শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইসরায়েল গাজা পুনর্গঠনের খরচ দেবে কি না -প্রশ্ন করে চাকরি হারালেন সাংবাদিক!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৬ নভেম্বর ২০২৫, ৯:৫৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েল কি গাজা পুনর্গঠনের খরচ বহন করবে— এমন প্রশ্ন করায় একজন ইতালীয় সাংবাদিককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। রোমভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নোভা নিউজ এজেন্সির ব্রাসেলসভিত্তিক প্রতিনিধি গ্যাব্রিয়েল নুনজিয়াতি জানান, তাকে ইমেইলের মাধ্যমে জানানো হয় যে, তার সঙ্গে সংস্থার চুক্তি শেষ করা হচ্ছে।

মিডল ইস্ট মনিটরের খবরে বলা হয়, ওই সাংবাদিক মাত্র এক মাস আগে সেখানে কাজ শুরু করেন। ইতালির ফ্যানপেজ ওয়েবসাইটে প্রথম এই খবর প্রকাশিত হয়।

ঘটনাটি ঘটে গত ১৩ অক্টোবর ইউরোপীয় কমিশনের এক সংবাদ সম্মেলনে। সেখানে নুনজিয়াতি কমিশনের মুখপাত্র পাউলা পিনহোকে ওই সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘আপনারা বহুবার বলেছেন যে রাশিয়াকে ইউক্রেন পুনর্গঠনের জন্য খরচ দিতে হবে। তাহলে ইসরায়েল যেহেতু গাজার বেসামরিক অবকাঠামোর প্রায় সবকিছু ধ্বংস করেছে, ইসরায়েলকে কি গাজার পুনর্গঠনের জন্য অর্থ প্রদান করা উচিত নয়?’

এই প্রশ্নের পরপরই তাকে বরখাস্ত করা হয়।

ঘটনাটি ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমে মিডিয়া সেন্সরশিপ এবং ইসরায়েল সংক্রান্ত পশ্চিমা দ্বিচারিতার সমালোচনা তুলে এনেছে।

অনেকে বলছেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে প্রশ্ন তোলার অধিকার ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে—বিশেষ করে যখন সেই প্রশ্নগুলো পশ্চিমা রাষ্ট্র বা তাদের মিত্রদের দায়বদ্ধতার বিষয় স্পর্শ করে।

ভোরের আকাশ/মো.আ.
 

গাজা উপত্যকাসাংবাদিক

শেয়ার করুন: