শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী-ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৬, ৬:২১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন, সীমান্ত সংকটের সমাধান ও অন্যান্য বিভিন্ন ইস্যুতে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। মঙ্গলবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে ভারতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের ওই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বেইজিংয়ে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠকের পর সীমান্ত বিরোধের ‘‘ন্যায্য, যুক্তিসঙ্গত এবং উভয় পক্ষের জন্য গ্রহণযোগ্য সমাধান’’ খুঁজে বের করার জন্য আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছে চীন ও ভারত।

পারমাণবিক শক্তিধর এবং বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল এই দুই প্রতিবেশী দেশ হিমালয় অঞ্চলে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ অনির্ধারিত ও বিতর্কিত সীমান্ত ভাগাভাগি করে আসছে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল সীমান্ত সমস্যা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ‘‘সংক্ষিপ্ত হলেও বিস্তৃত, গভীর, বন্ধুত্বপূর্ণ ও আন্তরিক’’ আলোচনা করেছেন।

বৈঠকে ওয়াং ই বলেন, চীন-ভারত সম্পর্ক এখন আর কেবল দ্বিপাক্ষিক বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর বৈশ্বিক ও কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। দুই প্রতিবেশী দেশের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং মতপার্থক্য কমিয়ে আনা উচিত।

২০২০ সালের প্রাণঘাতী সীমান্ত সংঘর্ষের পর বেইজিং ও নয়াদিল্লির সম্পর্কের অবনতি ঘটে। পরবর্তীতে চার বছরের সামরিক উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের অক্টোবরে সৈন্য ফিরিয়ে নেওয়ার চুক্তি বাস্তবায়নের পর থেকে গত বছরগুলোতে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ধীরে ধীরে উন্নত হতে শুরু করে।

সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ইতিবাচক সংকেত হিসেবে গত বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাত বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো চীন সফর করেন। তবে সম্প্রতি সীমান্ত সম্পর্কিত নতুন এক বিতর্ক দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে আবারও তীব্র কূটনৈতিক বাগযুদ্ধ শুরু হয়েছিল।

আরও পড়ুন

পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে বড় রদবদল

মঙ্গলবারের বৈঠকে অজিত দোভালকে উদ্দেশ্য করে ওয়াং ই বলেন, উভয় পক্ষেরই অতীত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। সীমান্ত সমস্যাকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে উপযুক্ত স্থানে রাখা প্রয়োজন; যাতে থমকে না গিয়ে, পিছিয়ে না পড়ে কিংবা পথ না হারিয়ে সম্পর্কের অগ্রগতি বজায় থাকে।

চীনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালে ভারতে সীমান্ত সংক্রান্ত আলোচনার পরবর্তী পর্ব আয়োজনে দুই দেশই একমত হয়েছে। সূত্র: রয়টার্স।

ভোরের আকাশ/এম

শেয়ার করুন: