শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সাগরপথে ইউরোপে ২৬% বাংলাদেশি, চলতি বছরে মৃত্যু ১৬৬৮ অভিবাসীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করে ভূমধ্যসাগরে অন্তত এক হাজার ৬৬৮ জন অভিবাসী নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন। ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেশি।

সমুদ্র পাড়ি দেওয়ায় শীর্ষে রয়েছেন বাংলাদেশ, ইরিত্রিয়া, সুদান, পাকিস্তান ও মিসরের অভিবাসীরা।

ঝুঁকিপূর্ণ নৌযাত্রা এবং সমুদ্রে উদ্ধার তৎপরতায় বাধা এই সংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চলতি বছরের শুরুটা ছিল বিশেষভাবে প্রাণঘাতী।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরু থেকে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করে ভূমধ্যসাগরে এক হাজার ৬৬৮ জন নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন।

২০২৫ সালের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল এক হাজার ৩৫ জন।

নিহত বা নিখোঁজদের মধ্যে ৮৭২ জন সেন্ট্রাল ভূমধ্যসাগরীয় রুটে বিভিন্ন পথে যাত্রা করার সময় প্রাণ হারিয়েছেন। এসব রুটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পথটি উত্তর আফ্রিকার দেশগুলো বিশেষ করে লিবিয়া থেকে লাম্পেদুসা দ্বীপ হয়ে ইতালির সঙ্গে যুক্ত।

ইউরোপে যাওয়ার জন্য অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট ও যাত্রার দেশ হিসেবে এখনো প্রথম অবস্থানে রয়েছে লিবিয়া।

৯ আগস্ট প্রকাশিত এনজিও অ্যালার্ম ফোনের অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

এনজিও এসওএস মেদিতারানের ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেন্ট্রাল ভূমধ্যসাগরীয় রুটে যাত্রা করা অভিবাসীদের মধ্যে শীর্ষে আছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসীরা। যা মোট অভিবাসীর ২৬ শতাংশ। এরপর রয়েছেন ইরিত্রিয়ার ১৬ শতাংশ, সুদানের ১৩ শতাংশ, পাকিস্তানের ১২ শতাংশ এবং মিসরের ৯ শতাংশ নাগরিক।

২০১৬ সাল থেকে নাইজেরিয়া, আইভরি কোস্ট, গিনি এবং মালি থেকেও এই পথে আসা অভিবাসীদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি।

আরও পড়ুন

বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে লিবিয়া ও টিউনিশিয়া থেকে যাত্রা করে ২৬ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ ইউরোপে পৌঁছেছেন। আগের বছরগুলোর তুলনায় এই সংখ্যা কমেছে। তবে এর সঙ্গে নিহত বা নিখোঁজের সংখ্যা বেড়েছে।

এপ্রিলের শুরুতে সমুদ্রপথে অভিবাসন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ আরনো বানস ইনফোমাইগ্রেন্টসকে বলেছিলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বহির্সীমান্তে অভিবাসীদের যাত্রা ঠেকানো হচ্ছে ক্রমবর্ধমানভাবে। একই সময়ে আমরা দেখছি, সমুদ্রপথে যাত্রা আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। ইউরোপের উপকূলে পৌঁছাতে পারছে কম মানুষ। কিন্তু মারা যাচ্ছে বেশি। ইনফোমাইগ্রেন্টস।

ভোরের আকাশ/এনউব

অভিবাসী

শেয়ার করুন: