শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মানবতাবিরোধী অপরাধে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পেলেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৫, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
মানবতাবিরোধী অপরাধে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পেলেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তা
মানবতাবিরোধী অপরাধে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পেলেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তা

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সরাসরি গ্রেপ্তার করতে পারবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তারা। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের কার্যপ্রণালি বিধিমালায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনে এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এতে বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর তা কার্যকর করতে এখন থেকে তদন্ত কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটররাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

২০১০ সালের কার্যপ্রণালি বিধিমালার ২৪টি বিধিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি বিধি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত এবং ১৯টি আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে বিধি ৬-এ। নতুন বিধিতে বলা হয়েছে, যদি তদন্ত কর্মকর্তার বিশ্বাস হয় যে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তাহলে তিনি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত পরিচালনার পাশাপাশি অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারবেন। প্রয়োজনে তিনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তাও নিতে পারবেন।

এছাড়া নতুন বিধি ৯(১) অনুসারে, তদন্তকারী কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অথবা তদন্ত প্রসিকিউটর ট্রাইব্যুনালের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে পারবেন।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো, এখন থেকে শুধু ব্যক্তি নয়—সংগঠনকেও ‘অভিযুক্ত’ হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংশোধিত কার্যপ্রণালি বিধিমালা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি এম মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী ও মো. শফিউল আলম মাহমুদের আদেশক্রমে রেজিস্ট্রার এ এস এম রুহুল ইমরান প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।

এই সংশোধনের ফলে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে গতি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে নতুন ক্ষমতার প্রয়োগে স্বচ্ছতা ও মানবাধিকার রক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

 

ভোরের আকাশ/হ.র

শেয়ার করুন: