শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ক্ষমার বার্তার পর মামলা প্রত্যাহারের প্রশ্ন, মোদিকে কটাক্ষ দীপকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২ আগস্ট ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দেওয়া ক্ষমার বার্তাকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ক্ষমা করার কথা জানালেও আন্দোলন সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে—এ প্রশ্ন তুলেছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, আন্দোলনের সময় কিছু তরুণ তার বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা ব্যবহার করেছে, এমনকি তার প্রয়াত মাকেও অপমান করা হয়েছে। তবু তিনি ব্যক্তিগতভাবে তাদের ক্ষমা করে দিতে চান।

ভিডিওতে মোদি বলেন, “গালিগালাজ বা অপমান দিয়ে কোনো সমস্যার সমাধান হয় না। শাস্তি, মামলা বা হয়রানির পথেও পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয়। বিভ্রান্ত তরুণদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা উচিত।”

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য প্রকাশের পরপরই ভিডিওটির মন্তব্যের ঘরে প্রতিক্রিয়া জানান অভিজিৎ দীপকে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “শুধু ক্ষমার কথা বললেই হবে না, আন্দোলনের ঘটনায় যেসব মামলা হয়েছে, সেগুলোও কি প্রত্যাহার করা হবে?” তার এ মন্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়।

সম্প্রতি প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাব্যবস্থার নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীরা বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলে। আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে নয়ডার এক কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ আরও বেড়ে যায় এবং আন্দোলন দেশজুড়ে রাজনৈতিক রূপ নেয়।

পরবর্তীতে আন্দোলনের চাপের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। তবে আন্দোলন ঘিরে দায়ের হওয়া মামলাগুলো এখনো বহাল থাকায় তা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ করছেন। তবে বিরোধীদের দাবি, আবেগঘন বক্তব্যের চেয়ে আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া মামলাগুলোর বিষয়ে সরকারের বাস্তব পদক্ষেপই হবে প্রকৃত পরীক্ষার বিষয়।

এদিকে আন্দোলন সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত সরকার বা শাসক দলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমার বার্তার পর মামলা প্রত্যাহার হবে কি না, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।

ভোরের আকাশ/এনএ

 

মোদিকে হটাওমামলা ও গ্রেফতার

শেয়ার করুন: