শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জানালেন মুফতি তাকি উসমানী

‘ক্রিপ্টোকারেন্সিতে কেনাবেচা ইসলামসম্মত নয়’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানী ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে পণ্য বা সেবা কেনাবেচাকে শরিয়াহসম্মত নয় বলে ফতোয়া দিয়েছেন।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দি নিউজ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতামত ও দীর্ঘ পর্যালোচনার ভিত্তিতে দেওয়া এই ফতোয়ায় ক্রিপ্টোকারেন্সিকে শরিয়াহর দৃষ্টিতে ‘মাল’ (সম্পদ) হিসেবে গণ্য করা যায় না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ এটি বাস্তব সম্পদ নয়, বরং ডিজিটাল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত ভার্চুয়াল তথ্য।

ফতোয়ায় মুফতি তাকি উসমানী বলেন, ইউএসডিটি (টেথার) বা অন্য কোনো ক্রিপ্টো টোকেন ব্যবহার করে পণ্য কেনাবেচা শরিয়তসম্মত নয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফতোয়াটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে হাসান উসমানী। তিনি জানান, এটি মুফতি তাকি উসমানীর জারিকৃত প্রকৃত ফতোয়া।

আরও পড়ুন

জুমার দিন আসরের নামাজের পরে যে আমলে ৮০ বছরের গুনাহ মাফ হয়

জিও নিউজের তথ্য অনুযায়ী, এক ব্যক্তির প্রশ্নের জবাবে এই ফতোয়া দেওয়া হয়। ওই ব্যক্তি ক্রিপ্টোকারেন্সি দিয়ে দুটি বই কেনার বৈধতা সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। জবাবে বলা হয়, যেহেতু এ ধরনের লেনদেন বৈধ নয়, তাই বইগুলো বিক্রেতার কাছে ফেরত দিতে হবে।

এছাড়া কপিরাইট লঙ্ঘন করে তৈরি কোনো শিক্ষামূলক কোর্স ক্রয় ও ব্যবহারও শরিয়াহসম্মত নয় বলে ফতোয়ায় উল্লেখ করা হয়েছে। এমন কোর্সের ডিজিটাল কনটেন্ট ডিভাইস থেকে মুছে ফেলারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ভোরের আকাশ/এনএ

মুফতি তাকি উসমানীক্রিপ্টোকারেন্সি

শেয়ার করুন: