শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরানের তিন তেলবাহী ট্যাংকারে মার্কিন হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৫৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

ইরানের সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে দেশটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিনটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, তাদের দুটি যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে এসব হামলা চালানো হয়।

শনিবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, খার্গ দ্বীপের কাছে একটি এবং হরমুজ প্রণালির কাছে আরেকটি তেলবাহী ট্যাংকারকে ‘স্থায়ীভাবে অচল’ করে দেওয়া হয়েছে। ওমান উপসাগরে তৃতীয় একটি ট্যাংকারও হামলায় ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।

সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ও একটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারকে লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালায়। তবে মার্কিন বাহিনী সব হামলা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে এবং এতে কোনো মার্কিন সেনা আহত হননি।

এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, খার্গ দ্বীপের উপকূলের কাছে দেশটির একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা হয়েছে। তবে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরানের হামলার বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সেন্টকমের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, আইআরজিসির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা স্পষ্ট—মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলা হলে ইরানকে বড় অর্থনৈতিক মূল্য দিতে হবে।

তিনি বলেন, মার্কিন বাহিনীকে রক্ষার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র কোনো দ্বিধা করবে না। প্রয়োজন হলে ইরানের সীমিত ও ঝুঁকিপূর্ণ তেলবাহী নৌবহরও ধ্বংস করা হতে পারে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, হামলার শিকার তিনটি ট্যাংকার ইরানের আইআরজিসি ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের অর্থায়নে পরিচালিত বহু বিলিয়ন ডলারের একটি ‘ছায়া নেটওয়ার্কের’ অংশ। কয়েক দিনের তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতির পর প্রায় এক সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবারও হামলা-পাল্টা হামলা শুরু হয়। এর মধ্যেই তেলবাহী ট্যাংকারে সর্বশেষ হামলার ঘটনা ঘটল।

চলতি সপ্তাহে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছিলেন, দক্ষিণ ইরানে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় অন্তত চারজন নিহত হওয়ার ইরানি দাবির তদন্ত করছে ওয়াশিংটন। ইরানের দাবি, নিহতদের মধ্যে দুই শিশুও ছিল।

ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ভাষ্য, মঙ্গলবার সিরিক শহরে একটি বাড়িতে চলা বিয়ের অনুষ্ঠানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ আঘাত হানে। তেহরান ঘটনাটিকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি গত মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। এরপর নতুন কোনো কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনাও এখন পর্যন্ত খুব বেশি দেখা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন

বাহরাইনে মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের

যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বা ব্যবসা করা দেশগুলোকেও এসব নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ব্যাপক হামলা শুরু করলে সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়। জবাবে ইরান ইসরায়েল, মার্কিন ঘাঁটি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্র দেশগুলোতে হামলা চালায়। একই সময়ে সামুদ্রিক যান চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালির কার্যক্রমও কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।

ভোরের আকাশ/এম

শেয়ার করুন: