শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইন্দোনেশিয়ায় স্কুলের খাবার খেয়ে ১৭০০ শিক্ষার্থী অসুস্থ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ায় সরকারি উদ্যোগে পরিবেশন করা বিনামূল্যের খাবার খেয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। 

গত তিন দিনে দেশটিতে ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিষাক্ত খাবার খেয়ে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে মধ্য জাভার লাসেম এলাকার একটি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। 

গত বুধবার গ্রিল করা মুরগির মাংস খাওয়ার পর এক স্কুলেই ৭৫২ জন শিক্ষার্থী ও ২৫ জন শিক্ষক একসঙ্গে ডায়রিয়া ও বমিতে আক্রান্ত হন।

স্কুলটির প্রধান শিক্ষক জুহারতুতিক জানান, রান্নার বেশ কয়েক ঘণ্টা পর দুপুরে খাবার পরিবেশন করা হয়েছিল। মূলত ভোর ৩টায় রান্না করা মাংসের কিছু অংশে পিচ্ছিল ভাব দেখা দেওয়ায় পচন ধরার আশঙ্কা করা হচ্ছিল।

আরও পড়ুন

'ইরানকে সামরিক হামলা বন্ধ করতে হবে'

আক্রান্তদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর বেশির ভাগকে বাড়ি পাঠানো হলেও অন্তত ১৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় চিকিৎসক জোকো পারিয়ান্তো জানিয়েছেন, ভর্তি হওয়া রোগীদের বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোয়ো সুবিয়ান্তোর উদ্যোগে কয়েক শ কোটি ডলারের এই পুষ্টি কর্মসূচি চালু করা হয়। তবে শুরু থেকেই উদ্যোগটি নিয়ে দুর্নীতি, ব্যবস্থাপনা ত্রুটি ও গণ-খাদ্য বিষক্রিয়ার মতো নানা বিতর্ক দেখা দিয়েছে।

ভোরের আকাশ/এম

শেয়ার করুন: