শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ফেব্রুয়ারির ২৫ দিনেই এলো ২.৭৯ বিলিয়ন ডলার

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৫ দিনেই দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ২৭৯ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার (২.৭৯ বিলিয়ন), যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। গত বছর একই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২২৮ কোটি ১০ লাখ ডলার।

এছাড়া শুধু ২৫ ফেব্রুয়ারিতেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। মাসের শেষভাগে এসে রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।


অর্থবছরজুড়ে শক্ত অবস্থান

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের (জুলাই-২৫ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত) প্রথম প্রায় আট মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২২২২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে (জুলাই ২০২৪ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) এসেছিল ১৮২৪ কোটি ২০ লাখ ডলার।

সে হিসাবে চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ২১ দশমিক ৮ শতাংশ। অর্থনীতিবিদদের মতে, এ ধরনের দ্বি-অঙ্কের প্রবৃদ্ধি বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

কেন বাড়ছে রেমিট্যান্স?

বিশ্লেষকদের মতে, কয়েকটি কারণে প্রবাসী আয় প্রবাহে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে— ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রণোদনা ও সহজ প্রক্রিয়া, হুন্ডির বিরুদ্ধে নজরদারি জোরদার, বিনিময় হার তুলনামূলক বাজারমুখী হওয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে কর্মসংস্থানের সম্প্রসারণ।

ফলে প্রবাসীরা এখন বেশি হারে বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে আগ্রহী হচ্ছেন।

রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব

রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস। রফতানি আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয় বাড়লে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ শক্তিশালী হয়, আমদানি ব্যয় মেটানো সহজ হয় এবং ডলারের বাজারে চাপ কমে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ধারাবাহিকভাবে ২০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি বজায় থাকায় সামষ্টিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক বার্তা যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আমদানি ব্যালেন্স ও মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে রেমিট্যান্স বড় ভূমিকা রাখছে।

সামনে কী প্রত্যাশা?

যদি এ প্রবণতা অব্যাহত থাকে, তবে চলতি অর্থবছর শেষে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বৈদেশিক শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতা, প্রণোদনা নীতি এবং ডলার বিনিময় হার— এই তিনটি বিষয়ই ভবিষ্যৎ প্রবাহ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারির ২৫ দিন পর্যন্ত প্রবাসী আয় প্রবাহ দেশের অর্থনীতির জন্য একটি স্বস্তির বার্তা দিচ্ছে।

ভোরের আকাশ/এনএস

প্রবাসী আয়রেমিট্যান্স

শেয়ার করুন: