শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশেষ নিলামের মাধ্যমে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
বিশেষ নিলামের মাধ্যমে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার
বিশেষ নিলামের মাধ্যমে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জনান,  বিশেষ নিলামের মাধ্যমে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেবে সরকার।। আগামী ৮ এপ্রিল ৯১ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের এই বিশেষ নিলাম আয়োজন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে চলতি মাসেই বিশেষ নিলামের মাধ্যমে মোট ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেবে সরকার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সরকারের অর্থের চাহিদা বাড়ায় ব্যাংক খাত থেকে এই অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। সরকারের রাজস্ব আয়ে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ঘাটতি রয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারের অর্থের প্রয়োজন বাড়ছে। এ অবস্থায় ব্যাংক খাতই সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে উঠেছে।

বর্তমানে ব্যাংক খাতে তারল্যের প্রবাহ বেশি রয়েছে। গত মাসের শেষদিকে ব্যাংকগুলো প্রায় সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (রিভার্স রেপো) করেছে। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে বাজার থেকে এই মুহূর্তে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব।

এছাড়া চলতি বছরের শুরু থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ডলার কিনছে। ফলে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় টাকার পরিমাণ আরও বেড়েছে।

সাধারণত প্রতি সপ্তাহের রোববার নিয়মিত ট্রেজারি বিলের নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। তবে নির্ধারিত ক্যালেন্ডারের বাইরে গিয়ে বিশেষ নিলাম আয়োজনের অর্থ হলো, সরকারের অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডসহ সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের কারণেও কোষাগারে অর্থের চাহিদা বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল থেকে জুন এই তিন মাসে ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে সরকার মোট ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার স্বল্পমেয়াদি ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে ৯১ দিন মেয়াদি বিলের মাধ্যমে ৪৪ হাজার কোটি টাকা, ১৮২ দিন মেয়াদি বিলের মাধ্যমে ৩৬ হাজার কোটি টাকা এবং ৩৬৪ দিন মেয়াদি বিলের মাধ্যমে ৩০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ট্রেজারি বন্ডের মাধ্যমে আরও ৩৯ হাজার কোটি টাকার মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সরকারের ঋণের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে এই নিলাম সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে নেওয়া সব ঋণ সরকারের নিট ঋণ নয়। আগে ইস্যু করা বিল ও বন্ডের মেয়াদ শেষ হলে সেগুলো নতুন নিলামের মাধ্যমে নবায়নও করা হবে।

বর্তমানে বেসরকারি খাতে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ৬ দশমিক ০৩ শতাংশে। বিনিয়োগ চাহিদা কম থাকায় ব্যবসায়ীরা নতুন ঋণ নিচ্ছেন কম। ফলে ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত তারল্য তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে শতভাগ নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ভোরের আকাশ/আ.র

১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ

শেয়ার করুন: