শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন বহরের ২০ শতাংশ ধ্বংস করেছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৬, ৬:৪৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ধ্বংস হয়েছে, যা যুদ্ধ-পূর্ব সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ইউএভি) বহরের প্রায় ২০ শতাংশ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে শুক্রবার ( ২২ মে ) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ধ্বংস হওয়া ড্রোনগুলোর একটি বড় অংশ আকাশে উড্ডয়নের সময় ইরান ভূপাতিত করে। এছাড়া উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার সময় কিছু ড্রোন মাটিতেই ধ্বংস হয়।

এমকিউ-৯ রিপার মূলত নজরদারি কাজে ব্যবহৃত হলেও এটি অস্ত্র বহনে সক্ষম। এতে সাধারণত হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র এবং জয়েন্ট ডাইরেক্ট অ্যাটাক মিউনিশন গাইডেড বোমা সংযুক্ত করা হয়।

ব্লুমবার্গের তথ্যমতে, যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র মোট ৩০টি পর্যন্ত রিপার ড্রোন হারাতে পারে, যা কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিসের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখিত ২৪টির চেয়েও বেশি। এ ক্ষতির ফলে যুদ্ধ ব্যয় আরও বেড়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

পেন্টাগনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মে মাস পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার। এমকিউ-৯ রিপার ধীরে ধীরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যবস্থায় থেকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জেনারেল অ্যাটমিকস এখনো বিদেশি গ্রাহকদের জন্য উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন ভূপাতিত করার সক্ষমতা প্রমাণ করে যে দেশটি এখনো কার্যকর আকাশ প্রতিরক্ষা বজায় রেখেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করা হয়েছে।

এর আগে এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতির আগে ইরান একটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে। ওই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরনের উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ওই পাইলট আটক হলে তা ওয়াশিংটনের ওপর গুরুতর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে পারত।

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’

অন্যদিকে, নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, রাশিয়া ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান চলাচলের প্যাটার্ন বিশ্লেষণে সহায়তা করতে পারে। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা সহযোগিতার অংশ হিসেবে স্যাটেলাইট তথ্য বিনিময়ের অভিযোগও রয়েছে।

ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেশীয় প্রযুক্তির পাশাপাশি রাশিয়া ও চীনের তৈরি বিভিন্ন সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র: মিডল ইস্ট আই

ভোরের আকাশ/এম

যুক্তরাষ্ট্র

শেয়ার করুন: