শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের ৩০ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল
ণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তার বিরুদ্ধে উত্তর কোরিয়ার আকাশসীমায় সামরিক ড্রোন পাঠানোর ঘটনায় এ সাজা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, ২০২৪ সালে সামরিক আইন তথা মার্শাল ল জারির জন্য অজুহাত তৈরি করতে তিনি  উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন অভিযান চালিয়েছিলেন।

উত্তর কোরিয়া বলছে, এসব ড্রোন থেকে প্রোপাগান্ডা লিফলেট ছড়ানো হয়েছিল। এ ঘটনায় ২০২৪ সালে দুই দেশের মধ্যে ব্যাপকভাবে সামরিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল।

প্রসিকিউটররা মামলাটিতে ইউনের ৩০ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছিলেন। তাদের দাবি, ড্রোন ব্যবহার করে ‘কৃত্রিমভাবে যুদ্ধাবস্থার পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টার’ ফলে জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের এক মুখপাত্র বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেন, ড্রোন-সংক্রান্ত অভিযোগে ইউনকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি রায়ের বিস্তারিত কোনো বিবরণ জানাননি।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিজের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ ইউন অস্বীকার করেছেন। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত সামরিক আইন জারির প্রচেষ্টার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে ইউনকে দোষী সাব্যস্ত করেন। এ মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।

সাংবিধানিক আদালতে অভিশংসন বহাল থাকার পর গত বছর ইউনকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে অপসারণ করা হয়। এরপর আগাম নির্বাচনে দেশটির উদারপন্থি নেতা লি জে মিয়ং প্রেসিডেন্ট হন।

আইনজীবীরা বলছেন, ইউন কখনও ড্রোন পরিচালনার নির্দেশ বা অনুমোদনও করেননি। এটি অভিযান সামরিক আইন ঘোষণার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না। উত্তর কোরিয়া থেকে দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনাভর্তি বেলুন পাঠানোর প্রতিক্রিয়ায় এটি পরিচালিত হয়েছিল।

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস আজ

আল জাজিরা বলছে, আদালতের এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন ইউন।  

চলতি বছরের শুরুতে একটি তদন্তে বলা হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি কর্মকর্তারা উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠিয়েছিলেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর এ ঘটনায় প্রেসিডেন্ট লি দুঃখ প্রকাশ করেন। সূত্র: আল জাজিরা

ভোরের আকাশ/ইউএম

কারাদণ্ড

শেয়ার করুন: