শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান চলছে, সংলাপ নয়: আরাগচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ মার্চ ২০২৬, ৪:৩৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের কর্মকর্তারা ইরানের সঙ্গে সংলাপ শুরু হয়েছে বলে যে দাবি করেছেন, তা সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আারাগচি। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের বার্তার আদান-প্রদান চলছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্ট্রিং (আইআরআইবি)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সৈয়দ আরাগচি বলেন, মার্কিনিরা তো নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছিল, এখন তারা আবার কেন আলোচনার কথা তুলছে? এই মুহূর্তে আমাদের নীতি হলো প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়া। আলোচনা কিংবা সংলাপের কোনো ইচ্ছে আমাদের নেই— এখন পর্যন্ত কোনো আলোচনা হয়নি এবং আমি বিশ্বাস করে যে আমাদের অবস্থান নৈতিক।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে একাধিকবার বলেছেন যে ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। ২৪ মার্চ বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও দপ্তর হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট বলেছিলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি না করে— তাহলে দেশটির ওপর ‘নরক নেমে আসবে’। তিনি আরও বলেছিলেন, দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং তার ফলাফল এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক।

তবে বৃহস্পতিবারের সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, যুদ্ধের এই অবস্থায় আলোচনার জন্য ব্যস্ত হওয়ার অর্থ হলো পরাজয় স্বীকার করে নেওয়া। যারা আলোচনার কথা তুলছে, তারা আসলে একভাবে নিজেদের পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে, আইআরআইবিকে বলেছেন সৈয়দ আরাগচি।

তিনি স্বীকার করেছেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাঠানো ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাবের অনুলিপি ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকারের কাছে পৌঁছেছে এবং বিভিন্ন মিত্ররাষ্ট্রের মাধ্যমে সেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সেই প্রস্তাবের ওপর বার্তার আদান-প্রদান করছে সরকারি নেতৃত্ব।

প্রস্তাবটি বিভিন্ন আইডিয়াতে পরিপূর্ণ এবং সেটির পয়েন্টগুলো সরকারি নেতৃত্ব যাচাই ও পর্যালোচনা করছেন। যদি এ ইস্যুতে কোনো অবস্থান গ্রহণের প্রয়োজন হয়ে, তাহলে অবশ্যই তা নেওয়া হবে। বন্ধুত্বপূর্ন বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে এটি নিয়ে তাদের (যুক্তরাষ্ট্র) সঙ্গে বার্তার আদান-প্রদানও চলছে, কিন্তু এ বার্তা বিনিময়কে কোনোভাবেই সংলাপ কিংবা আলোচনা বলা চলে না।

সাক্ষাৎকারে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের পর ইরান হয়তো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত নিরাপত্তা নিশ্চয়তা অর্জন করতে সক্ষম হতে পারে, কিন্তু তেহরান যেভাবে যুদ্ধ পরিচালনা করেছে, তার মাধ্যমেই ইরনের নিরাপত্তাজনিত নিজস্ব নিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এ যুদ্ধে আমরা দেখিয়েছি যে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে উসকানি দেওয়ার ক্ষমতা কারও নেই। বস্তুত আমরা নিজেদের জন্য এমন একটি নিরাপত্তা ঢাল তৈরি করেছি যে গোটা বিশ্ব ইতোমধ্যে বুঝতে পেরেছে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের স্বার্থ নিয়ে খেলাধুলা করার ফলাফল খুব গুরুতর হয়। সূত্র : সিএনএন

ভোরের আকাশ/এসএইচ

যুক্তরাষ্ট্রআরাগচি

শেয়ার করুন: