শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সাপ্তাহিক বাজার দর

বেড়েছে মুরগির দাম, লেবুর হালি ৬০ টাকা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

কয়েক সপ্তাহ কম দাম থাকার পরে গত সপ্তাহ ধরে বাজারে মুরগির দাম বাড়ছে। এদিকে, এ সপ্তাহে লেবুর দামে দেখা গেছে বড় পরিবর্তন।  বিক্রেতারা জানিয়েছেন, অন্য বছরগুলোতে রমজানের মাসখানেক আগে থেকেই কিছু পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। তবে এবার দাম বাড়েনি, কিছু ক্ষেত্রে উল্টো কমেছে। 

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে প্রতি হালি লেবু ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যদিও, এই লেবুর দাম সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে। আর ছোট আকারের লেবুর হালি ২০ টাকা ছিল, যা এখন ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, শসার দাম আরও আগেই বেড়েছে। প্রতি কেজি শসা কিনতে হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে। কোথাও কোথাও অবশ্য ৮০ টাকাতেও বিক্রি করতে দেখা গেছে। আর বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, শবে বরাতের দুদিন আগে থেকেই লেবুর দাম বাড়তে শুরু করেছে। যদিও প্রতি বছর লেবুর দাম বেড়ে যায় রোজার শুরুতে।

এ দুটি পণ্য ছাড়া বাকি পণ্যগুলোর দাম স্বাভাবিক রয়েছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে ছোলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে। মাসখানেক আগে ছোলার কেজি ছিল ৯০ থেকে ১১০ টাকা। এক বছর আগে দাম আরও বেশি ছিল। গত বছরের এ সময় প্রতি কেজি ছোলা কিনতে ভোক্তার খরচ করতে হয়েছিল ১১৫ থেকে ১৩০ টাকা। প্রতি কেজি অ্যাংকর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। গত বছরের একই সময় এ ধরনের ডালের কেজি বিক্রি হয়েছিল ৭০ থেকে ৮৫ টাকা। বড় দানার মসুর ডালের কেজি গত বছরের এ সময় ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন কেনা যাচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়।

একই পরিস্থিতি রয়েছে চিনির বাজারে। এক মাস আগে চিনির কেজি ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন কেনা যাচ্ছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায়। গত বছরের এ সময় এক কেজি চিনি কিনতে ক্রেতাকে গুণতে হয়েছিল ১২০ থেকে ১২৫ টাকা।

অন্যদিকে, এখন পেঁয়াজের বাজারও স্বাভাবিক। মাত্রই মৌসুমের পেঁয়াজ বাজারে আসা শুরু করেছে, এ কারণে দামও সহনীয়। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া, ভোজ্যতেলের বর্তমানে বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন ১৭৫ থেকে ১৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি লিটার খোলা পামওয়েল বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬২ টাকা দরে।

ডিমের দাম আরও কমেছে। প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১৫ টাকার মধ্যে। তবে, বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকার মধ্যে। যা আগে কেজিপ্রতি ১০ টাকা কম ছিল। একইসঙ্গে সোনালি মুরগির দাম বেড়ে প্রতি কেজি ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। শবে বরাতের আগে ২৮০-৩০০ টাকা ছিল এসব মুরগি।

 ভোরের আকাশ/আ.র

সাপ্তাহিক বাজার দর

শেয়ার করুন: