তরুণরা সোচ্চার, সিনিয়ররা নীরব; মাদরাসা ইস্যুতে আক্ষেপ রুহুল আমিন সাদীর

মাদরাসাবিরোধী অপপ্রচার ও নেতিবাচক ন্যারেটিভ মোকাবিলায় আলেম সমাজ ও ইসলামী নেতৃত্বের আরও সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান জানিয়েছেন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট, লেখক ও গবেষক রুহুল আমিন সাদী।
রোববার (২৬ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, কওমি মাদরাসা নিয়ে চলমান অপপ্রচার প্রতিহত করতে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার হচ্ছেন তরুণ আলেম ও সদ্য দাওরা সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা। তারা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী লিখছেন, বলছেন এবং কাজ করার চেষ্টা করছেন। তবে অনেক সিনিয়র আলেম, দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও প্রভাবশালী নেতৃত্ব এ বিষয়ে প্রায় নীরব।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিদিন অসংখ্য বয়ান, মাহফিল ও আলোচনা হলেও মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে ঘিরে চলমান সংকট, অপপ্রচার ও করণীয় নিয়ে খুব কমই কথা বলা হচ্ছে। তার মতে, অনলাইনের ধারাবাহিক অপপ্রচার কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা না গেলে শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
রুহুল আমিন সাদী আরও বলেন, ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়লে এর প্রভাব শুধু মাদরাসা মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং ইসলামী দাওয়াহ, বয়ান, সামাজিক কার্যক্রম এবং ইসলামী রাজনীতির ওপরও দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বড় বড় মাদরাসাগুলোতেও ধীরে ধীরে শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি মনে করেন, সময় থাকতে মাদরাসাগুলোতে প্রয়োজনীয় সিস্টেম, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপপ্রচারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ও সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এর মূল্য দিতে হতে পারে।
পোস্টের শেষাংশে তিনি আল্লাহর কাছে সবার জন্য সঠিক উপলব্ধি, দূরদৃষ্টি এবং সময়োপযোগী দায়িত্ববোধের তাওফিক কামনা করেন।
ভোরের আকাশ/এনএ