শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা চলমান রাখলে প্রণোদনা পাবে না গ্রাহক

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ৯:৫৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

সরকার, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) বিরুদ্ধে আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকলে কোনো গ্রাহক আর বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত প্রণোদনা বা নীতি সহায়তা পাবেন না। সুবিধা পেতে হলে রিট পিটিশনসহ চলমান সব মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্স কম্পানি প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব এনবিএফআই-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পুনর্গঠন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রাহকদের বিভিন্ন নীতি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক গ্রাহক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুবিধা গ্রহণ করার পরও সরকার বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে রিট মামলা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে আর্থিক খাতে অপ্রয়োজনীয় মামলাজট তৈরি হচ্ছে।

এ পরিস্থিতি নিরসনে নতুন নির্দেশনায় জানানো হয়—কোনো গ্রাহক প্রণোদনার জন্য আবেদন করলে, সংশ্লিষ্ট মামলা প্রত্যাহার সাপেক্ষেই কেবল তার আবেদন বিবেচনা করা হবে।

গ্রাহকের আবেদন পর্যালোচনার পর আর্থিক প্রতিষ্ঠান নীতিগত সম্মতি দিলে, গ্রাহককে মামলা প্রত্যাহারের ব্যবস্থা নিতে হবে। এরপর ‘সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বিচারাধীন নেই’ মর্মে একটি স্পষ্ট হলফনামা দাখিল করতে হবে।

আরও পড়ুন

অর্থবছরের সময় বদলে হচ্ছে এপ্রিল-মার্চ

হলফনামা জমা দেওয়ার পর আর্থিক প্রতিষ্ঠান পূর্বে দেওয়া নীতি সহায়তার শর্তের আর কোনো পরিবর্তন করতে পারবে না।

ফাইন্যান্স কম্পানি আইন, ২০২৩-এর ৪১ ধারায় প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জারি করা এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ভোরের আকাশ/এনউব

প্রণোদনা

শেয়ার করুন: