সংগৃহীত ছবি
দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্রি স্টেটের ব্লুমফন্টেইন ও বোটশাবেলোর মধ্যে এন-৮ সড়কে ইন্টারস্টেট বাস ও একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ৬ জনসহ মোট আহত হয়েছেন ৩১ জন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) ভোরে ম্যান্ডেলা ভিউ থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে এন-৮ এ একটি বাস ও ট্রাকের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে ৭ জন পুরুষ ও ৩ জন মহিলাসহ ১০ জন নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত ৬ জনসহ মোট ৩১ জন আহত হয়েছেন।
ফ্রি স্টেট রোড ইনসিডেন্ট ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান সিফো তোয়া জানিয়েছেন, ছয়জন গুরুতরসহ সকল আহতদের পেলোনোমি ট্রমা ইউনিটে নেওয়া হয়েছে।
ভোরের আকাশ/তা.কা
সংশ্লিষ্ট
জাপানের উত্তর–পূর্বাঞ্চলে আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে উপকূলীয় অঞ্চল। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪৪ মিনিটে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৭, যা আওমোরি উপকূলে ২০ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হয়েছে বলে জানিয়েছে জাপান মেটিওরোলজিক্যাল এজেন্সি (জেএমএ)। ভূমিকম্পের পরই সতর্কতামূলক সুনামি সতর্কতা জারি করেছে সংস্থাটি।প্রাথমিক তথ্যে জানানো হয়েছে, কম্পনের কেন্দ্রস্থল ছিল সমুদ্রের প্রায় ২০ কিলোমিটার গভীরে। কয়েকদিন আগেই ওই এলাকায় ৭ দশমিক ৫ মাত্রার একটি বড় ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। পরপর শক্তিশালী ভূমিকম্প হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।গত সোমবারের ভূমিকম্পের পর থেকেই সরকার উত্তরের হোক্কাইডো থেকে শুরু করে রাজধানী টোকিও–সংলগ্ন চিবা পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে জনগণকে সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে এক সপ্তাহের মধ্যে আরও একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের সম্ভাবনার কথা জানিয়ে স্থানীয়দের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।জাপান প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থান করায় দেশটিতে ভূমিকম্প নিয়মিত ঘটনা। ২০১১ সালের তোহোকু ভূমিকম্প ও সুনামি দেশটির আধুনিক ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত, যেখানে ২২ হাজারের বেশি মানুষ মারা যান বা নিখোঁজ হন এবং ফুকুশিমা দাইইচি পারমাণবিক কেন্দ্রে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে।সূত্র: আল জাজিরার।ভোরের আকাশ/তা.কা
মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের একটি হাসপাতালে বোমা হামলা চালিয়েছে দেশটির জান্তা সরকার।এতে কমপক্ষে ৩১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা এক সহায়তাকর্মী জানিয়েছেন, একটি হাসপাতালে বিমান হামলা চালিয়েছে সামরিক বাহিনী। ওই হামলায় ৩০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। চলতি মাসে শুরু হতে যাওয়া নির্বাচনের আগে বিভিন্ন স্থানে আক্রমণ চালাচ্ছে সামরিক বাহিনী।সংঘাত বিষয়ক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ২০২১ সালে বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখলের পর থেকে বছরের পর বছর ধরে বিমান হামলা জোরদার করেছে জান্তা। সেনাবাহিনী ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত সহায়তাকর্মী ওয়াই হুন অং জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিম রাখাইন রাজ্যের ম্রাউক-ইউ-এর জেনারেল হাসপাতালে একটি সামরিক বিমান থেকে বোমা হামলা চালানো হয়।তিনি বলেন, পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ। এখন পর্যন্ত আমরা নিশ্চিত করতে পারি যে, ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আমাদের আশঙ্কা আরও প্রাণহানি হতে পারে। এছাড়া ৬৮ জন আহত হয়েছেন এবং এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।ভোরের আকাশ/তা.কা
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কোকোয়া শহরে সড়কে চলমান একটি গাড়ির ওপর ছোট আকারের একটি উড়োজাহাজ আছড়ে পড়েছে।সোমবার (৮ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫টা ৪৫ মিনিটে আই-১৯ মহাসড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার পরপরই এই গাড়ির ওপর আছড়ে পড়ার দৃশ্যটি এক্সসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।দুর্ঘটনায় ওই গাড়ির চালক সামান্য আহত হয়েছেন। গাড়ির ওপর আছড়ে পড়ার দৃশ্যটি ইতোমধ্যে এক্সসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।ফ্লোরিডা হাইওয়ে পেট্রোল পুলিশের কর্মকর্তারা এএফপিকে জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যায় কোকোয়ার আই-১৯ মহাসড়কে জরুরি অবতরণের সময় একটি চলমান টয়োটা ক্যাম্রি গাড়ির ওপর আছড়ে পড়ে বিমানটি। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন ৫৭ বছর বয়সী এক নারী। আর বিমানটিতে চালকের সঙ্গে একজন যাত্রী ছিলেন। উভয়েরই বয়স ২৭ বছর।দুর্ঘটনার পরপরই গাড়ি ও উড়োজাহাজ থেকে ৩ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। ফ্লোরিডা হাইওয়ে পেট্রোল পুলিশসূত্রে জানা গেছে, যে নারী গাড়ি চালাচ্ছিলেন, তিনি সামান্য আহত হয়েছেন। বিমানের চালক এবং যাত্রী অক্ষত আছেন।পুলিশ কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, ইঞ্জিনে সমস্যার কারণে জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পাইলট। তার পরিকল্পনা ছিল যে মহাসড়কের পাশে ফাঁকা ঝোপ এলাকায় অবতরণ করবেন। কিন্তু ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আর সড়কের ওপারে যেতে না পেরে সেখানেই আছড়ে পড়েছিল বিমানটি।ভোরের আকাশ/তা.কা
রাজধানী মস্কোর কাছে রুশ সামরিক বাহিনীর একটি মালবাহী (কার্গো) বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে পাইলটসহ ওই বিমানটিতে থাকা ৭ জন যাত্রীর সবাই নিহত হয়েছেন।মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বের) মস্কোর নিকটবর্তী ইভানোভো ঘটেছে এই ঘটনা। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণায় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিধ্বস্ত বিমানটি ছিল এএন-২২ মিলিটারি ট্রান্সপোর্ট এয়াক্রাফট সিরিজের একটি উড়োজাহাজ। রুশ সামরিক বাহিনীতে এ সিরিজের উড়োজাহাজগুলো কার্গো বিমান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিমানটির ইঞ্জিনে কিছু সমস্যা দেখা গিয়েছিল। সেই ত্রুটি মেরামতের পর পরীক্ষামূলকভাবে ওড়ানো (টেস্ট ফ্লাইট) হয়েছিল বিমানটিকে। এ সময় বিমানটিতে পাইলটসহ ৭ জন যাত্রী ছিলেন।সামরিক বিমানবন্দর থেকে টেক অফ করার কিছুক্ষণ পরই সেটি ইভানোভো জেলার একটি এলাকায় আছড়ে পড়ে। রাজধানী মস্কো থেকে ইভানোভোর দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার।“উড়োজাহাজটি একটি বিরান, জনশূন্য এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে। ফলে পাইলট ও যাত্রীরা ছাড়া আর কারো নিহত বা আহত হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই”, বলা হয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে। আরও বলা হয়েছে, বিমান বিধ্বস্তের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রণালয়। সেই কমিটি ইতোমধ্যে কাজও শুরু করেছে।সূত্র : তাসভোরের আকাশ/মো.আ.