বিশ্বজিৎ হত্যা মামলায় দ্রুত শুনানির আবেদন রাষ্ট্রপক্ষের

দ্রুত রাজধানীর পুরান ঢাকায় দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার শুনানির জন্য আপিল বিভাগে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এ বিষয়ে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট বিচারিক আদালতে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আটজন নেতাকর্মীর মধ্যে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে ছয়জনকে খালাস দেওয়া হয়।
ওই সময় রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছিল রফিকুল ইসলাম শাকিল ও রাজন তালুকদারের।
আর মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেয়েছিলেন সাইফুল ইসলাম ও কাইয়ুম মিঞা টিপু। এ ছাড়া মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন ও মীর মো. নূরে আলম লিমনকে। অন্যদিকে বিচারিক আদালতের দেওয়া যাবজ্জীবন থেকে খালাস পান এ এইচ এম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফা।
তবে রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন না করায় বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত বাকি ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়েছিল।
তারা হলেন খন্দকার ইউনুস আলী, তারেক বিন জোহর, আলাউদ্দিন, ওবায়দুল কাদের, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল আমিন শেখ, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, কামরুল হাসান ও মোশাররফ হোসেন।
২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে বিশ্বজিৎ দাসকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ছাত্রলীগের ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
পরবর্তীতে একই বছরের ১৮ ডিসেম্বর বহুল আলোচিত এ হত্যা মামলায় ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ বি এম নিজামুল হক। এরপর হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। সেই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে আসামিরা।
ভোরের আকাশ/জেআ