শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৪২ কোটির দেশেও বেশি সন্তান নিতে উৎসাহ দিচ্ছেন মোদি-ঘনিষ্ঠরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ৪:৫০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

১৪২ কোটি মানুষের দেশ ভারত বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল রাষ্ট্র। তরুণদের মধ্যে উচ্চ বেকারত্বের মতো বড় চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও, দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সহযোগীরা এখন জন্মহারের পতন ঠেকাতে দম্পতিদের বড় পরিবার গঠনের আহ্বান জানাচ্ছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

জাতিসংঘের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী চার দশক পর্যন্ত ভারতের জনসংখ্যা বাড়তে থাকবে এবং তা প্রায় ১৭০ কোটিতে পৌঁছাতে পারে। তবে দেশটির কিছু নীতিনির্ধারক ও হিন্দু সংগঠন মনে করছে, ছোট পরিবার থেকে সরে এসে এখনই বেশি সন্তান নেওয়ার প্রবণতা উৎসাহিত করা উচিত এবং এর জন্য প্রয়োজনে সরকারি আর্থিক সহায়তা দেওয়া দরকার।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী,  ভারতের মোট প্রজনন হার (টিএফআর), অর্থাৎ একজন নারীর গড়ে সন্তানের সংখ্যা, ১৯৯২-৯৩ সালে ৩ দশমিক ৪ থেকে কমে ২০১৯-২১ সময়ে ২-এ নেমে এসেছে। নারীদের শিক্ষা বৃদ্ধি ও জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়ায় এই হার কমেছে বলে সরকারি মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়েছে। জনসংখ্যা স্থিতিশীল রাখতে ২ দশমিক ১ হার প্রয়োজন বলে মনে করে সরকার।

এই পরিস্থিতিতে  মোদি-সমর্থিত জোটশাসিত অন্ধ্র প্রদেশ সরকার সপ্তাহান্তে ঘোষণা দিয়েছে, তৃতীয় সন্তান জন্ম দিলে এককালীন ৩০ হাজার রুপি এবং চতুর্থ সন্তানের জন্য ৪০ হাজার রুপি প্রণোদনা দেওয়া হবে। এর আগে দ্বিতীয় সন্তানের জন্য ২৫ হাজার রুপি সহায়তার প্রস্তাব ছিল, তবে প্রথম সন্তানের জন্য কোনও আর্থিক সহায়তা রাখা হয়নি। কবে থেকে এই পরিকল্পনা কার্যকর হবে, তা জানানো হয়নি।

অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই জন্মহার কমে যাওয়ার কারণে বয়োবৃদ্ধ মানুষের সংখ্যা বাড়ছে এবং অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, অতীতে আমরা ব্যাপকভাবে পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করেছি। কিন্তু এখন পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে আমরা সন্তানদের সম্পদ হিসেবে দেখার আহ্বান জানাচ্ছি।

একইভাবে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ছোট রাজ্য সিকিমও পরিবারগুলোকে আরও বেশি সন্তান নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করছে। এর জন্য তারা এক বছরের মাতৃত্বকালীন ছুটি, এক মাসের পিতৃত্বকালীন ছুটি এবং ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশনের (আইভিএফ)জন্য আর্থিক সহায়তার মতো বিভিন্ন প্রণোদনা দিচ্ছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড এবং তুরস্ক তাদের জন্মহার খুব বেশি মনে করে তা কমিয়ে আনার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ২০১৫ সালের মধ্যে এই দেশগুলো তাদের নীতি পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় এবং জন্মহার বাড়াতে নতুন নীতিমালার প্রচার শুরু করে।

আরও পড়ুন

পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে থাকবে র‌্যাব, হচ্ছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এদিকে মোদির দল বিজেপির আদর্শিক উৎস হিসেবে পরিচিত হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-ও বড় পরিবার গঠনের আহ্বান জানিয়ে একে অগ্রাধিকারমূলক বিষয় হিসেবে বর্ণনা করেছে। গত সপ্তাহে আরএসএস-এর সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবালে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা বলি ভারত তরুণদের দেশ। কিন্তু ধীরে ধীরে জন্মহার কমে যাচ্ছে। জনসংখ্যার এই ভারসাম্যহীনতা সামাজিক উত্তেজনা তৈরি করবে।

উল্লেখ্য সরকারি তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালে ভারতে ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে সার্বিক বেকারত্বের হার ছিল ৩.১ শতাংশ। তবে ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে এই হার অনেক বেশি, প্রায় ৯.৯ শতাংশ। যার মধ্যে শহরাঞ্চলে বেকারত্বের হার ১৩.৬ শতাংশ এবং গ্রামাঞ্চলে ৮.৩ শতাংশ।

ভোরের আকাশ/এনএস

সন্তান নিতে উৎসাহ

শেয়ার করুন: