শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

হরমুজ প্রণালীতে মাইন বসাচ্ছে ইরান, জাহাজ নিরাপত্তা সম্ভব নয় বলছে মার্কিন নৌবাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৬, ৯:৫৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট হরমুজ প্রণালীতে মাইন বসানো শুরু করেছে ইরান। মার্কিন গোয়েন্দাদের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, তেহরান ইতিমধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং এর ফলে ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচলে চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, এই মুহূর্তে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে বার্তাসংস্থা জানিয়েছে, গত কয়েক দিনে ইরানি বাহিনী হরমুজ প্রণালীতে কয়েক ডজন মাইন স্থাপন করেছে।

এর আগে মার্কিন গোয়েন্দারা সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরানি সেনারা মাইন বসানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে নতুন তথ্য বলছে, সেই প্রস্তুতি ইতিমধ্যে বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে।

সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত সীমিত সংখ্যক মাইন স্থাপন করা হলেও ইরানের সক্ষমতা অনেক বেশি। তাদের ছোট জাহাজ ও মাইন স্থাপনকারী সরঞ্জামের প্রায় ৮০ শতাংশ এখনও ব্যবহার করা হয়নি।

ফলে তেহরান চাইলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হরমুজ প্রণালীজুড়ে হাজার হাজার মাইন ছড়িয়ে দিতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে ইরানের নৌবাহিনীর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালীর গুরুত্বপূর্ণ অংশের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের হাতে। তাদের কাছে এমন অস্ত্র ও সক্ষমতা রয়েছে, যার মাধ্যমে পুরো প্রণালীজুড়ে মাইনের জাল তৈরি করা সম্ভব। এছাড়া বিস্ফোরক বোঝাই ছোট নৌকা ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালানোর সক্ষমতাও রয়েছে তাদের।

গত সপ্তাহে এক হুঁশিয়ারিতে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বলেছিল, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যদি কোনো জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করে, তবে সেটিকে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হবে।

এদিকে প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর কাছে প্রায় প্রতিদিনই সহায়তা চাইছেন জাহাজ চলাচল সংশ্লিষ্টরা। তবে মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ ইরানের সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি এখন অনেক বেশি।

জাহাজ চলাচল সংশ্লিষ্ট তিনটি সূত্র জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল।

কিন্তু নৌবাহিনী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, হামলার ঝুঁকি কমে না আসা পর্যন্ত তারা কোনো ধরনের নিরাপত্তা সহায়তা দিতে পারবে না।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড আগে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজকে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা বললেও বাস্তবে পরিস্থিতি ভিন্ন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।

বুধবার (১১ মার্চ) সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

ভোরের আকাশ/আ.র

হরমুজ প্রণালী

শেয়ার করুন: