শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রুপার আমদানি সীমিত করল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে এবং রুপির মান ধরে রাখতে রুপা আমদানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত। বিশ্বের বৃহত্তম রুপা আমদানিকারক এই দেশটি শনিবার (১৬ মে) এক সরকারি আদেশের মাধ্যমে প্রায় সব ধরনের রুপা আমদানি অবিলম্বে সীমিত করার ঘোষণা দিয়েছে।

ভারত তার অভ্যন্তরীণ রুপার চাহিদার ৮০ শতাংশেরও বেশি আমদানির মাধ্যমে মেটায়। গত ২০২৫/২৬ অর্থবছরে রুপা আমদানিতে দেশটিকে রেকর্ড ১২ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হয়েছে, যা আগের বছরের (৪.৮ বিলিয়ন ডলার) তুলনায় অনেক বেশি। মূলত বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয় এবং তেলের উচ্চমূল্যের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ সামাল দিতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির সরকার।

সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে ৯৯.৯% বিশুদ্ধ রুপার বার এবং আধা-প্রস্তুত সব ধরনের রুপা আমদানি সীমাবদ্ধ বিভাগের অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর মানে হলো, এখন আর চাইলেই অবাধে রুপা আমদানি করা যাবে না, সরকারের বিশেষ অনুমতি লাগবে।

আমদানিকারকদের মতে, সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের বাজারে রুপার সরবরাহ কমে যাবে, যার কারণে স্থানীয় বাজারে রুপার দাম চড়া হতে পারে। এ ছাড়া বিশ্ববাজারে ভারতের রুপার চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারেও এর দামের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।

আরও পড়ুন

লন্ডনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সুদানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ব্যবসায়ীরা ধারণা করছেন, সরকার হয়তো শিল্প-কারখানায় ব্যবহারের জন্য সীমিত আকারে রুপা আমদানির অনুমতি দেবে, কিন্তু বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে বা মুদ্রা ও বার তৈরির জন্য রুপা আমদানিকে নিরুৎসাহিত করবে।

ভারতে গহনা ও মুদ্রা তৈরির পাশাপাশি সৌরশক্তি ও ইলেকট্রনিক্স শিল্পে প্রচুর রুপা ব্যবহৃত হয়। ভারত সাধারণত সংযুক্ত আরব আমিরাত, ব্রিটেন ও চীন থেকে এই রুপা আমদানি করে থাকে। সূত্র : রয়টার্স

ভোরের আকাশ/ইউএম

ভারত

শেয়ার করুন: