শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ডিআর কঙ্গোতে ইবোলা আক্রান্ত ৯০০ ছাড়ালো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৬, ৩:০৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯০০-এর বেশি মানুষ ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

আক্রান্তদের মধ্যে ইতোমধ্যে ১০১ জনের শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর মধ্যে কঙ্গোর তিনটি প্রদেশে এই মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ২০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

আরও পড়ুন

বিশ্বের সবচেয়ে দামি গরু ‘ভিয়াতিনা ১৯’, দাম ৫৯ কোটি টাকা

ইবোলা অত্যন্ত সংক্রামক ও ভয়ংকর একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরল পদার্থের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগে আক্রান্ত হলে তীব্র জ্বর, শরীর ও পেশিতে ব্যথা, ডায়রিয়া, বমি এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক রক্তক্ষরণসহ গুরুতর শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, কঙ্গোতে এবার ইবোলার যে নির্দিষ্ট ধরন বা স্ট্রেনটি ছড়িয়েছে, সেটির কোনো অনুমোদিত টিকা (ভ্যাকসিন) কিংবা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বর্তমানে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ আক্রান্ত অঞ্চলগুলোতে নজরদারি জোরদার করেছে এবং জরুরি চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাপক হারে বাড়িয়েছে।

ভোরের আকাশ/এম

ইবোলা ভাইরাস

শেয়ার করুন: