× ই-পেপার প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি ফিচার চট্টগ্রাম ভিডিও সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সরকারের

মো. রেজাউর রহিম

প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০২৫ ১২:১০ এএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

ফ্যাসিস্ট বা স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা যাতে দেশে আর ফিরে না আসতে পারে সেজন্য জন–আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের মাধ্যমে দেশে সুশাসন, গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি চিরস্থায়ীভাবে রোধ করার উদ্দেশ্যে বিদ্যমান সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থায় সংস্কারে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ সিদ্ধান্ত নিয়েছে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। এছাড়া ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামা অনুসারে ‘সংবিধানে জুলাই জাতীয় সনদ অন্তর্ভুক্ত’ করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমরা সব বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোটের আয়োজন করা হবে। অর্থাৎ জাতীয় নির্বাচনের মতো গণভোটও ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। এতে সংস্কারের লক্ষ্য কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত হবে না। নির্বাচন আরও উৎসবমুখর ও সাশ্রয়ী হবে। আর গণভোট অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে উপযুক্ত সময়ে প্রয়োজনীয় আইনও প্রণয়ন করা হবে।

এছাড়া নির্বাচনকালে ভবিষ্যতে নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, ‘জুলাই সনদের’ ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গঠন করাসহ রাজনৈতিকভাবে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আর সার্বিকভাবে বিদ্যমান রাজনৈতিক জটিলতা ও নির্বাচন অনুষ্ঠান ও সরকার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে জটিলতা নিরসনে গণভোটে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর একটিমাত্র প্রশ্নে দেশের ভোটাররা  ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে নাগরিকদের মতামত জানাবে। পাশাপাশি আগামী নির্বাচনের দিনেই ‘গণভোট’ অনুষ্ঠিত হবে বলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

উল্লেখ্য, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষতাসীন হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় সংস্কারের মাধ্যমে দেশে সুশাসন, গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ করার উদ্দেশ্যে অন্তর্বর্তী সরকার সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য ৬টি সংস্কার কমিশন গঠন করে এবং এই কমিশনগুলো কয়েক মাস কাজ করে  সরকারের প্রতিবেদন নিকট পেশ করে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট জারি করেছে সরকার। এতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাক্ষরও করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়  থেকে এ সংক্রান্ত গেজেট জারি করা হয়েছে। এর আগে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে জাতীয় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন অনুমোদন করা হয়।

সরকারের আদেশে বলা হয়েছে, সুদীর্ঘ গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার সফল গণঅভ্যুথানের মাধ্যমে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা ও অভিপ্রায়ের প্রকাশ ঘটেছে। এ গণঅভ্যুত্থানের ফলে ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটে। চব্বিশের ৬ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং ৮ আগস্ট বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যকারিতা ও স্বীকৃতি লাভ করে।

আদেশে আরো বলা হয়েছে, সংবিধান সংস্কার বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত প্রস্তাবসমূহ বাস্তবায়নের জন্য সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী জনগণের অনুমোদন প্রয়োজন এবং এ উদ্দেশ্যে গণভোট অনুষ্ঠান, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও পরিষদ কর্তৃক সংবিধান সংস্কার করার আবশ্যকতা রয়েছে।

আদেশে আরো বলা হয়েছে, প্রতিবেদনগুলোতে অন্তর্ভুক্ত সুপারিশের বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সকল রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনাক্রমে সংবিধান সংস্কারসহ অন্যান্য সংস্কারের সুপারিশ সংবলিত জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ প্রণয়ন করে এবং রাজনৈতিক দল ও জোটসমূহ সম্মিলিতভাবে এ সনদে স্বাক্ষর ও তা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করে।

আর আদেশের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ১৩৩ শিশু, শত শত তরুণ-তরুণী, নারী-পুরুষের মৃত্যু, হাজার হাজার মানুষের অঙ্গহানির মধ্য দিয়ে যে ত্যাগ সেটিকে আমাদের সম্মান জানাতেই হবে। গণভোট এবং জুলাই জাতীয় সনদের বিষয়ে সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক দলগুলো জাতির বৃহত্তর স্বার্থে মেনে নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টা।  

তিনি বলেন, একটি উৎসবমুখর জাতীয় নির্বাচনের দিকে জাতি এগিয়ে যাবে। যার মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশে প্রবেশ করব। আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছেছি।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন উপদেষ্টা ভোরের আকাশকে জানান, জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়ন সম্পন্ন করার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি করার বিষয়টিকে সরকার গুরুত্ব দিয়েছে।

এছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্দেশে ছাত্র-জনতা হত্যা নির্যাতন ও গুমের বিরুদ্ধে সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা ও অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পরামর্শক্রমে, রাষ্ট্রপতি এই আদেশ জারি করেছেন। এই আদেশ জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ নামে অভিহিত হবে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঐকমত্য কমিশনের প্রণীত জুলাই সনদে সংবিধানবিষয়ক ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। কিছু প্রস্তাবে সামান্য ভিন্নমত থাকলেও প্রস্তাবগুলোর ক্ষেত্রে মতভিন্নতা খুব  বেশি ছিল না। কোন কোন দল সংবিধান সংস্কার চেয়েছে, অন্যরা আইনের মাধ্যমে তা করতে চেয়েছে। কিন্তু সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা, নীতি ও লক্ষ্য নিয়ে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মৌলিক  বা বড়ধরণের মতভেদ না থাকায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জন্য কাজটি সম্ভব হয়েছে।

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ অনুমোদনের ক্ষেত্রে  রাজনৈতিক দলগুলো কর্তৃক স্বাক্ষরিত জুলাই সনদকে মূল দলিল হিসেবে মেনে নেওয়ায় সরকারের পক্ষে সহজ হয়েছে।  

উল্লেখ্য, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই আদেশে সরকার গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিধান নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সনদের সংবিধানবিষয়ক সংস্কার প্রস্তাবের ওপর গণভোট অনুষ্ঠান এবং পরে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত।

জানা গেছে, এছাড়া জুলাই সনদের আলোকে গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপনীয় প্রশ্নও নির্ধারণ করেছে সরকার।  আর গণভোটের দিন সংশ্লিষ্ট চার বিষয়ের ওপর একটিমাত্র প্রশ্নে ভোটররা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে তাদের মতামত জানাবে। গণভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট ‘হ্যাঁ’ সূচক হলে আগামী সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধি নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে। এই প্রতিনিধিরা একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিষদ তার প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার করবে। সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন হওয়ার পর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে।

এর মেয়াদ হবে নিম্নকক্ষের শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত। তবে এর আগে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জুলাই সনদ বাস্তবায়ন সুপারিশে বলা হয়েছিল, প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ থেকে ২৭০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার করার বাধ্যবাধকতা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।

বলা হয়েছিল, এ সময়ের মধ্যে সংস্কার সম্পন্ন না হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংস্কার প্রস্তাবগুলো সংবিধানে যুক্ত হবে। তবে চূড়ান্ত প্রস্তাবে সেই বাধ্যবাধকতা থাকছে না। অন্যদিকে, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিএনপির ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (আপত্তি) এবং বাছাইপ্রক্রিয়ার চূড়ান্ত ধাপে ঐকমত্য কমিশন ‘র‌্যাংকড চয়েস’ পদ্ধতির কথা বলেছে। তবে বিএনপি এ পর্যায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান বাছাইয়ের দায়িত্ব সংসদকে দেওয়ার পক্ষে। তবে এ বিষয়ে অন্যান্য রাজনৈতিক দল ‘র‌্যাংকড চয়েস’ পদ্ধতির পক্ষে।

অবশেষে বিষয়টিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার গণভোটের মাধ্যমে এ বিষয়ে জনগণের রায় নেবে। এ ছাড়া উচ্চকক্ষে ভোটের অনুপাতে দলগুলোর প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়ে বিএনপি ছাড়া প্রায় সব দলেরই ঐকমত্য ছিল। সে ব্যাপারে অন্তর্বর্তী সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না দিয়ে প্রস্তাবটি গণভোটের মাধ্যমে ফয়সালা হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

৩ মাসের প্রচারণার পরিকল্পনা

৩ মাসের প্রচারণার পরিকল্পনা

 এবার ওসমান হাদির গ্রামের বাড়িতে চুরি!

এবার ওসমান হাদির গ্রামের বাড়িতে চুরি!

 প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে যমুনায় বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে যমুনায় বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি

 মতিঝিলে হাদির জনসংযোগেই ছিল হত্যাকারী

মতিঝিলে হাদির জনসংযোগেই ছিল হত্যাকারী

 কাপাসিয়ায় শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা

কাপাসিয়ায় শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা

 ঈদগাঁওয়ে শতাধিক পশুর অস্বাভাবিক মৃত্যু, হুমকিতে জনস্বাস্থ্য

ঈদগাঁওয়ে শতাধিক পশুর অস্বাভাবিক মৃত্যু, হুমকিতে জনস্বাস্থ্য

 হাদিকে গুলির প্রতিবাদে সারাদেশে বিএনপির বিক্ষোভ আজ

হাদিকে গুলির প্রতিবাদে সারাদেশে বিএনপির বিক্ষোভ আজ

 অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে যে আহ্বান জানালেন মির্জা ফখরুল

অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে যে আহ্বান জানালেন মির্জা ফখরুল

 টেকনাফে মর্টারশেল ও গোলাগুলির শব্দে কাঁপছে সীমান্তবাসী

টেকনাফে মর্টারশেল ও গোলাগুলির শব্দে কাঁপছে সীমান্তবাসী

 চট্টগ্রামে নির্বাচনী মাঠে ৪২ জন ম্যাজিস্ট্রেট

চট্টগ্রামে নির্বাচনী মাঠে ৪২ জন ম্যাজিস্ট্রেট

 ফরিদপুরের আলিপুরে ‌ট্রেনে কাটা ‌পড়ে‌ এক ব্যক্তির ‌মৃত্যু

ফরিদপুরের আলিপুরে ‌ট্রেনে কাটা ‌পড়ে‌ এক ব্যক্তির ‌মৃত্যু

 চোরাই কাভার্ডভ্যান উদ্ধার, মাদকসহ চালক-হেলপার আটক

চোরাই কাভার্ডভ্যান উদ্ধার, মাদকসহ চালক-হেলপার আটক

 হাদির ওপর হামলার পর যে তথ্য জানালেন আইজিপি

হাদির ওপর হামলার পর যে তথ্য জানালেন আইজিপি

 গাইবান্ধায় কলেজছাত্রী উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেফতার

গাইবান্ধায় কলেজছাত্রী উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেফতার

 গভীর রাতে লক্ষ্মীপুর নির্বাচন কার্যালয়ে দুর্বৃত্তের আগুন

গভীর রাতে লক্ষ্মীপুর নির্বাচন কার্যালয়ে দুর্বৃত্তের আগুন

 ঢাকায় তাপমাত্রা নেমে ১৬ ডিগ্রির ঘরে

ঢাকায় তাপমাত্রা নেমে ১৬ ডিগ্রির ঘরে

 কেরানীগঞ্জে জমেলা টাওয়ারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১২ ইউনিট

কেরানীগঞ্জে জমেলা টাওয়ারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১২ ইউনিট

 সংসদ ভেঙে নির্বাচনের ঘোষণা থাই প্রধানমন্ত্রীর

সংসদ ভেঙে নির্বাচনের ঘোষণা থাই প্রধানমন্ত্রীর

 ‘এআই’ প্রযুক্তির মাধ্যমে ছবি তৈরি করে অপপ্রচার করছে: কৃষ্ণ নন্দী

‘এআই’ প্রযুক্তির মাধ্যমে ছবি তৈরি করে অপপ্রচার করছে: কৃষ্ণ নন্দী

সংশ্লিষ্ট

হাদির ওপর হামলার পর যে তথ্য জানালেন আইজিপি

হাদির ওপর হামলার পর যে তথ্য জানালেন আইজিপি

ঢাকায় তাপমাত্রা নেমে ১৬ ডিগ্রির ঘরে

ঢাকায় তাপমাত্রা নেমে ১৬ ডিগ্রির ঘরে

হাদির সর্বোত্তম চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে সরকার: প্রধান উপদেষ্টা

হাদির সর্বোত্তম চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে সরকার: প্রধান উপদেষ্টা

হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু: ডিএমপি কমিশনার

হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু: ডিএমপি কমিশনার