শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো ছেড়ে গেলে কী হবে, যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৭ জুলাই ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র যদি উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোট (ন্যাটো) থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। তবে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এমন পরিস্থিতিতেও ন্যাটো পুরোপুরি ভেঙে পড়বে না। বরং যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে ইউরোপীয় দেশগুলোর নেতৃত্বে জোটটি টিকে থাকতে পারে। তবে সেই পরিবর্তনের মূল্য হবে অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং দীর্ঘমেয়াদি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েক দশক ধরে ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি, সামরিক অনুসন্ধান (ইন্টেলিজেন্স, সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড রিকনেসান্স), স্যাটেলাইটভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ, সামরিক রসদ সরবরাহ এবং সমন্বিত আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা অপরিহার্য।

সক্ষমতা গড়তে লাগতে পারে এক দশকের বেশি
বিশ্লেষকদের হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো থেকে সরে গেলে তার সামরিক সক্ষমতার ঘাটতি পূরণ করতে ইউরোপের অন্তত এক দশক বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত সামরিক সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্রতিস্থাপন করতে প্রায় এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হতে পারে।

এছাড়া ইউরোপের প্রতিরক্ষা শিল্প দ্রুত উৎপাদন বাড়াতে এখনও হিমশিম খাচ্ছে। অনেক ইউরোপীয় দেশ তাদের সশস্ত্র বাহিনীতে নতুন সদস্য নিয়োগ এবং বিদ্যমান সদস্যদের ধরে রাখার লক্ষ্যমাত্রাও পূরণ করতে পারছে না। ফলে স্বল্প সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শূন্যতা পূরণ করা ইউরোপের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

ন্যাটো কি টিকে থাকবে?
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও ন্যাটো টিকে থাকার সক্ষমতা রাখে। ইউরোপীয় দেশগুলো চাইলে নিজেদের নেতৃত্বে জোটটির কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে হবে এবং সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করতে হবে।

এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য প্রস্থান ন্যাটোর অস্তিত্বের চেয়ে বেশি প্রভাব ফেলবে ইউরোপের সামরিক প্রস্তুতি, প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা এবং নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর।

ট্রাম্প চাইলেই কি ন্যাটো ছাড়তে পারবেন?
যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অতীতে একাধিকবার ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং জোটটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, তবুও তিনি ইচ্ছা করলেই একক সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যাটো থেকে বের করে নিতে পারবেন না।

মার্কিন আইনে আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটো থেকে বের হতে হলে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন অথবা কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এমন অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান-উভয় দলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আইনপ্রণেতা এখনও ন্যাটোর প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়ে আসছেন।

আরও পড়ুন

বজ্রবৃষ্টিসহ ঘণ্টায় ৮০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে ১২ অঞ্চলে

ফলে ট্রাম্প ন্যাটো নিয়ে কঠোর অবস্থান নিলেও অদূর ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিকভাবে জোট ছেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। 

সূত্র: আল-জাজিরা

ভোরের আকাশ/এনএস

ন্যাটোযুক্তরাষ্ট্র

শেয়ার করুন: