলার পার্টনারদের সদস্য এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।নতুন ‘টি৯ হান্টার’ ডাবল কেবিন ৪x৪ মডেলে আছে শক্তিশালী ২ লিটার টার্বো ডিজেল ইঞ্জিন এবং ৮ স্পিড জেডএফ অটোমেটিক ট্রান্সমিশন। এটি সর্বোচ্চ ৪১০ এনএম পর্যন্ত টর্ক উৎপন্ন করতে সক্ষম। ২১০ মি.মি গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্সের সাথে গাড়িতে আরও আছে ফোর-হুইল ড্রাইভ, সম্পূর্ণ ইলেকট্রিক সানরুফ, লেদার ইন্টেরিয়র, পাওয়ার ফ্রন্ট সিট, প্রিমিয়াম সাউন্ড সিস্টেম, ১০.৪ ইঞ্চি টাচস্ক্রিন (অ্যাপেল কারপ্লে ও অ্যান্ড্রয়েড সাপোর্টেড), ফ্রন্ট ও রিয়ার ডিস্ক ব্রেক, ১৮ ইঞ্চি অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয় হুইল, এলইডি হেডলাইট ও ফগলাইট ইত্যাদি ফিচারস।সব মিলিয়ে ‘টি৯ হান্টার’ পারফর্ম্যান্স, আধুনিক প্রযুক্তি ও আরামদায়ক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে ব্যবহারকারীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাজারের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অফারে মাত্র ৪৬.৫ লক্ষ টাকায় এই মডেলটি পাওয়া যাবে। সাথে থাকবে ৫ বছর/ ১ লক্ষ কিলোমিটার ওয়ারেন্টি। ‘টি৮’ ডাবল কেবিন ৪x৪ মডেলে আছে ২ লিটার টার্বো ডিজেল ইঞ্জিন এবং ৬ স্পিড ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন। এটি সর্বোচ্চ ৩২৯ এনএম পর্যন্ত টর্ক উৎপন্ন করতে সক্ষম।এর গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ২১০ মি.মি গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্সের সাথে গাড়িতে আরও আছে ১৮ ইঞ্চি অ্যালয় হুইল, লেদার কভার্ড ইন্টেরিয়র, মাল্টিফাংশনাল লেদার-বাউন্ড স্টিয়ারিং, এলইডি হেডলাইট/ফগলাইট, এবিএস-এর মতো ফিচারস। মাত্র ৩৪.৫০ লক্ষ টাকায় এই মডেলটি পাওয়া যাবে, সাথে থাকবে ৫ বছর/ ১ লক্ষ কিলোমিটার ওয়ারেন্টি। র্যানকন-এর শোরুমে এসে ‘টি৯ হান্টার’ ও ‘টি৮’ দুটি মডেলই বুকিং ও টেস্ট ড্রাইভ দেওয়া যাবে।এছাড়া এন সিরিজের ১.৫ টন ও ৩ টন এর বাণিজ্যিক ট্রাক দুটি বাংলাদেশের রোড কন্ডিশন ও পরিবেশ বিবেচনা করে বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। দেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য এই ট্রাকের সঙ্গে আছে র্যানকন-এর দেশব্যাপি বিস্তৃত সার্ভিস নেটওয়ার্ক, যা নির্বিঘ্ন সার্ভিসিং এবং স্পেয়ার পার্টসের সহজলভ্যতাও নিশ্চিত করবে।এ প্রসঙ্গে র্যানকন গ্রুপ-এর গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর রোমো রউফ চৌধুরী বলেন, “র্যানকন সবসময়ই আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত ব্র্যান্ড ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এসেছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার জ্যাক মোটরসের অফিশিয়াল ডিস্ট্রিবিউটর হতে পেরে আমরা আনন্দিত। জ্যাক-এর নতুন গাড়ি ও ট্রাকগুলো বাংলাদেশের বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে আমি আশাবাদী।”র্যানকন গ্লোবাল ট্রাকস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শন হাকিম বলেন, ‘উন্নত মানের নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী ৪টি মডেল বাজারে আনার মাধ্যমে দেশের অটোমোটিভ সেক্টরে নতুন মাত্রা যোগ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। গ্রাহকদের সর্বোচ্চ মানের সেবা নিশ্চিতে র্যানকনের দেশব্যাপী বিস্তৃত অটোমোটিভ সার্ভিস নেটওয়ার্ক ব্যাপক সহায়ক হবে বলে আমার বিশ্বাস।’ভোরের আকাশ/এসএইচ