ছবি: সংগৃহীত
বর্ষার সন্ধ্যায় একটু মুচমুচে কিছু খেতে মন চাইতেই পারে। অনেকেই বাইরে থেকে সিঙ্গারা-পুরি কিনে এনে খান। সেগুলো খেতে হয়তো ভালোলাগে কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। এর বদলে ঘরে তৈরি করে খাওয়া যেতে পারে। বাড়িতে বড় কোনো মাছ থাকলে তার কয়েক টুকরা দিয়ে তৈরি করে ফেলতে পারেন সুস্বাদু পাকোড়া। চলুন জেনে নেওয়া যাক মাছের পাকোড়া তৈরির সহজ রেসিপি
যেভাবে তৈরি করবেন-
যেকোনো বড় মাছ- ২৫০ গ্রাম
পেঁয়াজ কুচি- ২টি
আদা বাটা- ১ চা চামচ
রসুন বাটা- ১ চা চামচ
কাঁচা মরিচ কুচি- ১-২টি (স্বাদমতো)
বেসন- ১/২ কাপ
কর্ন ফ্লাওয়ার- ২ টেবিল চামচ
ডিমের কুসুম- ১টি (ইচ্ছা)
ধনিয়াপাতা কুচি- ২ টেবিল চামচ
জিরা গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ
গরম মসলা গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ
লবণ- স্বাদমতো
তেল- ভাজার জন্য।
তৈরি করতে যা লাগবে
মাছ সেদ্ধ করে কাঁটা ও চামড়া ফেলে মাছের কিমা করে নিন। কিমার সঙ্গে পেঁয়াজ, আদা, রসুন, কাঁচা মরিচ, জিরা, মরিচ, হলুদ, গরম মসলা এবং লবণ মিশিয়ে নিন। এবার তার সঙ্গে ডিমের কুসুম, বেসন এবং কর্ন ফ্লাওয়ার ভালো করে মেশান। ধনিয়াপাতা কুচি যোগ করুন।ডুবোতেলে সময় নিয়ে মৃদু আঁচে ভাজবেন। এরপর তুলে কিচেন টিস্যুতে রেখে বাড়তি তেল ঝরিয়ে পরিবেশন করুন।
ভোরের আকাশ/তা.কা
সংশ্লিষ্ট
শীত এলেই ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়। উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। চামড়ায় টান ধরে। এই শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় সঠিক সমাধান দরকার হয়। প্রয়োজন পড়ে ত্বকের বিশেষ যত্ন নেওয়ার। তাই সঠিক ময়শ্চারাইজার, ক্রিম, টোনার বেছে নেওয়া জরুরি।কিন্তু শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় কোন ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করবেন, তাতে কী কী উপাদান থাকবে, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। ভুল প্রসাধনী ব্যবহারে ত্বক আরও খসখসে হয়ে উঠতে পারে।শুষ্ক ত্বকের যত্নে কেন প্রসাধনী ব্যবহার করা জরুরিশীতকালে ত্বক যতই শুষ্ক হয়ে যাক, নিয়মিত পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিদিন ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ ব্যবহার করা আবশ্যক।টোনার ত্বকের উপরে জমে থাকা মৃত কোষ সরিয়ে দেয় এবং ত্বকের পিএইচ স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখে। তাই স্কিন কেয়ার রুটিনে টোনার রাখা জরুরি।যদি ত্বক বেশি শুষ্ক হয়, সিরাম ব্যবহার করুন। এটি ত্বককে গভীরভাবে পুষ্টি দেয়। আর শীতের দিনে ত্বককে উজ্জ্বল ও নরম রাখার জন্য ময়শ্চারাইজার ছাড়া উপায় নেই। রোদে বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন, যাতে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি ত্বককে আরও শুষ্ক না করে দেয়।শুষ্ক ত্বকের জন্য প্রসাধনীতে থাকা উচিত গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলো হলো-১. হায়ালুরোনিক অ্যাসিডএই উপাদান ত্বককে গভীরভাবে ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করে। তাই হায়ালুরোনিক অ্যাসিডযুক্ত ক্লিনজার ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত। এছাড়া, হায়ালুরোনিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ সিরামও শীতকালে ত্বককে উজ্জ্বল ও নরম রাখতে সাহায্য করে।২. শিয়া বাটারত্বকের শুষ্ক ভাব এড়াতে শিয়া বাটার ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ত্বককে দীর্ঘক্ষণ আর্দ্র রাখে এবং নরম ও কোমল রাখে। ময়েশ্চারাইজার বা বডি লোশন কেনার সময় যাচাই করুন যে পণ্যের মধ্যে শিয়া বাটার রয়েছে কি না, যাতে শীতের দিনে ত্বক সুস্থ ও সতেজ থাকে।৩. গ্লিসারিনগ্লিসারিন শুষ্ক ত্বকের যত্নে অত্যন্ত কার্যকর। এটি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে আর্দ্রতা যোগ করে এবং ত্বককে কোমল রাখে। তাই ফেসওয়াশ বা ময়েশ্চারাইজার বাছাই করার সময় নিশ্চিত করুন এতে গ্লিসারিন রয়েছে। এছাড়া শুষ্ক ত্বকের যত্ন আরও বাড়াতে সিরামাইড, ভিটামিন ই, এবং অ্যালোভেরা জেল জাতীয় উপাদানও ব্যবহার করতে পারেন, যা ত্বককে পুষ্টি এবং সুরক্ষা প্রদান করবে।প্রসাধনীতে এড়িয়ে চলতে হবে যে উপাদানশুষ্ক বা সংবেদনশীল ত্বকের জন্য কিছু উপাদান থেকে দূরে থাকা জরুরি। যেসব প্রসাধনীর মধ্যে অ্যালকোহল, স্যালিসিলিক অ্যাসিড, প্যারাবেন, বা সালফেট থাকে, সেগুলো ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। এই ধরনের উপাদান ত্বককে আরও শুষ্ক ও সংবেদনশীল করে তোলে। যদি কোনো উপাদান থেকে অ্যালার্জি বা ফুসকুড়ি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, পণ্যটি ব্যবহার করার আগে বাহুতে বা কানের পিছনে ২৪ ঘন্টা প্যাচ টেস্ট করুন। চুলকানি, লালভাব বা জ্বালা দেখা দিলে সেই পণ্য ব্যবহার করবেন না। গুরুতর অ্যালার্জির ক্ষেত্রে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।ভোরের আকাশ/তা.কা
মধু যতটা সুস্বাদু, তার থেকেও বেশি উপকারী। শরীরের একাধিক উপকার করে এই উপাদান। বছরের যেকোনো সময়েই মধু খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালের জন্য এটি আরও বেশি কার্যকরী। শীতকালে মধু খেলে গলাব্যথা, খুসখুসে কাশি, সর্দি ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দূরসহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।শীত এসে গিয়েছে। ঠান্ডা, শুষ্ক আবহাওয়ায় মধু খাওয়ার চর্চা অনেকেরই রয়েছে। তবে যারা এখনও মধু খাওয়ার অভ্যাস গড়েননি, তাদের জন্য আজ শীতের ডায়েটে মধু রাখার কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।মধুর স্বাস্থ্যগত উপকারিতা শক্তি ও তাপ জোগায়: মধুতে থাকা গ্লুকোজ শরীরে দ্রুত শক্তি দেয় এবং শরীরকে উষ্ণ রাখে, যা শীতকালে খুব দরকার।রক্ত গঠনে সহায়ক: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে, শরীরের অক্সিজেন পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ভাইরাল গুণশক্তির কারণে শীতকালে ঠান্ডা, কাশি ও গলাব্যথার সমস্যা কমাতে সহায়ক।হজমে সাহায্য করে: শীতে হজমশক্তি কমে যায়, মধু হজমের উন্নতি ঘটায় এবং পেটের অম্লভাব কমায়।ত্বককে ভালো রাখে: হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেলে শুষ্ক ত্বক নরম ও উজ্জ্বল হয়।হৃদ্রোগ প্রতিরোধে কার্যকর: মধুতে থাকা পলিফেনল হৃদ্যন্ত্রের সুস্থতা বাড়ায়। দারুচিনির সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে রক্তনালীর সমস্যা কমে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: পাশাপাশি হাঁপানি, ফুসফুসের সমস্যা, অনিদ্রা ও বুক জ্বালা কমাতে সাহায্য করে।ক্যালরি ও পটাশিয়ামের উৎস: মাত্র ১ চা-চামচ মধুতে প্রায় ২১ ক্যালরি এবং পটাশিয়াম থাকে, যা শরীরের জন্য উপকারী।কীভাবে মধু খেতে পারেন?সরাসরি সকালে আধা থেকে এক চা-চামচ মধু খাওয়া।টক ফল বা ফলের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়া।লেবুর রস, আদার রস বা কমলার রসের সঙ্গে মধু দিয়ে পানীয় তৈরি।রং চা, লেবু চা বা গ্রিন টিতে সামান্য মধু মেশানো যায় (দুধের চায়ে নয়)।ওটস বা সালাদের ড্রেসিংয়ে মধু ব্যবহার।রান্নায় চিনির বিকল্প হিসেবে মধু প্রয়োগ (যেমন মিষ্টি স্বাদের মাছ বা মুরগির পদে)।সতর্কতাঅতিরিক্ত মধু খাওয়া রক্তে শর্করা ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বাড়াতে পারে, যা শারীরিক জটিলতার কারণ হতে পারে।একবারে বেশি পরিমাণে মধু না খাওয়া ভালো, কারণ এতে হজমের সমস্যা বা অ্যাসিডিটি হতে পারে।শিশুদের অতিরিক্ত মধু দেওয়া উচিত নয়, কারণ তা তাদের অতিচঞ্চলতা সৃষ্টি করতে পারে।যাদের মধুতে অ্যালার্জি আছে তারা অল্প পরিমাণেও খাওয়া এড়িয়ে চলুন।ডায়াবেটিস বা ফ্যাটিলিভার আক্রান্তদের মধু খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।উল্লেখ্য, শীতের সময় মধু খাওয়া শরীরকে উষ্ণতা, শক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দেয়। এটি হজমকে ভালো করে, ত্বক উজ্জ্বল রাখে এবং হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে। তবে, মধুর সঠিক মাত্রা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।ভোরের আকাশ/তা.কা
খেজুর দারুণ পুষ্টিকর একটি ফল। ফাইবার ও প্রাকৃতিক চিনি সমৃদ্ধ হওয়ায় খেজুর শরীরের জন্য নানা দিক থেকে উপকারী। তবে খেজুর খাওয়ার সময় নিয়ে অনেকের মধ্যেই কৌতূহল থাকে। অনেকের প্রশ্ন থাকে খালি পেটে খেলে ভালো, নাকি ঘুমের আগে? কেউ কেউ আবার ভাবেন, রাতভর ভিজিয়ে খাওয়া উচিত কি না। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক সময়ে খেজুর খেলে তার উপকারিতা আরও বাড়ানো সম্ভব।খেজুর আমাদের অতিপরিচিত একটি ফল। মুসলিম সমাজে রোজা ভাঙা থেকে শুরু করে নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে খেজুরের ব্যবহার রয়েছে। তবে ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক গুরুত্ব ছাড়াও খেজুরে আছে অসাধারণ পুষ্টিগুণ। ছোট্ট এ ফলটিতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার, প্রাকৃতিক চিনি, ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত খেজুর খেলে শরীর যেমন শক্তি পায়, তেমনি মেলে নানা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও।তবে খেজুর খাওয়ার সঠিক সময় নিয়েও অনেকের মনে কৌতূহল থাকে যে, খালি পেটে খেলে ভালো নাকি ঘুমানোর আগে? আবার কেউ কেউ ভাবেন, ভিজিয়ে খাওয়াই কি বেশি উপকারী? বিশেষজ্ঞদের মতে, খেজুর খাওয়ার নির্দিষ্ট কোনো বাধ্যতামূলক সময় নেই। তবে কয়েকটি সময়ে খেলে এর উপকারিতা অনেকটা বেড়ে যায়।খেজুর খাওয়ার সেরা সময়ব্যায়ামের আগেখেজুর খাওয়ার সেরা সময় কখন, খালি পেটে নাকি রাতে ঘুমানোর আগে?খেজুরে থাকা প্রাকৃতিক চিনি শরীরে ধীরে ধীরে শক্তি জোগায়। ব্যায়ামের ৩০-৬০ মিনিট আগে ২-৪টি খেজুর খেলে দীর্ঘ সময় শরীর সক্রিয় থাকে। যারা নিয়মিত জিম বা ওয়ার্কআউট করেন, তাদের জন্য খেজুর হতে পারে প্রাকৃতিক এনার্জি বুস্টার।ভোরে খালি পেটেসকালে খালি পেটে খেজুর খেলে শরীর দ্রুত শক্তি পায়। এটি অন্ত্র পরিষ্কার রাখে, পরিপাকতন্ত্রকে সক্রিয় করে এবং হৃদ্যন্ত্র ও লিভারের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে। দিনের শুরুটা হালকা ও শক্তিদায়ক করতে খালি পেটে খেজুর খাওয়া দারুণ উপকারী।রাতের খাবারের পরে বা ঘুমের আগেখেজুরে থাকা ফাইবার দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে। ফলে রাতে অকারণে ক্ষুধা বা স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। ঘুমের আগে কয়েকটি খেজুর খেলে এটি স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক হিসেবে কাজ করে, আবার হজমেও সহায়তা করে।খেজুর খেলে যে উপকার মিলবে১. ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে২. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে৩. হাড়কে শক্তিশালী করে৪. রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়৫. মস্তিষ্ক ও হৃদ্যন্ত্র সুস্থ রাখে৬. অ্যালঝাইমার ও ক্যানসারের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমায়৭. ত্বক ও চুলে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আনেডায়াবেটিস বা প্রিডায়াবেটিস রোগীরাও চিকিৎসকের পরামর্শে খেজুর খেতে পারেন। এতে থাকা পলিফেনল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের প্রদাহ কমাতে ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।কখন খেজুর খাওয়া উচিত নয়ভারী খাবারের পরপরই : হজমে সমস্যা, পেটে গ্যাস বা ফাঁপা ভাব তৈরি হতে পারে।ডায়রিয়া হলে : খেজুরে থাকা সোর্ভিটল পাতলা পায়খানা বাড়িয়ে দিতে পারে।অ্যালার্জি বা আইবিএস রোগীদের জন্য : উচ্চ ফ্রুক্টোজ হজমের সমস্যা বাড়াতে পারে।শেষকথাখেজুর খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় না থাকলেও সকালে খালি পেটে, ব্যায়ামের আগে কিংবা রাতে ঘুমের আগে খেলে এর গুণাগুণ সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। তবে সব খাবারের মতোই খেজুর খেতেও পরিমিতি বজায় রাখা জরুরি। নিয়মিত কয়েকটি খেজুর শরীরকে যেমন প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাবে, তেমনি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়াবে।ভোরের আকাশ/তা.কা
শীতের বিকেলে গরম গরম কাটলেট হলে নাস্তার আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে যায়।আর শীতের সবজির মধ্যে ফুলকপি যেহেতু সহজলভ্য, তাই এটি দিয়ে খুব সহজেই বানানো যায় মজাদার কাটলেট। কাটলেট খেতে আমরা সবাই পছন্দ করি। শীতের বিকেলের নাস্তায় কাটলেট থাকলে জমে যায় বেশ। শীতের সবজি হিসেবে ফুলকপির নাম শুরুতেই আসে। এই ফুলকপি দিয়েও কিন্তু তৈরি করা যায় সুস্বাদু কাটলেট। রেসিপিও বেশ সহজ। বাড়িতে থাকা বিভিন্ন উপকরণ দিয়েই তৈরি করে নেওয়া সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক ফুলকপির কাটলেট তৈরির রেসিপি-তৈরি করতে যা লাগবেফুলকপি- ১টিডিম- ১টিময়দা- ১/৪ কাপহলুদ গুঁড়া- সামান্যপেঁয়াজ কুচি- আধা কাপকাঁচা মরিচ কুচি- স্বাদমতোধনিয়া পাতা কুচি- ২ চা চামচলবণ- পরিমাণমতোতেল- পরিমাণমতো।যেভাবে তৈরি করবেনফুলকপি টুকরা করে নিন। পানিতে ১ চিমটি হলুদ দিয়ে ফুলকপির টুকরাগুলো ৩-৪ মিনিট ফুটিয়ে নিন। পানি ঝরিয়ে ছোট কুচি করে কেটে নিন। তেল বাদে বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে নিন। পছন্দমত মাপে কাটলেট বানিয়ে নিন। প্যানে অল্প তেল গরম করে নিন। কাটলেটগুলো তেলে ভেজে নিন। এক পিঠ সোনালি হলে উল্টে দিন। সবগুলো তৈরি হয়ে গেলে গরম গরম পরিবেশন করুন।ভোরের আকাশ/তা.কা