ছবি : সংগৃহীত
নিজের মস্তিষ্কে কোনো সমস্যা নেই বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি তার এমআরআই পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ঠাট্টা করে এ কথা বলেন তিনি।
ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, এমআরআই'র রেজাল্ট পারফেক্ট এসেছে। এটা কিন্তু মস্তিষ্কের এমআরআই ছিল না। আমি শুধু একটা বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষা করেছি এবং তাতে খুব ভালো নম্বর পেয়েছি। যা অর্জনের সক্ষমতা আপনাদের নেই।
উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মানসিক সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলছে।
এর আগে, তার প্রথম মেয়াদে তাকে নিয়ে 'ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি' নামে একটি বই প্রকাশ করেন মার্কিন সাংবাদিক মাইকেল উলফ। এরপরই নতুন করে বিতর্কের পালে হাওয়া লাগে। উলফ তার বইয়ে লেখেন, ট্রাম্পের মারাত্মক মানসিক সমস্যা রয়েছে। তিনি ১০ মিনিটের মধ্যে একই কথা অন্তত তিনবার বলেন।
অবশ্য হোয়াইট হাউসের চিকিৎসক রনি জ্যাকসন তখন বলেছিলেন, বর্তমানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাস্থ্য অত্যন্ত চমৎকার আছে। যদিও, পরবর্তীতে ট্রাম্পের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছিল, তবে ওই শারীরিক পরীক্ষার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মানসিক ফিটনেসের বিষয়টি রাখা হয়নি।
এরপর কয়েকজন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার জ্যাকসনকে একটি চিঠি লেখেন, যেখানে ট্রাম্পের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার আহ্বান জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়, ৬৬ বছর কিংবা তার চেয়ে বয়স্ক রোগীর শারীরিক পরীক্ষার সময় মানসিক মূল্যায়ন করাও জরুরি। সূত্র: এপি নিউজ
ভোরের আকাশ/মো.আ.
সংশ্লিষ্ট
ইরানে সরকারের বিরুদ্ধে কিছুদিন ধরে সহিংস বিক্ষোভের পর এবার দেশের বিভিন্ন শহরে সরকারের পক্ষে রাজপথে নেমেছে লাখো মানুষ।সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও অনুযায়ী, আয়াতুল্লাহ খামেনীর নেতৃত্বাধীন সরকারের সমর্থনে দেশটির বিভিন্ন শহরে বিপুল জনসমাগম হয়েছে।কেরমান ও জাহেদানসহ বিভিন্ন শহরের বিক্ষোভে মানুষকে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনীর ছবি বহন করতে দেখা যায়। তাদের হাতে ছিল পবিত্র কোরআন এবং জাতীয় পতাকা।রাষ্ট্রীয় প্রেস টিভি জানিয়েছে, কেরমানের রাস্তায় মিছিলরত জনতা ‘আমেরিকার পতন’ কামনা করে স্লোগান দিচ্ছিল।সরকারি সংস্থাগুলো সোমবার দেশজুড়ে শাসকগোষ্ঠীর সমর্থনে মিছিলের ডাক দেয়। অর্থনৈতিক সংকটসহ বিভিন্ন কারণে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মুখে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়।পূর্বাঞ্চলীয় শহর বিরজান্দে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির ফুটেজে জনতাকে ‘আমাদের জাতি জেগে উঠেছে এবং দাঙ্গাবাজদের ঘৃণা করে’ ও ‘আমরা বিপ্লবী সৈনিক, আমরা ফেতনাবাজদের ঘৃণা করি’—এমন স্লোগান দিতে শোনা যায়।ফার্স বার্তা সংস্থার বরাতে জানানো হয়, মধ্য ইরানের শহর আরাকে মাইক্রোফোনে একজন বক্তা জনতাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘সবারই সমস্যা আছে, কিন্তু তারা বিদেশিদের হাতে নিজের ভাগ্যের সিদ্ধান্ত তুলে দেয় না। তারা আমেরিকা ও ইসরায়েলের হাতে দাবার চাল তুলে দেয় না।’সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণেএদিকে ইরান সরকার বলছে, তারা বিদেশি মদদপুষ্ট বিক্ষোভ ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ এনেছে। এজন্য দ্রুতই ইন্টারনেট চালু হয়ে যাবে।সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, দেশজুড়ে বিক্ষোভে রক্তক্ষয়ী দমন-পীড়নের পর এখন ‘পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এসেছে’।তিনি বলেন, বিক্ষোভগুলো ‘সহিংস ও রক্তাক্ত হয়ে উঠেছে, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের জন্য একটি অজুহাত তৈরি করা যায়’।ইরানকে জবাব দিতে ‘কঠোর উপায়’ বিবেচনা করছেন ট্রাম্পঅন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে তেহরানের কঠোর অভিযানের জবাবে ওয়াশিংটন ‘শক্তিশালী উপায়গুলো’ বিবেচনা করছে, যার মধ্যে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপও রয়েছে।রোববার (১১ জানুয়ারি) গভীর রাতে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। সামরিক বাহিনী বিষয়টি খতিয়ে দেখছে, আর আমরা কিছু অত্যন্ত শক্তিশালী বিকল্প বিবেচনা করছি।আমরা একটি সিদ্ধান্ত নেব। তিনি আরও বলেন, “সামরিক পদক্ষেপের হুমকির পর ইরানের নেতৃত্ব ‘আলোচনার জন্য’ যোগাযোগ করেছে এবং একটি ‘বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে’। কিন্তু বৈঠকের আগেই আমাদের পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।”ভোরের আকাশ/মো.আ.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এই ঘোষণা তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দিয়েছেন।রোববার (১১ জানুয়ারি) ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে একটি ছবি পোস্ট করেন, যার নিচে লেখা ছিল, “২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে আসীন হয়েছেন।”এর আগে, ৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে সামরিক অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে সরকারি বাসভবন থেকে অপহরণ করে নিউইয়র্ক সিটিতে নিয়ে আসে। তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং বর্তমানে তারা নিউইয়র্কের ফেডারেল কারাগারে বন্দি। ওই অভিযানে কমপক্ষে ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।ভেনেজুয়েলা তেলের সমৃদ্ধ দেশ হওয়ায় ট্রাম্প জানিয়েছেন, মাদুরো ও তার স্ত্রী অপহরণের পর থেকে দেশের তেল সম্পদ যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে থাকবে। পরবর্তীতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, অনির্দিষ্টকালের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদ নিয়ন্ত্রণ করবে এবং দেশের সরকারের সংস্কারে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। ‘উপযুক্ত সময়ে’ সম্পদের পূর্ণ মালিকানা ভেনেজুয়েলার সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।মাদুরো অপহরণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভেনেজুয়েলার সুপ্রীম কোর্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করে এবং দেশটির সেনাবাহিনীও তাকে সমর্থন দেয়। দায়িত্ব নেওয়ার পর ডেলসি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার ঘোষণা দেন। ঠিক সেই সময় ট্রাম্প নিজেকে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।সূত্র: আনাদলুভোরের আকাশ/মো.আ.
সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারকে অভিযুক্ত করে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) হওয়া যুগান্তকারী মামলার বিচার সোমবার (১২ জানুয়ারি) শুরু হচ্ছে।রয়টার্স জানায়, এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এটি হবে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে প্রথম গণহত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি।এই মামলার বিচারের ফলাফল মিয়ানমারের পাশাপাশি আইসিজেতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে এবং গাজা যুদ্ধ নিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হওয়া গণহত্যার মামলাগুলোতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।মিয়ানমার গণহত্যার অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে।জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক স্বাধীন তদন্ত প্রক্রিয়ার প্রধান নিকোলাস কুমজিয়ান রয়টার্সকে বলেন, “গণহত্যা কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, কীভাবে এটি প্রমাণ করা যায় আর কীভাবে লঙ্ঘনের প্রতিকার করা যায়, এই মামলাটিতে তার গুরুত্বপূর্ণ নজির স্থির হওয়ার সম্ভাবনা আছে।”পশ্চিম আফ্রিকার মুসলিম প্রধান রাষ্ট্র গাম্বিয়া ২০১৯ সালে বিশ্ব আদালত নামে পরিচিত আইসিজেতে মামলাটি দায়ের করে। মামলায় রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর জন্য মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের বাসিন্দা।২০১৭ সালে মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর নির্মম আক্রমণ চালায়। এই আক্রমণের মুখে অন্তত ৭ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হয় আর তারা প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। পালিয়ে আসা এসব রোহিঙ্গারা নির্বিচার হত্যা, ব্যাপক ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের শিকার হওয়ার ঘটনা তুলে ধরেন।জাতিসংঘের একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন তদন্ত শেষে সিদ্ধান্তে আসে, ২০১৭ সালে হওয়া ওই সামরিক হামলার সময় ‘গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ড’ অন্তর্ভুক্ত ছিল।মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে। তারা দাবি করে, মুসলিম জঙ্গিদের হামলার প্রতিক্রিয়ায় তাদের সামরিক আক্রমণ ছিল একটি বৈধ সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান।২০১৯ সালে আইসিজেতে এই মামলার প্রাথমিক শুনানিতে মিয়ানমারের তৎকালীন নেতা অঙ সান সু চি গাম্বিয়ার গণহত্যার অভিযোগগুলোকে ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’ অভিহিত করে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।সোমবার নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরের আন্তর্জাতিক আদালতে (আইসিজে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় শুনানির মধ্য দিয়ে বিচারের কার্যক্রম শুরু হবে আর তা তিন সপ্তাহ ধরে চলবে। তবে স্পর্শকাতর হওয়ায় ও ব্যক্তিগত কারণ থাকায় বিচার প্রক্রিয়া চলাকালে আদালত কক্ষে সর্বসাধারণ ও গণমাধ্যমের প্রবেশ বন্ধ থাকবে।মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ২০২১ এ এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সু চির নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে। সামরিক জান্তা সু চি ও তার দলের অনেক নেতাকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠায়। এ ঘটনায় মিয়ানমারজুড়ে একটি সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে ওঠে, যা এখন গৃহযুদ্ধের রূপ নিয়েছে।ভোরের আকাশ/মো.আ.
গাজার ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করে সোমালিল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। সোমালিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি বলেছেন, এ বিষয়ে তাদের কাছে নিশ্চিত তথ্য রয়েছে। তিনি এ পরিকল্পনাকে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন।সম্প্রতি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফিকি বলেন, ফিলিস্তিনিদের স্থানান্তর ও সোমালিল্যান্ডে পাঠানোর বিষয়ে ইসরায়েলের একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, এটি মানবাধিকার লঙ্ঘন। একইসঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্যও হুমকি।তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই সোমালিয়ার কর্মকর্তারা আশঙ্কা করে আসছেন, ইসরায়েল গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের জোর করে সোমালিল্যান্ডে সরাতে পারে। যদিও এ বিষয়ে ইসরায়েল ও স্বশাসিত অঞ্চল সোমালিল্যান্ড উভয়ই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।সোমালিল্যান্ড ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করলেও এখনো জাতিসংঘের স্বীকৃতি পায়নি। তবে গত বছরের ডিসেম্বরে ইসরায়েল প্রথম দেশ হিসেবে সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেয়, যা নিয়ে সোমালিয়ার তীব্র আপত্তি রয়েছে।এ বিষয়ে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের জোর করে সোমালিল্যান্ডে স্থানান্তর করার বিষয়টি ইসরায়েলের কোনো চুক্তির অংশ নয়। তবে সোমালিল্যান্ডের সঙ্গে ইসরায়েলের চুক্তিতে কী কী বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।এর আগে সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মাহমুদ আল-জাজিরাকে জানান, সোমালিল্যান্ড ইসরায়েলের তিনটি শর্তে সম্মত হয়েছে—ফিলিস্তিনিদের পুনর্বাসন, এডেন উপসাগরের উপকূলে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন এবং আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা।সোমালিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সোমালিল্যান্ডের কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়া সোমালিয়ার সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত।ফিকি আরও অভিযোগ করেন, ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশকে বিভক্ত করার নীতি অনুসরণ করছে এবং সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়া সেই বৃহত্তর কৌশলেরই অংশ।ভোরের আকাশ/মো.আ.