শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

টিআইবি বাস্তব সংস্কার কার্যক্রম দেখতে ব্যর্থ: অর্থ উপদেষ্টা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) অনেক ক্ষেত্রে বাস্তব সংস্কার কার্যক্রম দেখতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, ‘টিআইবির লোকজন সবকিছু দেখতে পারে না ওদের তো দিব্য দৃষ্টি নেই বা ভালো দৃষ্টি নেই’। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গতকাল টিআইবি বলেছে, বর্তমান সরকার যতটা দৃশ্যমান দেখাচ্ছে, বাস্তবে উন্নয়ন বা সংস্কার ততটা হয়নি– এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘টিআইবির লোকজন সবকিছু দেখতে পারে না। ওদের তো দিব্যদৃষ্টি নাই বা ভালো দৃষ্টিও নাই। দেখতে চাইলেও দেখতে পারে না অনেক কিছু। শুধু রিফর্মের আইন-টাইন তো দেখবেন না। কতগুলো প্রসেস সিমপ্লিফাই করেছি, আপনারা জানেন? আগে বাইরের ওয়েজ স্কিম পারমিশন নিতে হতো, আমরা বলছি না অটোমেটিক হবে। এগুলো আপনারা দেখেন না কেন, কী কী করেছি আমরা।

একসময় টিআইবির প্রশংসা করলেও ক্ষমতায় গিয়ে টিআইবিকে বাঁকা চোখে দেখছেন কি না– এমন প্রশ্নে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, না না, এখনো কিন্তু আমি বদনাম করছি না। বাট আমি বলি যেগুলো ফান্ডামেন্টাল জিনিস, তোমরা একটু দেখো। আর না দেখার ইচ্ছা থাকলে তো অনেক কিছু করা যায়। আমাকে কোনোদিন দেখছেন বাইরে থাকতে আলতু-ফালতু কথাবার্তা বলে ক্রিটিসাইজ করেছি? আমি সবসময় কিন্তু বেসিক জিনিসের ওপর কথা বলেছি।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান সংস্কার কমিশনের সদস্য ছিলেন– সাংবাদিকরা এ কথা মনে করিয়ে দিলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, শোনেন, মানুষের এক্সপেক্টেশন ডেফিনেটলি আছে। আমরা ভাবছিলাম সংস্কারটা করে যাব। কিন্তু সংস্কার করতে হলে সবার সহযোগিতা লাগে, প্রসেসটা ঠিকমতো লাগে। আমি ভেতরে দেখেছি প্রসেসে এত গলদ, আপনি চিন্তা করতে পারবেন না। আমি ভেতরে আছি তো... তবু তো আমি অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনেক কিছু ইজি করে দিয়েছি। আমি ইমিডিয়েটলি সলিউশন দেই। অন্যান্যরা তো পারছে না, দেখেন না। তাদের তো অনেক হতাশা আছে, অনেক উপদেষ্টার।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি তো সিভিল সার্ভিসে ছিলাম, আমি ট্রেন হইছি। আমি জানি কীভাবে কী করতে হয়। সবার তো ওটা জানা নেই। সহযোগিতা না পেলে কিন্তু ডিফিকাল্ট। আমি ফ্র্যাঙ্কলি বলি, বাংলাদেশের মতো জায়গাটায় কাজ করা রিয়েলি ডিফিকাল্ট। এখানে প্রসেসগুলো এত কমপ্লিকেটেড, এত বেশি ইন্টারভিন প্রবলেম, এটা জট ছাড়ানোর মতো।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

টিআইবিঅর্থ উপদেষ্টা

শেয়ার করুন: