শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

‘চুরি করা গম’ কেনায় বাংলাদেশি কোম্পানির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চায় ইউক্রেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২৫, ১:৫৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
‘চুরি করা গম’ কেনায় বাংলাদেশি কোম্পানির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চায় ইউক্রেন
‘চুরি করা গম’ কেনায় বাংলাদেশি কোম্পানির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চায় ইউক্রেন

ইউক্রেনের ভূখণ্ড থেকে ‘চুরি করা’ গম কেনার অভিযোগে বাংলাদেশি কিছু কোম্পানির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেন দাবি করেছে, এসব গম তাদের অধিকৃত অঞ্চল থেকে রাশিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে আমদানি করা হয়েছে।

ভারতে নিযুক্ত ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে এ নিয়ে তারা একাধিকবার চিঠি পাঠিয়েও কোনো প্রতিক্রিয়া পায়নি। এর ফলে তারা এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে।

ইউক্রেনের অভিযোগ, ২০১৪ সাল থেকে রাশিয়া তাদের কৃষি অঞ্চলের কিছু অংশ দখল করে রেখেছে এবং ২০২২ সালে আরও বেশি অংশ দখল করার পর ওই অঞ্চলগুলোতে উৎপাদিত গম রাশিয়ার নামেই রপ্তানি করা হচ্ছে। তারা এসব গমকে ‘চুরি করা’ বলে উল্লেখ করেছে।

রাশিয়া এ দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, এই অঞ্চলগুলো এখন রাশিয়ার অংশ, তাই সেখানে উৎপাদিত গম ‘চুরি’ হতে পারে না।

রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, ইউক্রেনের নয়াদিল্লিস্থ দূতাবাস বাংলাদেশকে একাধিকবার চিঠি পাঠিয়ে এসব গম কেনা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত কাভকাজ থেকে যেসব জাহাজ বাংলাদেশে গম পরিবহন করেছে, সেগুলোর নাম ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরও পাঠানো হয়েছে।

ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ওলেক্সান্ডার পোলিশকুক বলেন, “রুশ কোম্পানিগুলো ইরান অধিকৃত অঞ্চল থেকে গম সংগ্রহ করে তা রাশিয়ার গমের সঙ্গে মিশিয়ে রপ্তানি করেছে, যা একটি অপরাধ।” তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ আন্তর্জাতিক মহলকে বিষয়টি মোকাবিলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা আমাদের গোয়েন্দা তথ্য ভাগ করে দেব।”

বাংলাদেশি একটি খাদ্য কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, “ইউক্রেন অধিকৃত অঞ্চলের গম আমদানিতে বিধিনিষেধ রয়েছে এবং বাংলাদেশ চুরি করা গম আমদানি করেনি।”

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র বিষয়ক মুখপাত্র এনিটা হিপার বলেছেন, ইউক্রেনের অভিযোগে উল্লেখিত জাহাজগুলোর ওপর এখনো কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

এক রুশ ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, “গম লোড করার সময় এর উৎপত্তি শনাক্ত করা কঠিন, তাই কারো পক্ষে নিশ্চিত হওয়া কঠিন যে গম রাশিয়া থেকে আসছে নাকি ইউক্রেন থেকে।”

এ ঘটনাটি বাংলাদেশের সঙ্গে ইউক্রেনের এক নতুন কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব হিসেবে ধরা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং রাশিয়ার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: রয়টার্স

ভোরের আকাশ//হ.র

চুরির অপবাদইউক্রেন

শেয়ার করুন: