শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

তেল রপ্তানিতে হরমুজের বিকল্প পথ গড়ছে সিরিয়া-ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে এবং জ্বালানি রপ্তানিতে বিকল্প পথ গড়তে ভিন্ন এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরাক, সিরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজের বিকল্প হিসেবে ঐতিহাসিক ‘কিরকুক-বানিয়াস পাইপলাইন’ পুনরায় চালুর পরিকল্পনা করছে দেশগুলো। শনিবার (১১ জুলাই) মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই (MEE)-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটন সফরে যাবেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদি। এই সফরের সময় হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানিও যুক্তরাষ্ট্র সফর করতে পারেন বলে জানা গেছে।

প্রায় ৫০০ মাইল দীর্ঘ এই পাইপলাইনটি উত্তর ইরাকের কিরকুক থেকে সিরিয়ার ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলীয় শহর বানিয়াস পর্যন্ত বিস্তৃত। ১৯৫২ সালে নির্মিত পাইপলাইনটির দৈনিক পরিবহন সক্ষমতা ছিল প্রায় ৩ লাখ ব্যারেল।

তবে, ১৯৮০-এর দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় ইরানের পক্ষে অবস্থান নেয় সিরিয়া। এর ফলে তেল পরিবহনের এই পথটি বন্ধ করে দেয় ইরাক। এরপর ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইরাক আক্রমণ করলে পাইপলাইনটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কার্যত অচল হয়ে পড়ে।

সূত্রগুলোর দাবি, তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং সিরিয়া ও ইরাকবিষয়ক বিশেষ দূত টম ব্যারাক চুক্তির খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করতে কাজ করছেন। ইরাকি কর্মকর্তাদের মতে, তিনি এই প্রকল্পকে লেভান্ত অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অর্থনৈতিক সহযোগিতার একটি মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চান।

তবে, পাইপলাইনটি পুনরায় সচল করতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন হবে। নতুন সংরক্ষণাগার, পাম্পিং স্টেশন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এবং অনেক ক্ষেত্রে পুরো পাইপলাইনই নতুন করে নির্মাণ করতে হতে পারে। আঞ্চলিক এক কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পটি সম্পন্ন হতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে। এজন্য এরই মধ্যে কয়েকটি মার্কিন কোম্পানিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের পর হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রভাব আরও বেড়ে যাওয়ায় এই পাইপলাইন পুনরায় চালু করার গুরুত্ব বেড়েছে। যুদ্ধের সময় ইরাক সীমিত পরিসরে ট্রাকের মাধ্যমে সিরিয়া হয়ে তেল রপ্তানি করলেও তা চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট ছিল না।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ ফুটবলের পাশে অপো, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া

স্বাধীন ইরাকি বিশ্লেষক সারহাং হামাসাঈদ বলেন, যুদ্ধের আগে সিরিয়াকে নিয়ে ইরাকের মধ্যে সন্দেহ ছিল। কিন্তু যুদ্ধের বাস্তবতা বাগদাদকে বুঝিয়েছে যে, তাদের বিকল্প রপ্তানি পথ হিসেবে সিরিয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

বর্তমানে ইরাকের রাষ্ট্রীয় বাজেটের প্রায় ৯০ শতাংশ আয় আসে তেল বিক্রি থেকে এবং দেশটির ৯৫ শতাংশ তেল রপ্তানি হয় হরমুজ প্রণালি দিয়ে। কিন্তু সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে দেশটির রপ্তানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। জ্বালানি বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান Vortexa-র তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে সমুদ্রপথে ইরাকের তেল রপ্তানি গত বছরের গড় তুলনায় ৮ শতাংশে নেমে আসে।

ভোরের আকাশ/এনএস

তেল রপ্তানিহরমুজ প্রণালি

শেয়ার করুন: