শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিএসইসি চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন

আইপিও তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক চান সাধারণ বিনিয়োগকারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৬, ৯:৪১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বেসরকারি ও বহুজাতিক কোম্পানির ডাইরেক্ট লিস্টিং নিরুৎসাহিত করে আইপিও (IPO)-এর মাধ্যমে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। একই সঙ্গে বিশেষ পরিস্থিতিতে কোনো বেসরকারি কোম্পানিকে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের অনুমতি দেওয়া হলেও পরিশোধিত মূলধনের (Paid-up Capital) অন্তত ২০ শতাংশ শেয়ার বাজারে অফলোড এবং বিনিয়োগকারী সুরক্ষায় কঠোর শর্ত আরোপের প্রস্তাব দিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের কাছে একটি আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।

আবেদনে বিনিয়োগকারীরা উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে পুঁজিবাজারে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্বল নীতিমালা ও সুশাসনের অভাবে অসংখ্য সাধারণ বিনিয়োগকারী ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। বর্তমান কমিশনের নেতৃত্বে বাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি মানসম্পন্ন নতুন আইপিওর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশা রয়েছে বলেও তারা জানান।

তাদের দাবি, সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে বাজারে এলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আইপিওতে অংশগ্রহণের সুযোগ হারাবেন। বিশেষ করে নতুন বিনিয়োগকারী, শিক্ষার্থী, গৃহিণী এবং স্বল্প মূলধনের বিনিয়োগকারীদের জন্য আইপিওই শেয়ারবাজারে প্রবেশের সবচেয়ে কার্যকর ও নিরাপদ মাধ্যম।

আবেদনে ২০০৬ সালের পর ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, এ পর্যন্ত ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত ১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র দুটি সরকারি কোম্পানি ইতিবাচক রিটার্ন দিতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে বেসরকার আটটিপ্রতিষ্ঠানের বর্তমান শেয়ারদর তালিকাভুক্তির মূল্যের নিচে অবস্থান করছে। ফলে ডাইরেক্ট লিস্টিং দীর্ঘমেয়াদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশিত সুফল দিতে পারেনি বলে আবেদনকারীদের অভিমত।

বিনিয়োগকারীদের মতে, আইপিওর মাধ্যমে কোম্পানি নতুন মূলধন সংগ্রহ করে, যা ব্যবসা সম্প্রসারণ, উৎপাদন বৃদ্ধি ও নতুন বিনিয়োগে ব্যবহৃত হয়। বিপরীতে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ে কোম্পানির কোষাগারে নতুন অর্থ আসে না; বিদ্যমান উদ্যোক্তা বা পরিচালকরা তাদের মালিকানাধীন শেয়ার বিক্রির সুযোগ পান। এজন্য বেসরকারি কোম্পানির ক্ষেত্রে ডাইরেক্ট লিস্টিং নীতিগতভাবে নিরুৎসাহিত করা উচিত বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

আশুলিয়ার ছাত্র-যুব সমাজের উদ্যোগে চট্টগ্রামের বন্যার্ত পরিবারে ত্রাণ

তবে জাতীয় স্বার্থে ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের অনুমতি দেওয়ার প্রয়োজন হলে কয়েকটি শর্ত আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের অবশিষ্ট শেয়ারের ওপর পাঁচ বছরের লক-ইন, লক-ইন চলাকালে শেয়ার হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা, নগদ লভ্যাংশ প্রদানের নীতি অনুসরণ এবং কমিশনের কঠোর তদারকি। পাশাপাশি কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের কমপক্ষে ২০ শতাংশ শেয়ার বাজারে অফলোডের বিধান রাখারও সুপারিশ করা হয়েছে।

আবেদনের উপসংহারে বলা হয়, দেশের পুঁজিবাজার শুধু বড় উদ্যোক্তাদের মূলধন সংগ্রহের মাধ্যম নয়; এটি লাখো সাধারণ বিনিয়োগকারীর সঞ্চয় ও আস্থার প্রতিফলন। তাই সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া বেসরকারি ও বহুজাতিক কোম্পানির ক্ষেত্রে আইপিওভিত্তিক তালিকাভুক্তির নীতি বহাল রেখে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ভোরের আকাশ/এনএস

শেয়ার করুন: