শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মিয়ারশাইমার

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সব লক্ষ্য ব্যর্থ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩১ জুলাই ২০২৬, ৬:৫৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরাকের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে দেশটির সরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সম্প্রতি সামরিক আগ্রাসন চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বাগদাদ এক বিবৃতিতে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে একে ইরাকের সার্বভৌমত্বের সরাসরি লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে।

অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য ও ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের সামরিক পদক্ষেপকে ভয়াবহ কৌশলগত ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন প্রখ্যাত মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক জন মিয়ারশাইমার। 

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের ‘আনসেন্সরড’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এই সংঘাতকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক বিধ্বংসী পরাজয় বলে অভিহিত করেন।

আরও পড়ুন

পতনের মুখে নেতানিয়াহু ও ট্রাম্প! ইসরায়েলি বিশ্লেষক

মিয়ারশাইমারের মতে, অভিযানের সূচনায় যুক্তরাষ্ট্র যে চারটি প্রধান উদ্দেশ্য নির্ধারণ করেছিল, তার একটিও তারা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। প্রথমত, ইরানে ক্ষমতা বদল; দ্বিতীয়ত, দেশটির ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা ধ্বংস করা; তৃতীয়ত, হামাস, হিজবুল্লাহ ও আনসারুল্লাহর মতো আঞ্চলিক শক্তিগুলোর প্রতি তেহরানের সমর্থন বন্ধ করা; এবং চতুর্থত, ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিষ্ক্রিয় করা।

এসব লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক অবকাঠামো ও মিত্রদের সাথে সম্পর্ক গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপরন্তু, এ সংঘাতের কারণে অদূর ভবিষ্যতে বৈশ্বিক অর্থনীতি এক গভীর সংকটে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন এই বিশ্লেষক।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সংকট কাটাতে ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর বিকল্প কৌশল দাঁড় করাতে পারেনি। ফলে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, এ রাজনৈতিক ও সামরিক সংকটের কোনো সামরিক সমাধান সম্ভব নয়।
সংবাদের উৎস: পার্সটুডে (ইরনা সূত্রে প্রাপ্ত)।

ইরান যুদ্ধ

শেয়ার করুন: