শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মার্কিন হামলায় আইআরজিসি গোয়েন্দা প্রধান নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মজিদ খাদেমি নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

আইআরজিসি’র জনসংযোগ বিভাগ সোমবার (৬ এপ্রিল) ঘোষণা করেছে যে, মেজর জেনারেল মজিদ খাদেমি চলমান যুদ্ধে মার্কিন-জায়নিস্ট শত্রুর একটি সন্ত্রাসী হামলায় এদিন ভোরে শহীদ হয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে তিনি নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে বিপ্লব, রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং ইসলামী মাতৃভূমির সুরক্ষায় কাজ করেছেন এবং গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে তার গুরুত্বপূর্ণ, স্থায়ী ও শিক্ষণীয় অবদান রয়েছে।’

আইআরজিসি আরও জানায়, মজিদ খাদেমির এই প্রচেষ্টা দেশের গোয়েন্দা বাহিনীর জন্য বহু বছর পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে, বিশেষ করে কৌশলগত পর্যায়ে বিদেশি শত্রুদের মোকাবিলা এবং তাদের অনুপ্রবেশ ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ‘অশুভ ও কুটিল’ ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার ক্ষেত্রে। 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি, কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার এবং বহু বেসামরিক নাগরিককে হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে বৃহৎ পরিসরের উসকানিবিহীন সামরিক অভিযান শুরু করে।

এই হামলায় ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে উল্লেখযোগ্য প্রাণহানি এবং অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মাধ্যমে অধিকৃত অঞ্চলে এবং আঞ্চলিক ঘাঁটিতে মার্কিন ও ইসরাইলি অবস্থানগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা অভিযান চালিয়েছে।

ভোরের আকাশ/আ.র

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ

শেয়ার করুন: