শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিচার বিভাগ কখনো রাষ্ট্রের প্রভাবশালী অঙ্গ হয়নি: প্রধান বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৫, ১১:১৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বিচার বিভাগ কখনো রাষ্ট্রের প্রভাবশালী অঙ্গ হয়নি: প্রধান বিচারপতি
বিচার বিভাগ কখনো রাষ্ট্রের প্রভাবশালী অঙ্গ হয়নি: প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, বিচার বিভাগ কখনোই রাষ্ট্রের অন্য দুটি অঙ্গ—নির্বাহী বিভাগ ও আইনসভার ওপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চায়নি। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার লক্ষ্য আধিপত্য নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক সমতা প্রতিষ্ঠা করা।

রবিবার (১০ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে প্রয়াত সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এ জে মোহাম্মদ আলীর স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এ জে মোহাম্মদ আলী অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস।

স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, “গত ৫০ বছর ধরে বিচার বিভাগ রাষ্ট্রের অন্য দুটি অঙ্গের সঙ্গে সমতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিচার বিভাগের জন্য স্বতন্ত্র সচিবালয়ের দাবি আসলে সেই সমতা প্রতিষ্ঠারই অংশ।”

তিনি আরও বলেন, “এই দীর্ঘ সময়ে বিচার বিভাগ রাষ্ট্রের প্রভাবশালী অঙ্গ হয়ে ওঠেনি, তবে সবসময় একটি কার্যকর অঙ্গ হিসেবে ভূমিকা রেখেছে। বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতাকে আধিপত্য হিসেবে দেখা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত।”

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে একটি শক্তিশালী, দৃশ্যমান ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করা।”

যুক্তরাজ্যের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “২০০৫ সালের সাংবিধানিক সংস্কার আইন সে দেশের ক্ষমতার ভারসাম্য অক্ষুণ্ন রেখেছিল এবং প্রধান বিচারপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে সংযোগ আরও দৃঢ় করেছিল। স্বাধীনতা বজায় রেখে বিচার বিভাগ রাষ্ট্রের অন্য অঙ্গের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক স্থাপন করেছিল।”

এ জে মোহাম্মদ আলীকে স্মরণ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, “তিনি বিশ্বাস করতেন, অবকাঠামোগত ভিত্তি ছাড়া স্বাধীনতা একটি অলীক কল্পনা। আদালত সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত ও প্রশাসনিকভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হলে কোনো জাতির উন্নতি সম্ভব নয়।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। সভাপতিত্ব করেন হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি মো. শরিফউদ্দিন চাকলাদার এবং প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: