শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রী

ইরানকে ক্ষুব্ধ না করে হুথিদের মোকাবিলা কি করতে পারবে সৌদি আরব?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সবচেয়ে বড় হামলার মুখোমুখি হয়ে সৌদি আরব কৌশলগতভাবে গোষ্ঠীটির ওপর প্রতিরোধ বজায় রাখার এক নতুন পথ অবলম্বন করেছে। বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে নিজেদের জ্বালানি রফতানি নির্বিঘ্ন রাখতে এবং একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত এড়াতে সৌদি আরব কূটনীতি ও প্রতিরোধের মিশ্র কৌশল নীতি গ্রহণ করেছে।

সম্প্রতি হুথিদের হামলায় সৌদির চারটি শহরের জ্বালানি অবকাঠামো ও একটি সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ৭০ জনের বেশি মানুষ আহত হন এবং আরামকোর দৈনিক ৪ লাখ ব্যারেল সক্ষমতার জাজান রিফাইনারিতে আগুন ধরে যায়। হুথিদের দাবি, ইয়েমেনে সৌদির ১২০টির বেশি বিমান হামলার জবাবে তারা এ হামলা চালিয়েছে। এরপরই সৌদি সমর্থিত জোট প্রয়োজনীয় সব অপারেশনাল ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেয়।

সৌদি আরবের বর্তমান পরিকল্পনা হলো নিজেদের সরাসরি যুদ্ধে না জড়িয়ে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারি বাহিনীকে সমর্থন ও শক্তিশালী করা। ইয়েমেনের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেজর জেনারেল সমীর আল-সাবরি জানান, সানা পুনরুদ্ধারের সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে। অন্যদিকে হুথি মুখপাত্র নসরুদ্দিন আমির জানান, সৌদির বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে।

সম্প্রতি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সই হওয়া মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির কথা উল্লেখ করে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সতর্ক করে বলেছেন, সৌদি আরবে আক্রমণ বাড়লে এই যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকর করা হতে পারে। একটি সূত্রের মতে, পাকিস্তানের প্রস্তাবিত হামলাগুলো মূলত প্রতীকী হবে। কারণ তুরস্ক ও পাকিস্তান উভয়েই ইরানের সীমান্তবর্তী দেশ এবং তারা কেউই এই যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়তে চায় না।

অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালি প্রায় অবরুদ্ধ থাকায় সৌদির জন্য বাব আল-মান্দেব প্রণালি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা ‘আড়ালে থেকে’ করার ইঙ্গিত দিয়েছে, যা রিয়াদকে খানিকটা ঝুঁকিতে ফেলেছে। সানওবার ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক কামার চিমা বলেন, সৌদি আরব যুদ্ধকে কেবল ইয়েমেনের ভেতরেই সীমাবদ্ধ রাখতে চায়, অন্যদিকে হুথিরা চাইছে যুদ্ধকে সৌদি আরবের ভেতরে টেনে নিয়ে যেতে।

আরও পড়ুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থীকে সমর্থন দেবে বিএনপি

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই ইরান মূলত হুথিদের উসকে দিচ্ছে, যার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারে পৌঁছেছে। পাশাপাশি ইরাকে থাকা ইরান-সমর্থিত শিয়া মিলিশিয়াদের থেকেও সৌদি আরব একই ধরণের হুমকির মুখোমুখি হচ্ছে। তবে এই বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যে সৌদির মূল লক্ষ্য হলো ইয়েমেনের ভেতর হুথিদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে নিজেদের তেল সরবরাহ নিরাপদ রাখা।

সূত্র: আল-মনিটর

ভোরের আকাশ/এনএস

সৌদি আরব

শেয়ার করুন: