শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাত ৯টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা রাখতে চান ব্যবসায়ীরা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ মে ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ক্রেতাদের কেনাকাটার সুবিধা বাড়াতে শপিংমল বন্ধের সময় সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ৯টা করার দাবি জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতি।

সংগঠনটির সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিপুর সই করা চিঠিতে এ দাবি জানানো হয়। রোববার (৩ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করে সমিতি।

চিঠিতে বলা হয়, শপিংমল সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। কারণ দেশের অধিকাংশ ক্রেতা অফিস শেষে সন্ধ্যার পর কেনাকাটা করেন। নির্ধারিত সময়ের আগে দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিক্রি কমে গেছে এবং ব্যবসার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হচ্ছে।

বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বহু প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা বেকারত্ব বৃদ্ধির কারণ হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বিক্রি কমে গেলে সরকারের ভ্যাট ও ট্যাক্স আদায়ও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে, সন্ধ্যার পর অননুমোদিত ভ্যানভিত্তিক ব্যবসা অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। এতে নিয়মতান্ত্রিক ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং বাজারে অসম প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে।

সমিতি জানায়, ব্যবসায়ীরা সবসময় সরকারি নীতিমালা মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজনে বিদ্যুৎ সাশ্রয়, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তারা।

আরও পড়ুন

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চায় সরকার : তথ্যমন্ত্রী

বিকল্প প্রস্তাব হিসেবে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রয়োজনে শপিংমল খোলার সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টা করা যেতে পারে। এতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব হবে এবং একই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা সন্ধ্যা পর্যন্ত পর্যাপ্ত সময় পাবেন।

শেষে, ব্যবসায়ী সমাজ, কর্মসংস্থান ও সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করে ঈদের আগে শপিংমল অন্তত রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ভোরের আকাশ/আ.র

শপিংমল

শেয়ার করুন: