দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভরি প্রতি সর্বোচ্চ ৬ হাজার ২৯৯ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা। এই দাম দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ।শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১২টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, দেশে আজ বেলা সোয়া ১২টা থেকে ২২ ক্যারেট এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা।২১ ক্যারেট ২ লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৯ হাজার ১৩৬ এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা।এর আগে টানা তিন দফা বড় উত্থানের পর বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত নয়টায় স্বর্ণের ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা কমানোর ঘোষণা দেয় বাজুস, যা শুক্রবার সকাল থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।তাতে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়ায় ২ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৮ টাকা। এই দাম কার্যকরের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে যতটুকু দাম কমেছিল তার দ্বিগুণ বেড়ে গেল।ভোরের আকাশ/মো.আ.
১ দিন আগে
রমজান শুরুর বাকি আর মাত্র একমাস। তবে রমজান ঘিরে এরই মধ্যে বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষত রমজানে যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি থাকে সেগুলোর দাম এখনই বেশ চড়া। যার মধ্যে অন্যতম ছোলা ও চিনি। গত কয়েকদিনে এ দুটি ভোগ্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বাজারের অস্থিরতা যেন এখন স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কোথাও কোনো কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই। দ্রব্যমূল্য কার্যত সিন্ডিকেটের হাতে বন্দি।বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সরবরাহে কোনো ধরনের সংকট না থাকলেও পাইকারি বাজারে ছোলা-চিনির মতো পণ্যগুলোর দাম বেড়েছে। যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারেও। রমজানে বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে এক শ্রেণির ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ খুচরা বিক্রেতাদের।এদিকে ভরা মৌসুম হওয়ার কারণে কমেছে দেশি পেঁয়াজের দাম। এছাড়া সবজির ও ফার্মের মুরগির ডিমের দাম কমে এলেও ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে।শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর মুগদা, রামপুরা, মালিবাগ, সেগুনবাগিচাসহ কয়েকটি খুচরা ও পাইকারি বাজার ঘুরে এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব চিত্র দেখা গেছে।বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এখন প্রতি কেজি ছোলা ১০০ থেকে ১১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহখানেক ধরেই পাইকারি বাজারে ছোলার দাম বাড়তে শুরু করেছে। অথচ এক সপ্তাহ আগেও খুচরা বাজারে ছোলা বিক্রি হয়েছে ৯০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে।রামপুরা বাজারের মুদি দোকানি এনামুল হক বলেন, পাইকারি বিক্রেতারা ছোলার দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। যার প্রভাব পড়েছে খুচরায়। তবে ছোলার সরবরাহে ঘাটতি নেই।শুধু ছোলা নয়, একই অবস্থা চিনির দামেও। বাজারে গত বছরের চেয়েও চিনির সরবরাহ স্বাভাবিক। তারপরও বাজারে পণ্যটির দাম বেড়ে যাচ্ছে। যদিও আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দামে স্থিতিশীলতা রয়েছে।জানা গেছে, এক মাস আগেও প্যাকেটজাত চিনির দাম ছিল ১০০ থেকে ১০৫ টাকা। এখন অবশ্য সবগুলো সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্যাকেটজাত চিনির দামই ১০৫ টাকা করা হয়েছে। আর খোলা চিনি যেখানে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হতো, সেখানে এখন কোনো দোকানেই ১১০ টাকার কমে চিনি মিলছে না।মুগদার আল আমিন নামের একজন ক্রেতা বলেন, রমজানে যেসব পণ্যের বাড়তি চাহিদা থাকে সেগুলোর দাম বাড়ানো ব্যবসায়ীদের এক ধরনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। প্রতিবারই এটা হয়। এবারও ব্যতিক্রম হবে না।এ দুই মুদি পণ্যের দাম বাড়লেও স্বস্তি ফিরেছে পেঁয়াজের দামে। ধারাবাহিকভাবেই পণ্যটির দাম কমছে। এখন প্রতি কেজি নতুন দেশি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকার মধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে। আর বাজারে বিক্রি হওয়া সিংহভাগ পেঁয়াজ দেশি। অন্যদিকে, ভারত থেকে আমদানি হয়ে আসা কিছু পেঁয়াজ এখনো ৭০ টাকা বা তারও বেশি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।এদিকে কয়েক মাস ধরে স্থিতিশীল থাকার পর সপ্তাহখানেক আগে মুরগির দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছিল। এখনো সেই বাড়তি দামে আটকে আছে। এখন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৮৫ টাকার মধ্যে বিক্রি হতে দেখা গেছে। আর সোনালি মুরগির দাম ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা থেকে বেড়ে ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।তবে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম এখনো বাড়েনি। বেশ কিছুদিন ধরে মুরগির ডিমের দাম অন্য সময়ের তুলনায় বেশ কম। প্রতি ডজন বাদামি রংয়ের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা এবং সাদা ডিম ১০০ থেকে ১০৫ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।এছাড়া শীতের সবজির দামও গত দুই সপ্তাহ বাড়লেও এখন আবার কিছুটা কমতে শুরু করেছে। এর মধ্যে ফুলকপির দাম ৫০ টাকা থেকে কমে এখন ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় নেমেছে। বাধাকপি প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। নতুন আলুর দাম মান ও বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়।অন্যদিকে, শিম ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। বেগুন মানভেদে প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৭০ টাকায়, টমেটোর ৫০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে অন্য পণ্যগুলো আগের দামেই বিক্রি হতে দেখা গেছে।ভোরের আকাশ/মো.আ.
১ দিন আগে
চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়ার চর ও পানগাঁও নৌ টার্মিনাল পরিচালনা ও নির্মাণের লক্ষ্যে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পাদিত ‘গোপন’ কনসেশন চুক্তি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার স্বার্থে এই চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিষয়বস্তু প্রকাশ এবং তা স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন তারা।বুধবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০ শিক্ষার্থী ডাকযোগে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়সহ সরকারের ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।শিক্ষার্থীরা চিঠিতে উল্লেখ করেন, গত ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ডেনমার্কভিত্তিক ‘এপিএম টার্মিনালস’ এবং সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ‘মেডলগ এসএ’-এর সঙ্গে অস্বাভাবিক দ্রুততায় দুটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষর করে। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়া সত্ত্বেও এই চুক্তির বিষয়বস্তু জনসম্মুখে প্রকাশ না করাকে তারা সংবিধানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পরিপন্থী বলে দাবি করেছেন।চিঠিতে আরও বলা হয়, এসব চুক্তিতে বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে দীর্ঘ ৪৮ বছরের (৩+৩০+১৫ বছর) জন্য কনসেশনিয়ার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কোনো উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়া এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের সুযোগ না দিয়ে মাত্র ১১ থেকে ১৩ দিনের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।তাদের দাবি, প্রতি কনটেইনারে ১৬৭ ডলার মাশুলের পরিবর্তে মাত্র ২১ ডলার ধার্য করায় রাষ্ট্র বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাবে।শিক্ষার্থীরা শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ফিলিস্তিনে গণহত্যার অংশীদার ইসরায়েলে অস্ত্র পরিবহনে অভিযুক্ত আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এমন চুক্তি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও নৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। দীর্ঘমেয়াদে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর বিদেশি নিয়ন্ত্রণের অধীনে গেলে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবি:১. ওই ‘নন-ডিসক্লোজার’ কনসেশন চুক্তিগুলোর সম্পূর্ণ বিষয়বস্তু বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে জনসম্মুখে প্রকাশ করা।২. নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি স্বাধীন উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা।৩. পর্যালোচনা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত চুক্তির আওতায় সব কার্যক্রম স্থগিত রাখা।ভোরের আকাশ/তা.কা
২ দিন আগে
দেশের বাজারে সোনার দাম পুনরায় বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ভরিতে ৮,৩৩৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫২,৪৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ মূল্য।বাজুস বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়। নতুন দাম বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৬ হাজার ৫৬৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫২ টাকা। ভোরের আকাশ/এনএস
৩ দিন আগে