হার্টের রিংয়ের নতুন মূল্য কার্যকরের নির্দেশ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের

ছবি: সংগৃহীত
হৃদরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত করোনারি স্টেন্ট বা হার্টের রিংয়ের নতুন মূল্য কার্যকরের উদ্যোগ নিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ)। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। মঙ্গলবার (৯ জুন) ডিজিডিএর মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের গঠিত বিশেষজ্ঞ পরামর্শক কমিটির গত বছরের ১৬ অক্টোবর ও ১৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত পঞ্চম ও ষষ্ঠ সভার সুপারিশের ভিত্তিতে আমদানি করা বিভিন্ন ধরনের করোনারি স্টেন্টের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে কর, ভ্যাট, বিভিন্ন চার্জ ও কমিশনের পাশাপাশি কোম্পানির যৌক্তিক মুনাফার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
ডিজিডিএ জানিয়েছে, নতুন মূল্য বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গত ১৩ মে অনুষ্ঠিত পরামর্শক কমিটির সপ্তম সভায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মূল্য পুনর্বিবেচনার আবেদন পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, করোনারি স্টেন্টের সব ধরনের দাম কিছুটা কমানো হয়েছে। ফলে রোগীরা এখন আগের তুলনায় সর্বনিম্ন ১ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ৪৮ হাজার টাকা পর্যন্ত কম মূল্যে এসব স্টেন্ট কিনতে পারবেন।
এদিকে নতুন মূল্য কার্যকরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালগুলোর জন্য কয়েকটি নির্দেশনাও জারি করেছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে— হালনাগাদ মূল্য তালিকা হাসপাতালের নোটিশ বোর্ডে উন্মুক্তভাবে প্রদর্শন করা, নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য অনুসরণ করে স্টেন্ট বিক্রি করা, চিকিৎসা প্যাকেজের সঙ্গে স্টেন্টের মূল্য অন্তর্ভুক্ত না করা এবং স্টেন্টের নাম, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম ও সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য উল্লেখ করে পৃথক রশিদ প্রদান করা।
এছাড়া ব্যবহৃত স্টেন্টের প্যাকেট রোগীকে সরবরাহ করতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কার্ডিয়াক চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী সব হাসপাতালকে অনুমোদিত মূল্য তালিকা ও নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
ভোরের আকাশ/সু.পা



