ঢাকাই চলচ্চিত্রের একসময়ের জনপ্রিয় নায়ক ওমর সানী এখন আগের মতো নিয়মিত অভিনয় করছেন না। শেষবার তাকে দেখা গেছে ‘ডেডবডি’ সিনেমায়। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।ব্যবসার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি সক্রিয় থাকেন। বিভিন্ন ইস্যুতে তার মন্তব্য এবং প্রকাশিত মনোভাব অনেক সময় ভাইরাল হয়ে যায় এবং কখনও কখনও ট্রোলের লক্ষ্য হয়। সম্প্রতি তিনি একটি রহস্যময় পোস্ট শেয়ার করেছেন, যা ভক্ত এবং নেটিজেনদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।মধ্যরাতে চিত্রনায়িকা মুক্তিকে ট্যাগ দিয়ে একটি পোস্ট করেছেন তিনি। যদিও কেন সেই পোস্ট তার কোনোকিছুই পরিষ্কার করে বলেননি। তবে তার ইঙ্গিতে বুঝা যাচ্ছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সাধারণ সম্পাদককে খুঁজছেন।বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন ওমর সানী। তাতে ট্যাগ করেন ‘চাঁদের আলো’ সিনেমায় তার নায়িকা হয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হওয়া অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তিকে। সঙ্গে ওমর সানী লিখেছেন, কিরে তোর সাধারন সম্পাদক কই, দেখলাম না?সেই পোস্টের মন্তব্য ঘরে অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি লিখেছেন, আপনি তো আমাকে কখনও তুই করে বলেন না ওমর সানী ভাই, কার ট্যাগ কাকে করেছেন।উত্তরে ওমর সানী আবার লিখেছেন, তুমি তো আর প্রেসিডেন্ট না। তুমি তো আলো, চাঁদের আলো।২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও অভিনেতা ডিপজলকে কোনো প্রকাশ্য অনুষ্ঠান বা শিল্পী সমিতির কার্যক্রমে দেখা যায়নি। মূলত ফেসবুক পোস্টেই সীমাবদ্ধ থাকতে দেখা গেছে তাকে। গতকাল অভিনেতা জাভেদের মৃত্যুতেও দেখা মেলেনি তার। ধারণা করা হচ্ছে সেই বিষয়টিকেই ইঙ্গিত করে ডিপজলকে খুঁজছেন ওমর সানী। ভোরের আকাশ/এনএস
১ দিন আগে
শোবিজ অঙ্গনের তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ কমে নেই। বিশেষ করে প্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীর বিয়ের খবর জানার জন্য তারা সবসময় উদগ্রীব থাকেন। সম্প্রতি সহকর্মী রাফসান ও জেফারের বিয়েতে হাসি-খুশি মেজাজে উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল।বন্ধুদের বিয়েতে আনন্দ উদযাপন করলেও নিজের বিয়ে নিয়ে আপাতত কোনো মন্তব্য করেননি তিনি। সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় সুনেরাহ নিজের বিয়ের পরিকল্পনা নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন।কবে বিয়ে করছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে কিছুটা হাসিমুখে অভিনেত্রী বলেন, ‘বিয়ের কোনো পরিকল্পনা আমার আপাতত নেই। যা নিয়ে এখনো কোনো ভাবনাই শুরু করিনি, তা নিয়ে বানিয়ে কী বলব?’বন্ধুদের বিয়েতে সরব উপস্থিতির বিষয়ে অভিনেত্রী জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে সবারই শুভাকাঙ্ক্ষী। তার ভাষ্যমতে, ‘আমার কাছের মানুষদের খুশি দেখতে আমার ভালো লাগে।’‘আমি সবসময় ইতিবাচকভাবে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করি। পরিবার বা বন্ধুদের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারাটা আমার কাছে আনন্দের।’ বর্তমানে সুনেরাহ নিজের অভিনয় ও ক্যারিয়ার নিয়েই বেশি ব্যস্ত সময় পার করছেন।এখনই সংসারী হওয়ার কোনো ভাবনা তার মনে নেই বললেই চলে। ভক্তদের উদ্দেশ্যে তিনি জানিয়েছেন, সময় হলেই সবাই সব জানতে পারবেন। আপাতত কাজ দিয়েই দর্শকদের হৃদয়ে টিকে থাকতে চান এই গ্ল্যামার কন্যা। ভোরের আকাশ/এনএস
২ দিন আগে
দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর চলচ্চিত্র অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার উত্তরার একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। প্রথম আলোকে জাভেদের মৃত্যর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর চিত্রনায়িকা স্ত্রী ডলি চৌধুরী। অভিনেতার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি ক্যানসারে ভুগছিলেন।ডলি চৌধুরী বললেন, ‘আজ সকালে উনার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়। এমনিতে তো তাঁকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল। একটা সময় বাসায় রেখে তাঁর চিকিৎসাসেবা চালিয়ে নেওয়া হয়। হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক ও দুজন নার্স এসে বেশ কিছুদিন ধরে তাঁর চিকিৎসাসেবা দিচ্ছিলেন।আজ সকালে দুজন নার্স এসে জানান, তাঁর সারা শরীর ঠান্ডা। এরপর অ্যাম্বুলেন্স ডেকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে তাঁর চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’ষাটের দশকে নৃত্য পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন জাভেদ। তাঁর চলচ্চিত্রে প্রথম নৃত্য পরিচালনা ছিল কায়সার পাশার পরিচালনায় উর্দু সিনেমা ‘মালান’–এ।১৯৬৪ সালে উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র ‘নয়ি জিন্দেগি’ দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু হয় জাভেদের। তাঁর অভিনীত আলোচিত ছবির তালিকায় রয়েছে ‘মালকা বানু’, ‘অনেক দিন আগে’, ‘শাহজাদী’, ‘নিশান’, ‘রাজকুমারী চন্দ্রবান’, ‘কাজল রেখা’, ‘সাহেব বিবি’ ইত্যাদি।ভোরের আকাশ/মো.আ.
২ দিন আগে
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।এবার তাকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর।চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো।উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা।একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।ভোরের আকাশ/মো.আ.
২ দিন আগে