ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী ওসমান হাদির ওপর হামলাকারী সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ওই ব্যক্তি সম্পর্কে তথ্য দিলেই তথ্যদাতাকে পুরস্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ডিএমপি।তিনি বলেন, রাজধানীর বিজয়নগর বক্স কালভার্ট এলাকায় মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তদের হামলায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি গুরুতর আহত হন। ডিএমপি হামলাকারীদের গ্রেফতারে রাজধানীতে জোর অভিযান পরিচালনা করছে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ছবির ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা গেছে। ডিএমপি তাকে হন্য হয়ে খুঁজছে।উক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকলে বা তার সন্ধান পেলে দ্রুত নিম্নলিখিত মোবাইল নম্বর অথবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে পুলিশকে জানানোর জন্য বিনীত অনুরোধ করা হলো। ডিসি মতিঝিল: ০১৩২০০৪০০৮০, ওসি পল্টন: ০১৩২০০৪০১৩২ সন্ধানদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং উপযুক্ত পুরস্কৃত করা হবে।প্রসঙ্গত, শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে রাজধানীর বিজয়নগরের পানির ট্যাংকির সামনে রিকশায় যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্ত খুব কাছ থেকে ওসমান হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে সন্ধ্যার পর নেওয়া হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি।ভোরের আকাশ/এসএইচ
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, আইনের শাসন, স্বাধীন বিচার বিভাগ এবং বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে নিহত শিক্ষক, চিকিৎসক, লেখক, সাংবাদিক, শিল্পীসহ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।১৪ ডিসেম্বর মূলত: জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ। শহীদ বুদ্ধিজীবীরা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তারা অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছিলেন, স্বাধীনতার পক্ষে কলম ধরেছিলেন। তাদের জীবন ও কর্ম আজও আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে।দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা দেশকে মেধাশুন্য করার গভীর চক্রান্ত। কারণ স্বাধীনতার বিজয়কে বাধাগ্রস্ত করা। বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা আজও সারা জাতিকে বেদনা বিধুর করে। তবে তাদের রেখে যাওয়া আদর্শ অর্থাৎ জ্ঞান বিজ্ঞান, মুক্ত চিন্তা, ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠী নির্বিশেষে সম্প্রীতির চেতনা উন্নত ও প্রগতিশীল দেশ গড়ার প্রত্যয় জাগিয়ে তোলে। একটি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণ ছিল যাদের অভিষ্ট লক্ষ্য। কিন্তু অর্ধশতাব্দি পার হলেও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। গণতন্ত্র বারবার মৃত্যুকুপে পতিত হয়েছে। একদলীয় দু:শাসনের বাতাবরণ তৈরী করে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বিকাশ প্রতিহত করা হয়েছে। অনেক রক্ত ঝরলেও মত প্রকাশ, লেখা ও বলার স্বাধীনতা সংকটের দুর্বিপাক থেকে আজও মুক্ত হতে পারেনি। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতনের পর আইনের শাসন, স্বাধীন বিচার বিভাগ এবং বহু পথ ও মতের রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলেই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ বাস্তবায়িত হবে।আজকের এই শোকাবহ দিনে আমি দেশবাসীর প্রতি আহবান জানাই, আসুন শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা একসাথে কাজ করি।আমি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।আল্লাহ্ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।ভোরের আকাশ/তা.কা
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদীর ওপর হামলার প্রতিবাদে ও জড়িতদের খুঁজে বের করে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবিতে দিনাজপুরের বিরামপুরে ছাত্র জনতার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় শহরের ঢাকা মোড়ে বিরামপুরের সর্বস্তরের ছাত্র জনতার ব্যানারে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিল শেষে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদীর দ্রুত সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া মুনাজাত করা হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা অংশগ্রহণ করেন।এ সময় বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের উপজেলা আহবায়ক মুসাব্বির অর্ক, যুগ্ম সদস্য সচিব শাহরিয়ার নাজিম, জাতীয় যুব শক্তির জিন্নাহ রাইন, ছাত্র প্রতিনিধি মোরশেদ মারুফ, ফরিদুল ইসলাম, আজাদ, সারোয়ার সহ সর্বস্তরের সাধারণ ছাত্ররা উপস্থিত ছিলেন।বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদীর উপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে এর সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানান এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতায় কারো উপর হামলা গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ আখ্যা দিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ছাত্র সমাজ কখনোই মেনে নেবে না বলেও জোড়ালো ভাবে হুশিয়ারি দেওয়া হয়।ভোরের আকাশ/তা.কা
ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক সীমান্ত এলাকায় নজরদারী বৃদ্ধি লক্ষ্যে টহল তৎপরতা বৃদ্ধি এবং চেকপোষ্ট স্থাপন করা হয়েছে। ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) তারিখে দুর্বৃত্ত কর্তৃক প্রকাশ্যে গুলি করায় একটি গুরুতর ঘটনা সংঘটিত হয়।উক্ত ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশের যে কোনো সীমান্ত এলাকা দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে পলায়ন করতে পারে এবং একই সাথে ভারত হতে সন্ত্রাসী গ্রুপ সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে মর্মে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়।সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের গমনাগমন প্রতিরোধে অত্র ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি অতিরিক্ত হিসেবে ১০টি টহলের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহে বিশেষ টহল পরিচালনা এবং ফুলবাড়ী শহরস্থ ঢাকা মোড়, বিরামপুর শহর ও মোহনপুর ব্রীজ এলাকায় ৩টি অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে যানবাহন তল্লাশী করা হচ্ছে।ফুলবড়ী ২৯ বিজিবির অধিনায়ক, লেঃ কর্নেল এ এম জাবের বিন জব্বার বলেন, সীমান্ত এলাকায় সন্দেহভাজন ব্যক্তি, যানবাহন তল্লাশী ও যে কোন ধরণের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ওপর বিশেষ নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে এবং যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় অত্র ব্যাটালিয়নের সকল সদস্যকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।ভোরের আকাশ/তা.কা
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগের চেষ্টা চালিয়েছে।খবর পেয়ে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) রাইসুল ইসলাম ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর রাত ৪টার দিকে উপজেলা নির্বাচন অফিসের দোতালায় জানালার লক ভেঙে মশালের মতো একটি লাঠি দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা।পাশের একটি ভবন থেকে লাঠির মাথায় মোরানো গামছায় কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরানোর চেষ্টা করলে গামছা পুড়ে ছাই মেঝেতে পড়ে থাকে। এ সময় অফিসের নৈশ প্রহরীর টের পেয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের নৈশপ্রহরী মোস্তফা হাওলাদার জানান, আমি রাত ২ টার দিকে ঘুমিয়ে পড়ি। আগুনের বিষয়টি শুরুতে টের পাইনি। টের পেলে ৯৯৯ কল দিতাম। পরে বিষয়টি নজরে আসলে কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করি।মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার বাসুদেব সরকার জানান, তফসিল ঘোষণার পর থেকে আমাদের কোন ছুটি নেই আমি গতকাল রাত ১১টার সময় অফিসের কাজ শেষ করে বাসায় যাই। সকালে অফিসে আসলে এমন পরিস্থিতি দেখি তবে অফিস এবং অফিসের কোন নথিপত্রের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।তিনি আরও জানান, গত ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হয়ত সেই নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একটি মহল এইরকম ঘটনা ঘটাতে পারে। আমি বিষয়টি উর্ধতন কর্মকর্তাদের, নির্বাহী অফিসার এবং থানার অফিসার ইনচার্জকে অবহিত করেছি নিরাপত্তা দেয়ার জন্য।এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া ইসস্পেক্টর তদন্ত শেখ হেলাল উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভবনের পিছনের থাই গ্লাসের জানলা খুলে ফেলেছে কৌশলে। তারপর আগুন দেয়ার চেষ্টা করে। তবে বিষয়টি টের পাওয়ার কারণে বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। নির্বাচন অফিস থেকে অভিযোগ দিলে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ভোরের আকাশ/তা.কা
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীর শেকড় যতই শক্তিশালী হোক না কেন, তা উপড়ে ফেলা হবে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, হাদি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক। আজ তিনি সন্ত্রাসীদের গুলিতে চিকিৎসাধীন। আমরা তার জন্য কায়মানো বাক্যে দোয়া করি।শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মালিথিয়া গ্রামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আয়োজনে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।হাদির ওপর গুলির ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্বকে ধ্বংস করতে পতিত স্বৈরাচারের সন্ত্রাসী বাহিনী টার্গেট করেছে। কিন্তু তারা সফল হবে না।আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে দাবি করে তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন বদ্ধ পরিকর। আগামী নির্বাচনে মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবে। জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে এবারের নির্বাচনে।এ সময় তিনি বেগম খালেদা জিয়া ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির সুস্থতায় সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন অ্যাটর্নি জেনারেল।ভোরের আকাশ/এসএইচ
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে বগুড়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা বিএনপি।শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে শহরের নবাববাড়ি সড়কে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি শহরের সাতমাথা, থানা মোড় ও বড়গোলা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।মিছিল শেষে জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা এই ঘটনাকে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মন্তব্য করেন।তারা বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বানচাল করার উদ্দেশ্যেই ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটানো হয়েছে।বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা জোরদার থাকার কথা বলা হলেও বাস্তবে তার কোনো দৃশ্যমান কার্যক্রম দেখা যাচ্ছে না। তারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।সমাবেশে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দলীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন।ভোরের আকাশ/এসএইচ
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম–৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ এবং ঢাকা–৮ আসনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদির ওপর সংঘটিত সশস্ত্র হামলায় জড়িত দুষ্কৃতকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকালে সমাবেশটি নগরীর রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সম্মুখে অনুষ্ঠিত হয় এবং বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর নূর আহাম্মেদ সড়ক, লাভলেইন, চেরাগী মোড় হয়ে প্রেসক্লাবে গিয়ে শেষ হয়। এতে নগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, দেশ আজ এক ভয়াবহ ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। নির্বাচনের মাঠে প্রতিযোগিতা নয়, বরং ভয় ও সন্ত্রাসকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যারা জনগণের ভোটে আস্থা রাখে না, তারাই পরিকল্পিতভাবে প্রার্থী ও রাজনৈতিক নেতাদের ওপর হামলা চালিয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। এরশাদ উল্লাহ ও শরীফ ওসমান হাদির ওপর সশস্ত্র হামলা প্রমাণ করে—দেশে এখনো গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিরাপদ নয়।তিনি বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন মানেই শুধু ভোটের দিন নয়; এর আগে সমান সুযোগ, নিরাপদ প্রচারণা এবং নির্ভীক রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হয়। অথচ আমরা দেখছি, বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে দমনে পরিকল্পিতভাবে ভয় দেখানো হচ্ছে, হামলা চালানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে জনগণের আস্থা নষ্ট হবে এবং নির্বাচন তার অর্থ হারাবে।তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রযন্ত্রের দায়িত্ব হলো সকল প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই—এ ধরনের হামলার দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় জনগণই এর জবাব দেবে। বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় রাজপথে ছিল, আছে এবং প্রয়োজনে আরও শক্ত অবস্থান নেবে।সভাপতির বক্তব্যে নগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, স্বৈরাচার পতন হলেও দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা ও নাগরিক নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ভঙ্গুর। পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এখনো সক্রিয়, যা দেশকে অস্থিতিশীল করে নির্বাচনকে ভণ্ডুল করার গভীর ষড়যন্ত্রেরই বহিঃপ্রকাশ।তিনি বলেন, এই হামলাগুলো কোন পরিস্থিতিতে ও কোন সময়ে ঘটেছে, সেটাই এর রাজনৈতিক গুরুত্ব স্পষ্ট করে। নির্বাচনী প্রচারণার মধ্যেই মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহর ওপর হামলা এবং তফসিল ঘোষণার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওসমান হাদির ওপর সশস্ত্র আক্রমণ—এসবকে কোনোভাবেই সাধারণ অপরাধ বলা যায় না। এসব ঘটনা স্পষ্টভাবে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য পরিকল্পিত ও সংগঠিত ষড়যন্ত্রেরই অংশ।তিনি আরও বলেন, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা, রাজনৈতিক পক্ষগুলোর মধ্যে গভীর অবিশ্বাস ছড়িয়ে দেওয়া এবং নির্বাচনপূর্ব সময়ে পরিকল্পিতভাবে সংঘাত উসকে দিয়ে দেশকে অস্থির করে তোলাই এ ধরনের হামলার মূল উদ্দেশ্য। এসব ঘটনার মাধ্যমে একটি ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে জনগণের স্বাভাবিক রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও নির্বাচনপ্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।তিনি বলেন, ওসমান হাদির ওপর গুলি চালানো একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, সুপরিকল্পিত ও সুসংগঠিত হামলা। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর একজন প্রার্থীকে লক্ষ্য করে এমন সশস্ত্র আক্রমণ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি নির্বাচনপ্রক্রিয়াকে নস্যাৎ করার গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। আমরা এই ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার, জড়িত সব ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক বিচার এবং নির্বাচনী পরিবেশে পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি। গণতন্ত্র, জনগণের ভোটাধিকার এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন রক্ষায় আমরা আপসহীন।সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, শওকত আজম খাজা, শিহাব উদ্দিন মোবিন, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু।এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য জয়নাল আবেদীন জিয়া, এস এম আবুল ফয়েজ, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, কামরুল ইসলাম, মাহবুব রানা, নুর উদ্দিন হোসেন নুরু, মোহাম্মদ আজম, মোহাম্মদ ইউসুফ।সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় শ্রমিক দলের নেতা শেখ নুরুল্লা বাহার ও জামাল, সাবেক যুবদল সভাপতি মোশারফ হোসেন দীপ্তি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বুলু, সাধারণ সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম তুহিন, তাঁতীদলের আহ্বায়ক সেলিম হাফেজসহ থানা ও ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।ভোরের আকাশ/এসএই্চ
নিত্যপণ্যের বাজারে আবারও বাড়ছে চাপ ভোক্তাদের ওপর। গত এক সপ্তাহ ধরে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। তবে দাম কিছুটা কমলেও কমেনি দামের ঝাঁজ। সয়াবিন তেলও বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। পুরোনো পেঁয়াজের দামে চড়া ভাব বজায় রয়েছে। তবে স্বস্তির জায়গা হলো—সবজির বাজার তুলনামূলক নিম্নমুখী, ডিমের দামও আগের চেয়ে কম।শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, মুগদা, শ্যামপুর, সেগুনবাগিচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ায় বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। যদিও এখনও নাগালের বাইরে রয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, মাসের শেষ দিকে সবজির দাম আরও কমতে পারে।ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কয়েকবার চেষ্টা করার পর ৭ ডিসেম্বর বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৬ টাকা বাড়িয়েছে। নতুন দরে এখন এক লিটারের বোতল বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকায়, আর ৫ লিটার ৯৫৫ টাকায়।এদিকে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমে ১৫০ টাকার পিঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে ঢুকতে শুরু করলেও দাম খুব একটা কমছে না। কেজিতে ১১০–১২০ টাকা। পুরোনো পেঁয়াজের দাম আরও বেশি— ১৩০-১৪০ টাকা। বিক্রেতারা জানান, নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়লে দাম কিছুটা কমার সম্ভাবনা আছে।বাজারে নতুন আলুও এসেছে। তবে দাম এখনও বেশি। নতুন সাদা আলু কেজিতে ৪০–৫০ টাকা, আর নতুন লাল আলু ৭০ টাকার আশেপাশে। কয়েক দিন আগেও এসব আলুর দাম ছিল একশ’ টাকার ওপরে। সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা কমেছে। পুরোনো আলু পাওয়া যাচ্ছে ২০–২৫ টাকায়।এদিনের বাজার ঘুরে জানা যায়, বেশিরভাগ সবজির দাম এখনো প্রতি কেজিতে ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। অন্যদিকে, মাছের দামেও কোনো স্বস্তি নেই।মাঝারি আকারের ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হলেও, বেগুন, গাজর, শসা, কাঁচা মরিচ এবং নতুন আলু প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও, ঝিঙা ও শিম ৬০ থেকে ৭০ টাকা এবং বরবটি ও করলা ১০০ টাকার ঘরে রয়েছে। অন্যদিকে, মাছের বাজারে প্রতি কেজি রুই মাছ (মাঝারি) ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, চাষের শিং ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৫০ টাকা এবং বড় চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। এই চড়া দাম নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের বাজেটের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করেছে।এদিকে বয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, সোনালী ২৮০ টাকা, লেয়ার ৩০০ টাকা, দেশি মুরগি ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।শান্তিনগর বাজারে বাজার করতে আসা ক্রেতা আমিল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, শীত আসলে সবজির দাম কমে যাওয়ার কথা, কিন্তু এবার উল্টো। দাম বেশি হওয়ায় আগে যেসব সবজি এক কেজি করে কিনতাম, এখন তার অর্ধেক কিনতে হচ্ছে। পরিবারের বাজেট সামলানো কঠিন।মালিবাগ বাজারের আরেক ক্রেতা শহিদুল ইসলামের ভাষ্য, বছরের সব সময় ধরেই মাছের দাম খুব বেশি থাকে। এত বেশি দামে মাছ কিনে খাওয়া সাধারণ ক্রেতাদের পক্ষে কষ্টসাধ্য।অন্যদিকে, বিক্রেতারা বলছেন সরবরাহ ঘাটতি এবং পরিবহন ব্যয়ের কথা। মালিবাগ বাজারের সবজি ব্যবসায়ী আসাদ আলী জানান, পাইকারি বাজারেই সরবরাহ কম, ফলে আমরা বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছি।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শীতের শুরুতেই সবজির বাজার চড়া থাকায় ক্রেতাদের খরচ বেড়ে গেছে। মৌসুমি সবজি উঠলেও সমন্বিত বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নির্বিঘ্ন সরবরাহ নিশ্চিত না হলে এই উচ্চমূল্যের চাপ ভোক্তাদের বয়ে বেড়াতেই হবে। সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই উচ্চমূল্যের চাপ রয়ে যাবে।ভোরের আকাশ/মো.আ.
বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরের প্রথম ৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১০০ কোটি ৮০ লাখ বা ১.০০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রতিদিনের হিসাবে গড়ে দেশে এসেছে ১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য জানান।তিনি জানান, ১ থেকে ৮ ডিসেম্বর দেশে এসেছে ১০০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে শুধু ৮ ডিসেম্বরই এসেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৮৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ।চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৪০৪ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ১ হাজার ১৯৬ কোটি ডলার। এতে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৭ শতাংশ।বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগ, প্রণোদনা সুবিধা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নতি রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সদ্য সমাপ্ত নভেম্বর মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। টাকায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৫ হাজার ২৫২ কোটি (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।ভোরের আকাশ/এসএইচ
সমাজে দুর্নীতিবাজদের প্রতি ঘৃণার সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। ভবিষ্যতে যেন দুর্নীতি আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে এ জন্য প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও জানান তিনি।মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে দুদকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।অর্থ উপদেষ্টা বলেন, অতীতের দুর্নীতিবাজদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা এবং সমাজে তাদের প্রতি ঘৃণার সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।তিনি বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারকারীদের শুধু কারাগারে রাখলেই শাস্তি পূর্ণ হয় না। তাদের বিরুদ্ধে সমাজে ঘৃণার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সামাজিক প্রতিরোধই দুর্নীতিকে ঠেকানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে কেবল আইনি ব্যবস্থাই নয়, সমগ্র সমাজকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতন ও সক্রিয় হতে হবে। দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কট না করলে তাদের দৌরাত্ম্য কমবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশের সমাজে বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতি এমনভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, তা নির্মূল করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নিলে পরিবর্তন সম্ভব। এসময় তিনি ভোটারদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুর্নীতিবাজদের বাদ দিয়ে সঠিক লোককে নির্বাচিত করলেই দেশে দুর্নীতি কমবে।দুদক চেয়ারম্যানের বলেন, ভোটাররা সৎ প্রার্থী নির্বাচিত করলে রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতির প্রবণতা কমে আসবে। এবারের আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবসের প্রতিপাদ্য হলো, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের একতা: গড়বে আগামীর শুদ্ধতা।’ দিবসটি উপলক্ষে দুদক দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করছে।সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা ও দুদকের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। সকাল ৯টায় দুদক প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে সকাল ১০টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।ভোরের আকাশ/এসএইচ
দুর্নীতির অভিযোগে চার ক্রিকেটারকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে ভারতের আসাম ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (এসিএ)। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) অমিত সিনহা, ইশান আহমেদ, আমান ত্রিপাঠি ও অভিষেক ঠাকুরি- এই চারজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায় সংস্থাটি।২০২৫ সালের সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় চার ক্রিকেটারের নামে রাজ্য পুলিশের অপরাধ শাখায় এফআইআরও দায়ের করেছে এসিএ। অভিযুক্ত চারজনই বিভিন্ন সময়ে আসামের হয়ে খেলেছেন।এসিএর অভিযোগ, ওই চার ক্রিকেটার টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া আসামের কয়েকজন খেলোয়াড়কে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিলেন এবং দুর্নীতিতে জড়াতে উসকানি দেন।এসিএর সম্পাদক সনাতন দাস জানান, অভিযোগ সামনে আসার পর বিসিসিআইয়ের অ্যান্টি করাপশন অ্যান্ড সিকিউরিটি ইউনিট (এএসসিইউ) বিষয়টি তদন্ত করে। একই সঙ্গে ফৌজদারি প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে গুরুতর অসদাচরণে সংশ্লিষ্টদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।চলতি মৌসুমে সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফির লিগ পর্বের ম্যাচগুলো হয় ২৬ নভেম্বর থেকে ৮ ডিসেম্বর। গতকাল থেকে শুরু হয়েছে সুপার লিগ পর্ব, টুর্নামেন্টের ফাইনাল হবে ১৮ ডিসেম্বর।নিষেধাজ্ঞার সময়কালে অভিযুক্ত চার ক্রিকেটার এসিএ পরিচালিত কোনো রাজ্য পর্যায়ের টুর্নামেন্ট বা ম্যাচে অংশ নিতে পারবেন না। পাশাপাশি জেলা সংস্থা বা সংযুক্ত ক্লাবের কোনো ক্রিকেট কার্যক্রমেও তাঁরা যুক্ত থাকতে পারবেন না।ভোরের আকাশ/মো.আ.
সচিবালয়ে ভাতা দাবিতে সরকারি আচরণবিধি অমান্য করে মিছিল, মিটিং ও আন্দোলন করার পাশাপাশি অর্থ উপদেষ্টাকে অবরুদ্ধ রাখার অভিযোগে ১৪ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে।শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ডিএমপি শাহবাগ থানায় এ মামলা দায়ের করা হয়। এফআইআর নং-৮, জি আর নং-৩৫০, খারা-৬/১২।মামলার আসামিরা হলেন-স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রোমান গাজী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পার্সোনাল অফিসার ও বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদীউল কবির, স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সংযুক্ত পরিষদের সহ-সভাপতি শাহীন গোলাম রব্বানী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক ও সংযুক্ত পরিষদের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক ও সংযুক্ত পরিষদের প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান সুমন।এছাড়া মামলার অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক আবু বেলাল, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক মোঃ কামাল হোসেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক বিপুল রানা বিপ্লব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক আলিমুজ্জামান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র রায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ইসলামুল হক, মহসীন আলী, তায়েফুল ইসলাম এবং মন্ত্রী-পরিষদ বিভাগের অফিস সহায়ক মোঃ নাসিরুল হক নাসির।মামলার পর সকল আসামীকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কোর্টে চালান করা হয়েছে।এর আগে গত বুধবার সচিবালয়ে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তারা ২০ শতাংশ সচিবালয় ভাতা দাবিতে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে ছয় ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ রাখেন। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় দাবি মেনে জিও (সরকারি আদেশ) জারি করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। এরপর সচিবালয়ের বাদামতলায় আন্দোলন পরিচালনা করা হয়। এই সময় সরকারি আচরণবিধি অমান্য করায় অন্তত চারজনকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।ডিএমপির ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি ডিভিশনের যুগ্ম কমিশনার সানা শামীনুর রহমান বলেন, রোববার থেকে সচিবালয় বন্ধের হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। যেসব কর্মচারী আইন ভঙ্গ করবে, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। গতকালকের ঘটনার ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে রয়েছে। আমরা দায়িত্ব অনুযায়ী চারজনকে অন দা স্পট গ্রেপ্তার করেছি। পরিস্থিতি যাচাই-বাছাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ ঘটনায় সচিবালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয় এলাকায় পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য মহার্ঘ ভাতা চালুর ঘোষণা দেওয়ার পরও তা কার্যকর হয়নি। নতুন বেতন কমিশনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। অর্থ উপদেষ্টা উল্লেখ করেছেন, বেতন কমিশন বাস্তবায়ন করবে নির্বাচিত সরকার। এর আগে ২২ জুনও সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে অর্থ বিভাগের সামনে কর্মচারীরা বিক্ষোভ করেছিলেন।সরকার সচিবালয়ে সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করে নিয়মিত আদেশ জারি করলেও, কর্মচারীরা বারবার তা অমান্য করে বিভিন্ন দাবিতে সমাবেশ ও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।ভোরের আকাশ/তা.কা
গোলাপ, জবা কিংবা জিনিয়ার পাশাপাশি ঘর সাজাতে এখন বাড়ছে সাকুলেন্ট গাছের কদর। অল্প যত্নে টিকে থাকা এই ‘পাথুরে গাছ’ শুধু ঘরের শোভাই বাড়ায় না, বরং বাগানের রূপেও আনে ভিন্নতা। মরুভূমি বা পাহাড়ি এলাকায় জন্মানো সাকুলেন্ট আজকাল সমতলেও চমৎকারভাবে বেড়ে উঠছে।পাতা, কাণ্ড বা মূল- গাছের প্রতিটি অংশেই পানি ধরে রাখার ক্ষমতা থাকার কারণে এগুলো দীর্ঘদিন সবুজ থাকে। আকর্ষণীয় পাতা, দৃষ্টিনন্দন গঠন ও সহজ পরিচর্যার কারণে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সাকুলেন্ট।সংগৃহীত ছবিসাকুলেন্টের বিশেষত্বকম যত্নে টিকে থাকে: অল্প পানি ও আলোয়ও বেড়ে ওঠে।দৃষ্টিনন্দন পাতা ও আকৃতি: ঘরের সৌন্দর্য বাড়ায়।ছোট জায়গাতেও মানিয়ে যায়: টেবিল, বারান্দা বা টেরারিয়ামে রাখা যায়।বাতাস পরিশোধনেও সহায়ক: কিছু প্রজাতি ঘরের বাতাস পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।দীর্ঘস্থায়ী: সঠিক যত্নে বছরের পর বছর বেঁচে থাকে।সংগৃহীত ছবিকোন সাকুলেন্ট কোথায় রাখবেনজায়গা- উপযোগী সাকুলেন্টঘরের ভেতর- অ্যালোভেরা, হাওরথিয়া, জেড প্ল্যান্ট, স্নেক প্ল্যান্টবারান্দা- একেভেরিয়া, সেদাম, এগেভঝোলানো টব- ডাঙ্কিজ় টেল, স্ট্রিং অব পার্লসঅনেক সাকুলেন্টে ছোট ছোট রঙিন ফুলও ফোটে, যা গাছকে করে তোলে আরও মোহময়।সংগৃহীত ছবিসাকুলেন্ট বসানো ও পরিচর্যার নিয়ম-সাকুলেন্টের শিকড় ছোট হয়, তাই চ্যাপ্টা টব ভালো। মাটির টব পানি নিষ্কাশনে সাহায্য করে। বড় গাছের জন্য এক টবে একটিই গাছ রাখুন। ছোট গাছ একসঙ্গে বসানো যায়।মাটি তৈরির পদ্ধতি২ ভাগ বাগানের মাটি + ১ ভাগ বালি + ১ ভাগ পিউমাইস (বা চারকোল/কয়লা গুঁড়া)। মাটি যেন পানি জমে না এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে।সংগৃহীত ছবিবসানোর নিয়মনার্সারি থেকে আনা গাছ আলতো করে শেকড়-সহ তুলে নতুন টবে বসান। একাধিক গাছ লাগালে তাদের মাঝে পর্যাপ্ত দূরত্ব রাখুন।সূর্যের আলোপ্রতিদিন অন্তত ৫–৬ ঘণ্টা হালকা রোদ লাগা জরুরি। আলো না পেলে গাছ দুর্বল হয়ে পড়ে।পানি দেওয়ার নিয়মপ্রতিদিন পানি দেওয়ার দরকার নেই। মাটি একেবারে শুকিয়ে গেলে তবেই পানি দিন। অতিরিক্ত পানি দিলে গাছ পচে যেতে পারে।সংগৃহীত ছবিসাকুলেন্টের যত্ন নিতে খুব বেশি ঝামেলা নেই। একটু রোদ, অল্প পানি আর একটু খেয়াল রাখলেই বছরের পর বছর বাড়ির শোভা বাড়াবে এই সবুজ বন্ধুরা। সঠিকভাবে যত্ন নিলে এরা হয়ে উঠতে পারে আপনার টেবিল, বারান্দা বা জানালার পাশে প্রাকৃতিক এক জীবন্ত শিল্পকর্ম।ভোরের আকাশ/তা.কা
ওমান উপসাগরে ছয় মিলিয়ন লিটার চোরাচালানকৃত ডিজেল বহনের অভিযোগে একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে ইরান। জাহাজটিতে বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মোট ১৮ জন নাবিক ছিলেন বলে জানিয়েছে ইরানি গণমাধ্যম।।ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, শুক্রবার রাত থেকে শনিবারের (১৩ ডিসেম্বর) মধ্যে এটিকে আটক করা হয়।ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স জানায়, হরমোজগান প্রদেশের উপকূলে জাহাজটি আটক করা হয়। আটককালে জাহাজটির সব নেভিগেশন সিস্টেম বন্ধ ছিল বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।ইরানি কর্তৃপক্ষ প্রায়ই উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানি পাচারের অভিযোগে জাহাজ জব্দের ঘোষণা দেয়। ইরানে জ্বালানির দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় প্রতিবেশী দেশগুলোতে পাচার লাভজনক হয়ে উঠেছে বলে মনে করা হয়।গত মাসেও গালফ অঞ্চলে একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছিল ইরান। সে সময় তেহরান জানায়, এটি কোনো দেশের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নয়।সর্বশেষ এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দুই দিন আগে যুক্তরাষ্ট্র ভেনিজুয়েলার উপকূলে একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ওই জাহাজটি ইরান ও ভেনিজুয়েলা থেকে তেল পরিবহন করছিল।ভোরের আকাশ/তা.কা
১২ ঘণ্টা আগে