মেগা প্রকল্পে বিলম্ব, তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা

দীর্ঘদিন ধরে চলমান মেগা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে বিলম্ব, বারবার ব্যয় বৃদ্ধি ও জবাবদিহির ঘাটতি নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সরকার। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও গতি আনতে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে একাধিক সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।বুধবার (২২ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। এর আগে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়হীনতা, দুর্বল জবাবদিহি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে অনেক প্রকল্পে অস্বাভাবিক বিলম্ব হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ব্যয় বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি, ভ্যাট-কর সমন্বয়, নতুন উপাদান যুক্ত হওয়া এবং ইউটিলিটি লাইন স্থানান্তরের অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে।
তিনি জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আনতে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে চারটি বড় সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উন্নয়ন কার্যক্রমের কৌশলগত ফ্রেমওয়ার্ক চূড়ান্তকরণ, প্রকল্প পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড চালু, প্রকল্প পরিচালকদের (পিডি) নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ নীতিমালা এবং চলমান প্রকল্পগুলোর পুনর্মূল্যায়ন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়াতে পরিকল্পনা বিভাগ, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি, এনবিআর, আইসিটি বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাল সেবাগুলো সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
খুলনার রূপসার একটি দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা সড়ক প্রকল্পের তদন্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোরের আকাশ/ইউএম