শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

২৬ ব্যাংক থেকে এক দিনে ৩৫ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

অর্থনীতি ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:৫১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
২৬ ব্যাংক থেকে এক দিনে ৩৫ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক
২৬ ব্যাংক থেকে এক দিনে ৩৫ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

বাজারে ডলারের দাম স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও বড় আকারে ডলার কিনেছে। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ৩৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার সংগ্রহ করেছে। প্রতিটি ডলার কেনা হয়েছে ১২১ টাকা ৭৫ পয়সা দরে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত ১৭৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার কেনা হলো। এর ফলে একদিকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে, অন্যদিকে ডলারের মূল্যও ১২০ টাকার ওপরে স্থিতিশীল থাকছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, প্রতিদিন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অংশীদার দেশগুলোর মুদ্রা বাজারের ওঠানামা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা–সরবরাহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এ জন্য প্রতিদিন সকালে ডলারের রেফারেন্স রেট ঘোষণা করা হয়। বাজারমূল্য রেফারেন্স রেটের নিচে নেমে গেলে বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনে নিচ্ছে।

চলতি বছরের মার্চ থেকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হতে শুরু করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কেনা শুরু করে। এর আগে তিন অর্থবছরে ডলারের ঘাটতি মেটাতে ২৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি রিজার্ভ থেকে বিক্রি করা হয়েছিল, যা মূলত জ্বালানি, সার ও খাদ্য আমদানিতে ব্যয় হয়।

২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর ডলারের ঘাটতি বাড়তে থাকে। তখন বাজারে ডলারের দাম ৮৫ টাকা থেকে বেড়ে ১২২ টাকায় পৌঁছায়। এতে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ে। সেই সময় রিজার্ভ থেকে বিপুল ডলার বিক্রির পরও দাম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয় বেড়ে পরিস্থিতি বদলেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসী আয় এসেছে ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসেই প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৮ দশমিক ৪১ শতাংশ। পাশাপাশি রপ্তানি আয়েও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।

ফলে বর্তমানে বাজারে ডলারের সরবরাহ স্বাভাবিকের চেয়েও বেশি। এই পরিস্থিতিতে দাম কমে না গিয়ে স্থিতিশীল রাখতেই বাজার থেকে ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ভোরের আকাশ//হ.র

বাংলাদেশ ব্যাংকেডলার

শেয়ার করুন: