শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরানে ১৩৯ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সাজা মওকুফ করলেন মোজতবা খামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০২৬, ১:২৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিভিন্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৩৯ জন বন্দির সাজা হ্রাস ও মওকুফের একটি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি।

ইরানের বিচার বিভাগের মুখপাত্র আসগর জাহাঙ্গীর দেশটির সর্বোচ্চ নেতার এই সাম্প্রতিক ক্ষমার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ইরানের ইতিহাসে এই প্রথম একসঙ্গে এত বিপুল সংখ্যক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির ফাঁসির সাজা মকুব করে ক্ষমা প্রদর্শন করা হলো।

বিচার বিভাগের মুখপাত্র আসগর জাহাঙ্গীর আরও বিস্তারিত উল্লেখ করে বলেন, এই বন্দিদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তিগত অভিযোগকারী বা বাদী ছিল না এবং অতীতে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার মতো কোনো অপরাধের ইতিহাসও তাদের নেই। কারাগারে বন্দি অবস্থায় তাদের উন্নত আচরণ, অপরাধের জন্য প্রকাশ করা গভীর অনুশোচনা এবং নিজেদের সংশোধনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়ার কারণেই তারা এই রাজক্ষমার যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন

২৬তম ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ইরানের সংবিধানের ১১০ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচার বিভাগের প্রধানের সুপারিশ বা প্রস্তাবের ভিত্তিতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা যেকোনো সাজাপ্রাপ্ত আসামির সাজা সম্পূর্ণ মকুব বা হ্রাস করার বিশেষ অধিকার রাখেন। তবে দেশটির আইন অনুযায়ী এই সাধারণ ক্ষমা নির্দিষ্ট কিছু গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না।

বিশেষ করে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম, সুসংগঠিত বা সশস্ত্র মাদক চোরাচালান, সশস্ত্র ডাকাতি, অস্ত্র পাচার, অপহরণ, ঘুষ এবং আত্মসাতের মতো অপরাধে দণ্ডিত আসামিরা এই ক্ষমার আওতায় আসেন না। সূত্র: মেহের নিউজ।

ভোরের আকাশ/এম

মোজতবা খামেনি

শেয়ার করুন: