শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনায় একাট্টা শি-পুতিন, ২০টির বেশি চুক্তি সই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একযোগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ‘গোল্ডেন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিকল্পনা এবং ওয়াশিংটনের ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ পারমাণবিক নীতির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি বেইজিংয়ে ট্রাম্পকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দিয়ে স্বাগত জানানোর ঠিক এক সপ্তাহ পর বুধবার পুতিনের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে এই নিন্দা-সমালোচনা করলেন চীন ও রাশিয়ার দুই নেতা।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি স্থিতিশীল ও গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে চান। কিন্তু কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার মৌলিক মতপার্থক্য রয়েছে; যেখানে চীনের অবস্থান রাশিয়ার সঙ্গে সম্পূর্ণ এক।

যৌথ একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভূমি ও মহাকাশ-ভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থার বিষয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা বৈশ্বিক কৌশলগত স্থিতিশীলতাকে হুমকিতে ফেলবে। বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের মজুত সীমিত রাখার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া নিয়েও ওয়াশিংটনের সমালোচনা করা হয়।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ওই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়। এরপর মস্কোর পক্ষ থেকে চুক্তির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হলেও ট্রাম্প তাতে সাড়া দেননি। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রাজনীতিবিদ বলেছিলেন, চীনের পরমাণু অস্ত্র মোকাবেলা করতে নিজেদের অস্ত্রের মজুত আরও বাড়ানো উচিত ওয়াশিংটনের। যদিও চীন বলেছে, তাদের অস্ত্র বাড়ানোর এই হার যুক্তরাষ্ট্রের মজুতের তুলনায় অনেক কম।

পুতিন ও শি’য়ের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা ছাড়াও দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ে ২০টি’র চুক্তি সই হয়েছে এবং ‘বহুমেরু ভিত্তিক বিশ্ব ব্যবস্থা’ নিয়ে ঘোষণা দিয়েছেন দুই নেতা।

তবে বিশ্বের নিরাপত্তা নিয়ে দুই নেতা এক সুরে কথা বললেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তারা বড় ধরনের কোনও চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছেন। অধরা থেকে গেছে গ্যাস চুক্তি, রাশিয়া যা দীর্ঘদিন ধরে পাওয়ার আশা করছিল। একটি নতুন পাইপলাইন নির্মাণ নিয়ে চুক্তি করার কথা ছিল দুইপক্ষের; যার মাধ্যমে রাশিয়ায় উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাস চীনে রপ্তানি দ্বিগুণেরও বেশি করা সম্ভব।

আরও পড়ুন

ইয়াবা সেবন করে রামিসার ওপর পৈশাচিকতা চালায় ঘাতক সোহেল

তবে এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে শি জিনপিং কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ একটি সপ্তাহ পার করলেন। চীনের সবচেয়ে শক্তিশালী কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বী এবং অন্যতম ঘনিষ্ঠ অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া, উভয় দেশের নেতার সঙ্গেই বৈঠক করেছেন তিনি।

ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছেন এবং পুতিনের বাহিনী ইউক্রেইন যুদ্ধে আটকে রয়েছে। এমন সময়ে দুই দেশের নেতার সঙ্গে বৈঠক চীনের নেতাকে বিশ্বমঞ্চে বেইজিংকে বিশ্বে স্থিতিশীলতার স্তম্ভ এবং অপরিহার্য এক কূটনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে তুলে ধরার সুযোগ করে দিয়েছে।

ভোরের আকাশ/এনএস

শি-পুতিনসমালোচনাযুক্তরাষ্ট্র

শেয়ার করুন: